ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টাঙ্গাইলে হোস্টেল ভবনের নিচে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু ড্রামে করে রাখা ৮০০ লিটার ডিজেল জব্দ, আটক ৩ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির জন্য স্নাতক পাসের বাধ্যবাধকতা তুলে দিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় যুদ্ধবিরতির দিকে যাচ্ছে না ইরান: পার্লামেন্ট স্পিকার থ্রিডি প্রিন্ট প্রযুক্তিতে আইফোন ও অ্যাপল ওয়াচ তৈরির পরিকল্পনা ঢাবির ফজলুল হক হলে যুবক হত্যাকাণ্ড: ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, ২২ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সুরিনাম: ছোট দেশ, বড় বৈচিত্র্যের গল্প ট্রাম্পকে ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে বললেন পুতিন ইরানি গণমাধ্যমে নেতানিয়াহুর নিহত হওয়ার দাবি, নিশ্চিত প্রমাণ মেলেনি পাইপলাইনে ভারত থেকে আসছে ৫ হাজার টন ডিজেল

ট্রেন দুর্ঘটনা রোধে জনসচেতনতা ও সহযোগিতা চাইল রেলপথ মন্ত্রণালয়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
  • / 230

ছবি: সংগৃহীত

 

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন রুটে ট্রেন লাইনচ্যুতির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। এসব দুর্ঘটনায় বড় ধরনের প্রাণহানি বা সম্পদের ক্ষতি না হওয়ায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের সুফল হিসেবে দেখছে সংস্থাটি। একইসঙ্গে রেল নিরাপত্তা রক্ষায় জনগণের সতর্কতা ও সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

সোমবার (৪ আগস্ট) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন  গাজীপুরে ট্রেন লাইনচ্যুতির ১৩ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো চলাচল

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিটি দুর্ঘটনার পেছনের কারণ অনুসন্ধানে পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে যে, এসব ঘটনার পেছনে রেলসংশ্লিষ্টদের বাইরের কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নাশকতামূলক তৎপরতা থাকতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৩ আগস্ট রাতে নাটোরের মাধনগর এলাকায় এক বিপজ্জনক চক্রান্তের ঘটনা সামনে এসেছে। সেখানে রেললাইনে শিকল পেঁচিয়ে তালা লাগানো হয়— যার উদ্দেশ্য ছিল ট্রেন লাইনচ্যুত করে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটানো। তবে সৌভাগ্যবশত, রেলওয়ের এক স্থানীয় কি-ম্যান তা চোখে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি থামিয়ে দেন। পরে শিকল অপসারণ করে স্বাভাবিকভাবে ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলিকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় মনে করে, এ ধরনের পরিকল্পিত অপতৎপরতা প্রতিরোধে সরকার বা রেলওয়ের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। এজন্য সাধারণ মানুষের সচেতন অংশগ্রহণ এবং সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। রেললাইনের আশপাশে সন্দেহজনক কিছু লক্ষ্য করলে তা দ্রুত রেল কর্তৃপক্ষ বা স্থানীয় প্রশাসনকে জানানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

জরুরি প্রয়োজনে রেলওয়ের হটলাইন নম্বর ১৩১ অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ (টোল ফ্রি) ফোন করার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে আশ্বস্ত করা হয়েছে, তথ্যদাতার পরিচয় সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রেখেই সংরক্ষিত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রেন দুর্ঘটনা রোধে জনসচেতনতা ও সহযোগিতা চাইল রেলপথ মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় ০৭:২৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

 

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন রুটে ট্রেন লাইনচ্যুতির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। এসব দুর্ঘটনায় বড় ধরনের প্রাণহানি বা সম্পদের ক্ষতি না হওয়ায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের সুফল হিসেবে দেখছে সংস্থাটি। একইসঙ্গে রেল নিরাপত্তা রক্ষায় জনগণের সতর্কতা ও সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

সোমবার (৪ আগস্ট) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশকে ১.০৬৩ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে জাপান: রেলপথ উন্নয়নে বড় সহায়তা

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিটি দুর্ঘটনার পেছনের কারণ অনুসন্ধানে পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে যে, এসব ঘটনার পেছনে রেলসংশ্লিষ্টদের বাইরের কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নাশকতামূলক তৎপরতা থাকতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৩ আগস্ট রাতে নাটোরের মাধনগর এলাকায় এক বিপজ্জনক চক্রান্তের ঘটনা সামনে এসেছে। সেখানে রেললাইনে শিকল পেঁচিয়ে তালা লাগানো হয়— যার উদ্দেশ্য ছিল ট্রেন লাইনচ্যুত করে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটানো। তবে সৌভাগ্যবশত, রেলওয়ের এক স্থানীয় কি-ম্যান তা চোখে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি থামিয়ে দেন। পরে শিকল অপসারণ করে স্বাভাবিকভাবে ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলিকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় মনে করে, এ ধরনের পরিকল্পিত অপতৎপরতা প্রতিরোধে সরকার বা রেলওয়ের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। এজন্য সাধারণ মানুষের সচেতন অংশগ্রহণ এবং সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। রেললাইনের আশপাশে সন্দেহজনক কিছু লক্ষ্য করলে তা দ্রুত রেল কর্তৃপক্ষ বা স্থানীয় প্রশাসনকে জানানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

জরুরি প্রয়োজনে রেলওয়ের হটলাইন নম্বর ১৩১ অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ (টোল ফ্রি) ফোন করার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে আশ্বস্ত করা হয়েছে, তথ্যদাতার পরিচয় সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রেখেই সংরক্ষিত থাকবে।