০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি নিউক্যাসলকে বিদায় করে লিগ কাপ ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটি কুমিল্লায় হাঁস চুরির সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা ‘আহার গ্রহণও করা যাবে না’: নির্বাচনে কর্মকর্তাদের কঠোর নিরপেক্ষতার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কুষ্টিয়ায় জামায়াত-বিএনপির দফায় দফায় সংঘর্ষ বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করা হবে: তারেক রহমান বিশ্বের প্রথম ‘৮০০ বিলিয়ন’ ডলারের মালিক ইলন মাস্ক সোমবার বিটিভিতে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির ১০৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ: নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারের বড় পদক্ষেপ ড্রাফটের আগে রিশাদকে ছেড়ে দিল লাহোর

বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার অঙ্গীকারে নতুন বছর শুরু হোক: প্রধান উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫
  • / 186

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি নববর্ষকে সামনে রেখে বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নতুন অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামনে একটি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও সংহত বাংলাদেশ গঠনের সুযোগ। আসুন, আমরা এই সুযোগকে কাজে লাগাই। পহেলা বৈশাখ হোক আমাদের নতুন অঙ্গীকারের দিন।”

ড. ইউনূস বলেন, “নববর্ষ শুধু ক্যালেন্ডারের পাতা বদলানো নয়, এটি একটি চেতনার নবজাগরণ। এটি সম্প্রীতির দিন, ঐক্যের দিন। নতুন বছরে আমরা অতীতের গ্লানি, দুঃখ ও অশুভ স্মৃতিকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাই একটি উদ্যমী বাংলাদেশ গঠনের পথে।”

তিনি বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “আমাদের সংস্কৃতি কেবল অতীতের স্মৃতি নয়, এটি ভবিষ্যতের শক্তি। হালখাতা, বৈশাখী মেলা, শীতল পাটি, মাটির পাত্র সবই আমাদের সৃজনশীলতার প্রতীক। এসব ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে উৎসবের মাধ্যমে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলা সনের শুরু কৃষিকাজের প্রয়োজনে হয়েছিল, ‘ফসলি সন’ হিসেবে। আজও বাংলার কৃষক বাংলা তারিখ ধরেই বীজ বোনে ও ফসল তোলে। এ থেকেই বোঝা যায়, আমাদের সংস্কৃতি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে টিকে আছে।”

ড. ইউনূস উল্লেখ করেন, পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীও নববর্ষের উৎসবে অংশগ্রহণ করে এই দিনটিকে সার্বজনীন উৎসবে পরিণত করেছে। “বাংলা নববর্ষ এখন আর শুধু শহরের নয়, এটি পুরো জাতির, সবার উৎসব,” বলেন তিনি।

শেষে দেশবাসীর প্রতি শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, “নববর্ষ ১৪৩২ হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সূচনা। এই দিনটি আমাদের সকলের জীবনে নিয়ে আসুক নতুন আশার আলো, নতুন পথচলার সাহস।

নিউজটি শেয়ার করুন

বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার অঙ্গীকারে নতুন বছর শুরু হোক: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১১:৫৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

 

বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি নববর্ষকে সামনে রেখে বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নতুন অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামনে একটি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও সংহত বাংলাদেশ গঠনের সুযোগ। আসুন, আমরা এই সুযোগকে কাজে লাগাই। পহেলা বৈশাখ হোক আমাদের নতুন অঙ্গীকারের দিন।”

ড. ইউনূস বলেন, “নববর্ষ শুধু ক্যালেন্ডারের পাতা বদলানো নয়, এটি একটি চেতনার নবজাগরণ। এটি সম্প্রীতির দিন, ঐক্যের দিন। নতুন বছরে আমরা অতীতের গ্লানি, দুঃখ ও অশুভ স্মৃতিকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাই একটি উদ্যমী বাংলাদেশ গঠনের পথে।”

তিনি বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “আমাদের সংস্কৃতি কেবল অতীতের স্মৃতি নয়, এটি ভবিষ্যতের শক্তি। হালখাতা, বৈশাখী মেলা, শীতল পাটি, মাটির পাত্র সবই আমাদের সৃজনশীলতার প্রতীক। এসব ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে উৎসবের মাধ্যমে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলা সনের শুরু কৃষিকাজের প্রয়োজনে হয়েছিল, ‘ফসলি সন’ হিসেবে। আজও বাংলার কৃষক বাংলা তারিখ ধরেই বীজ বোনে ও ফসল তোলে। এ থেকেই বোঝা যায়, আমাদের সংস্কৃতি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে টিকে আছে।”

ড. ইউনূস উল্লেখ করেন, পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীও নববর্ষের উৎসবে অংশগ্রহণ করে এই দিনটিকে সার্বজনীন উৎসবে পরিণত করেছে। “বাংলা নববর্ষ এখন আর শুধু শহরের নয়, এটি পুরো জাতির, সবার উৎসব,” বলেন তিনি।

শেষে দেশবাসীর প্রতি শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, “নববর্ষ ১৪৩২ হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সূচনা। এই দিনটি আমাদের সকলের জীবনে নিয়ে আসুক নতুন আশার আলো, নতুন পথচলার সাহস।