ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনায় হাইকোর্টের রায় বহাল রাখলেন আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপতির অভিশংসনসহ তিন দাবিতে সংসদ ভবনের সামনে এনসিপির অবস্থান কর্মসূচি চব্বিশের পর ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের যাত্রা শুরু ১৩ মার্চ থেকে ঈদ ফিরতি ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু চট্টগ্রামে জ্বালানি সংকটে কনটেইনার ডিপোর কার্যক্রম ঝুঁকিতে ত্রয়োদশ সংসদ: স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নিরাপত্তা ত্রুটির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ৫ লাখ ৫০ হাজার গাড়ি ফিরিয়ে নিচ্ছে টয়োটা ইসরায়েলে একযোগে ১০০টি রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরান-হিজবুল্লাহর উপদেষ্টা নিয়োগের চিঠি নিয়ে বিস্তারিত প্রকাশ মন্ত্রণালয়ের তানজিদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সহজ জয় বাংলাদেশের

রাজশাহীতে তীব্র শীত, মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 354

ছবি: সংগৃহীত

 

রাজশাহীতে শীতের প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা এ বছর এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এর ফলে জেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতের অনুভূতি আগের চেয়ে অনেক বেশি বেড়েছে।

আরও পড়ুন  ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে দিনের তাপমাত্রা

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এদিন রাজশাহীতে সূর্য ওঠে সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে। তবে সকাল ৮টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি। ভোর থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায় চারপাশ। সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচল করেছে ফগ লাইট জ্বালিয়ে। সূর্যের অনুপস্থিতি ও হিমেল বাতাসে সাধারণ মানুষ পড়েছে চরম ভোগান্তিতে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে, ফলে শীতের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ায় শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজশাহীতে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২২ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ছিল ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান ছিল ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি।

এদিকে শীতের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত খেটে খাওয়া মানুষজন। কুয়াশা ও ঠাণ্ডা উপেক্ষা করেই জীবিকার তাগিদে তাদের প্রতিদিন ভোরে ঘর ছাড়তে হচ্ছে। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুটপাত ও খোলা বাজারে গরম কাপড়ের বিক্রি বাড়তে শুরু করেছে।

চারঘাট থেকে নগরীর বিনোদপুর বাজারে কাজে আসা শ্রমিক শরিফ ইসলাম বলেন, ভোরের ঠাণ্ডা খুব কষ্টকর হয়ে উঠেছে। কাজ না করলে সংসার চালানো সম্ভব নয়, তাই শীত উপেক্ষা করেই বের হতে হচ্ছে। কয়েক স্তরের কাপড় পরেও ঠাণ্ডা কমছে না।

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক সাগর আলী জানান, সোয়েটার ও জ্যাকেট পরেও শীত অনুভূত হচ্ছে। তাছাড়া রাস্তায় যাত্রী কম থাকায় আয়ও কমে গেছে। এমন আবহাওয়ায় কাজ করাও বেশ কষ্টসাধ্য।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া সহকারী তারেক আজিজ জানান, বর্তমানে রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বিরাজ করছে। পাশাপাশি বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা শতভাগের কাছাকাছি থাকায় শীতের অনুভূতি আরও বেড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজশাহীতে তীব্র শীত, মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস

আপডেট সময় ০৯:৫৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

 

রাজশাহীতে শীতের প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা এ বছর এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এর ফলে জেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতের অনুভূতি আগের চেয়ে অনেক বেশি বেড়েছে।

আরও পড়ুন  ঢাকায় তাপমাত্রা কমেছে, বৃষ্টির সম্ভাবনা

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এদিন রাজশাহীতে সূর্য ওঠে সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে। তবে সকাল ৮টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি। ভোর থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায় চারপাশ। সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচল করেছে ফগ লাইট জ্বালিয়ে। সূর্যের অনুপস্থিতি ও হিমেল বাতাসে সাধারণ মানুষ পড়েছে চরম ভোগান্তিতে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে, ফলে শীতের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ায় শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজশাহীতে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২২ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ছিল ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান ছিল ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি।

এদিকে শীতের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত খেটে খাওয়া মানুষজন। কুয়াশা ও ঠাণ্ডা উপেক্ষা করেই জীবিকার তাগিদে তাদের প্রতিদিন ভোরে ঘর ছাড়তে হচ্ছে। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুটপাত ও খোলা বাজারে গরম কাপড়ের বিক্রি বাড়তে শুরু করেছে।

চারঘাট থেকে নগরীর বিনোদপুর বাজারে কাজে আসা শ্রমিক শরিফ ইসলাম বলেন, ভোরের ঠাণ্ডা খুব কষ্টকর হয়ে উঠেছে। কাজ না করলে সংসার চালানো সম্ভব নয়, তাই শীত উপেক্ষা করেই বের হতে হচ্ছে। কয়েক স্তরের কাপড় পরেও ঠাণ্ডা কমছে না।

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক সাগর আলী জানান, সোয়েটার ও জ্যাকেট পরেও শীত অনুভূত হচ্ছে। তাছাড়া রাস্তায় যাত্রী কম থাকায় আয়ও কমে গেছে। এমন আবহাওয়ায় কাজ করাও বেশ কষ্টসাধ্য।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া সহকারী তারেক আজিজ জানান, বর্তমানে রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বিরাজ করছে। পাশাপাশি বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা শতভাগের কাছাকাছি থাকায় শীতের অনুভূতি আরও বেড়েছে।