নারীদের ওপর হামলা-হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি আখতারের
- আপডেট সময় ০৪:৪১:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 76
রংপুর-৪ আসনে এনসিপির নির্বাচনী পদযাত্রার পথসভায় নারীদের ওপর হামলা ও হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রংপুর-৪ আসনের আওতাধীন এলাকায় আয়োজিত পথসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমাদের এলাকায় গতকালও নারীদের ওপর আক্রমণ ও হয়রানির ঘটনা ঘটেছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—নারীদের নিয়ে কোনো ধরনের অশালীন আচরণ বরদাশত করা হবে না।”
তিনি আরও বলেন, “নারীদের নিয়ে বাঁদরামি করবেন না। কেউ এ ধরনের কাজ করলে কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে।” এ সময় তিনি নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
আখতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে জুলুম, গুম ও খুনের শিকার হয়েছে। সেই পরিস্থিতি থেকে মুক্ত হলেও এখনও দুর্নীতি, ঘুষ ও রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র থেকে পুরোপুরি মুক্ত হওয়া যায়নি। এসব সমস্যা দূর করে একটি সংস্কারমুখী বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোট গঠন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এনসিপির সদস্য সচিব বলেন, দালাল ও ব্যক্তিনির্ভর রাজনীতি কমিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে চান তারা। এর অংশ হিসেবে কাউনিয়া ও হারাগাছা এলাকায় সব আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ্যে বোর্ডের মাধ্যমে প্রদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি গর্ভবতী মায়েদের নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল সেন্টার চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
তিনি বলেন, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের কোনো বিকল্প নেই এবং এই ভোটকে বিজয়ী করতেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে আখতার হোসেন বলেন, শুধু হেলথ কার্ডের প্রতিশ্রুতি নয়, বরং মায়েদের দোরগোড়ায় ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল সেন্টারের মাধ্যমে বাস্তব সেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন বৈষম্য দূর করার অঙ্গীকারও করেন তিনি।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি বলেন, রংপুরের মানুষকে অবমূল্যায়ন করা হলেও এই অঞ্চলের তরুণদের সাহসিকতার কারণেই ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ সম্ভব হয়েছে। “আমরা কথা দিচ্ছি—এই সাহস ও সংগ্রামকে পাথেয় করেই রংপুরসহ উত্তরবঙ্গ এবং সারা দেশের অনিয়ম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাব,” বলেন তিনি।
নারীদের ওপর হামলা-হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি আখতারের
রংপুর-৪ আসনে এনসিপির নির্বাচনী পদযাত্রার পথসভায় নারীদের ওপর হামলা ও হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রংপুর-৪ আসনের আওতাধীন এলাকায় আয়োজিত পথসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমাদের এলাকায় গতকালও নারীদের ওপর আক্রমণ ও হয়রানির ঘটনা ঘটেছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—নারীদের নিয়ে কোনো ধরনের অশালীন আচরণ বরদাশত করা হবে না।”
তিনি আরও বলেন, “নারীদের নিয়ে বাঁদরামি করবেন না। কেউ এ ধরনের কাজ করলে কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে।” এ সময় তিনি নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
আখতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে জুলুম, গুম ও খুনের শিকার হয়েছে। সেই পরিস্থিতি থেকে মুক্ত হলেও এখনও দুর্নীতি, ঘুষ ও রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র থেকে পুরোপুরি মুক্ত হওয়া যায়নি। এসব সমস্যা দূর করে একটি সংস্কারমুখী বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোট গঠন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এনসিপির সদস্য সচিব বলেন, দালাল ও ব্যক্তিনির্ভর রাজনীতি কমিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে চান তারা। এর অংশ হিসেবে কাউনিয়া ও হারাগাছা এলাকায় সব আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ্যে বোর্ডের মাধ্যমে প্রদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি গর্ভবতী মায়েদের নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল সেন্টার চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
তিনি বলেন, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের কোনো বিকল্প নেই এবং এই ভোটকে বিজয়ী করতেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে আখতার হোসেন বলেন, শুধু হেলথ কার্ডের প্রতিশ্রুতি নয়, বরং মায়েদের দোরগোড়ায় ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল সেন্টারের মাধ্যমে বাস্তব সেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন বৈষম্য দূর করার অঙ্গীকারও করেন তিনি।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি বলেন, রংপুরের মানুষকে অবমূল্যায়ন করা হলেও এই অঞ্চলের তরুণদের সাহসিকতার কারণেই ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ সম্ভব হয়েছে। “আমরা কথা দিচ্ছি—এই সাহস ও সংগ্রামকে পাথেয় করেই রংপুরসহ উত্তরবঙ্গ এবং সারা দেশের অনিয়ম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাব,” বলেন তিনি।

























