ঢাকা ০২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের তালিকা করবে গোয়েন্দা সংস্থা: আইজিপি পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী

ফেসবুক মানসিক ক্ষতি করে—প্রমাণ মেলার পর গবেষণা গোপন করেছিল Meta

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 690

ছবি সংগৃহীত

 

আদালতে দাখিল করা নতুন নথিতে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, Meta ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের অভ্যন্তরীণ গবেষণা বন্ধ করে দেয় এবং গোপন রাখে, কারণ সেই গবেষণায় দেখা গিয়েছিল Facebook ব্যবহার মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।

নথিতে বলা হয়েছে—Meta-এর গবেষকরা দেখেন যে ফেসবুকে বেশি সময় কাটানো ব্যবহারকারীদের মধ্যে:

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে কার্যালয় খুলতে মেটাকে আমন্ত্রণ শামা ওবায়েদের

১. বিষণ্নতা বাড়ায়,

২. উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা বাড়ায়,

৩. একাকিত্বের অনুভূতি তীব্র করে,

৪. নিজেকে অন্যদের সঙ্গে তুলনা করার অভ্যাস বাড়িয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এই ফলাফল Meta–র কাছে “অস্বস্তিকর সত্য” হয়ে দাঁড়ায়। গবেষণার তথ্য প্রকাশ পেলে কোম্পানির ইমেজ এবং ব্যবসায়িক মডেল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—এ কারণে গবেষণাটি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং আর এগোনো হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফেসবুক মানসিক ক্ষতি করে—প্রমাণ মেলার পর গবেষণা গোপন করেছিল Meta

আপডেট সময় ০৩:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

 

আদালতে দাখিল করা নতুন নথিতে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, Meta ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের অভ্যন্তরীণ গবেষণা বন্ধ করে দেয় এবং গোপন রাখে, কারণ সেই গবেষণায় দেখা গিয়েছিল Facebook ব্যবহার মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।

নথিতে বলা হয়েছে—Meta-এর গবেষকরা দেখেন যে ফেসবুকে বেশি সময় কাটানো ব্যবহারকারীদের মধ্যে:

আরও পড়ুন  এআই চ্যাটবট নিয়ে গুরুতর তথ্য ফাঁস স্বীকার করল মেটা

১. বিষণ্নতা বাড়ায়,

২. উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা বাড়ায়,

৩. একাকিত্বের অনুভূতি তীব্র করে,

৪. নিজেকে অন্যদের সঙ্গে তুলনা করার অভ্যাস বাড়িয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এই ফলাফল Meta–র কাছে “অস্বস্তিকর সত্য” হয়ে দাঁড়ায়। গবেষণার তথ্য প্রকাশ পেলে কোম্পানির ইমেজ এবং ব্যবসায়িক মডেল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—এ কারণে গবেষণাটি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং আর এগোনো হয়নি।