ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যে ভারত মহাসাগরে জাহাজডুবি, বহু নাবিক নিখোঁজ কুর্দিদের অতিদ্রুত পক্ষ নির্বাচন করতে বলেছেন ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, জরুরি পদক্ষেপ নিচ্ছে চীন-জাপান খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন কলম্বিয়া: আন্দেস, আমাজন ও ক্যারিবিয়ানের মিলনভূমি ইরানি হামলায় আহত দুই প্রবাসীকে দেখতে হাসপাতালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইরানের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের সাহায্যের প্রস্তাব ইউক্রেনের আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ঘোষণা পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

টেকনাফে যৌথবাহিনীর অভিযান, ১২ কোটির ইয়াবা ও আইস উদ্ধার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • / 148

ছবি সংগৃহীত

 

 

কক্সবাজারের টেকনাফে আবারও বড় ধরনের মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল এবং ক্রিস্টাল মেথ (আইস) জব্দ করেছে র‍্যাব ও কোস্ট গার্ড। এ অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন  সুরক্ষিত ভবনে খামেনিকে কীভাবে হত্যা করা হলো?

বুধবার ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ ও র‍্যাব-১৫ এর যৌথ উদ্যোগে টেকনাফের মহেশখালীয়া পাড়া মেরিন ড্রাইভ সড়কের পূর্ব পাশে হ্যাচারি সংলগ্ন জঙ্গল এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে র‍্যাবের ডগ স্কোয়াডের সহায়তায় জঙ্গলের ভেতর অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা একটি হালকা হলুদ রঙের বস্তা শনাক্ত করা হয়। বস্তাটি তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয় ১ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা, ১ কেজি ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ধারণা করা পাউডার এবং ১ কেজি পরিমাণ ক্রিস্টাল মেথ বা আইস।

র‍্যাব ও কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, জব্দ করা মাদকদ্রব্য আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

কোস্ট গার্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, “দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা তৎপর। ২৪ ঘণ্টা টহল জারি রয়েছে উপকূলীয় অঞ্চল এবং নদী তীরবর্তী এলাকাজুড়ে। এর ফলে মাদক পাচার অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।”

তিনি আরও জানান, মাদক পাচার প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, টেকনাফ ও এর আশপাশের উপকূলীয় অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাচালানের জন্য কুখ্যাত। প্রশাসনের ধারাবাহিক অভিযান এই চক্র ভাঙতে কতটা সফল হচ্ছে, তা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। তবে এবারের বড়সড় এই মাদক জব্দ দেশব্যাপী চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

এ ধরনের অভিযান মাদক পাচারকারীদের নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে কতটা কার্যকর হয়, সেটি সময়ই বলে দেবে। তবে সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোর কঠোর নজরদারি এবং নিয়মিত অভিযান এলাকাবাসীর মধ্যে আস্থার সৃষ্টি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

টেকনাফে যৌথবাহিনীর অভিযান, ১২ কোটির ইয়াবা ও আইস উদ্ধার

আপডেট সময় ০৬:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

 

 

কক্সবাজারের টেকনাফে আবারও বড় ধরনের মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল এবং ক্রিস্টাল মেথ (আইস) জব্দ করেছে র‍্যাব ও কোস্ট গার্ড। এ অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন  মালদ্বীপে বিশেষ অভিযানে ৫০ জন প্রবাসী শ্রমিক আটক

বুধবার ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ ও র‍্যাব-১৫ এর যৌথ উদ্যোগে টেকনাফের মহেশখালীয়া পাড়া মেরিন ড্রাইভ সড়কের পূর্ব পাশে হ্যাচারি সংলগ্ন জঙ্গল এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে র‍্যাবের ডগ স্কোয়াডের সহায়তায় জঙ্গলের ভেতর অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা একটি হালকা হলুদ রঙের বস্তা শনাক্ত করা হয়। বস্তাটি তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয় ১ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা, ১ কেজি ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ধারণা করা পাউডার এবং ১ কেজি পরিমাণ ক্রিস্টাল মেথ বা আইস।

র‍্যাব ও কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, জব্দ করা মাদকদ্রব্য আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

কোস্ট গার্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, “দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা তৎপর। ২৪ ঘণ্টা টহল জারি রয়েছে উপকূলীয় অঞ্চল এবং নদী তীরবর্তী এলাকাজুড়ে। এর ফলে মাদক পাচার অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।”

তিনি আরও জানান, মাদক পাচার প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, টেকনাফ ও এর আশপাশের উপকূলীয় অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাচালানের জন্য কুখ্যাত। প্রশাসনের ধারাবাহিক অভিযান এই চক্র ভাঙতে কতটা সফল হচ্ছে, তা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। তবে এবারের বড়সড় এই মাদক জব্দ দেশব্যাপী চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

এ ধরনের অভিযান মাদক পাচারকারীদের নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে কতটা কার্যকর হয়, সেটি সময়ই বলে দেবে। তবে সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোর কঠোর নজরদারি এবং নিয়মিত অভিযান এলাকাবাসীর মধ্যে আস্থার সৃষ্টি করেছে।