ঢাকা ০২:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের তালিকা করবে গোয়েন্দা সংস্থা: আইজিপি পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের

১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা দু’একদিনের মধ্যে চূড়ান্ত হবে: জামায়াত আমির

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1992

ছবি সংগৃহীত

 

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, দুই-এক দিনের মধ্যে ১১ দলীয় জোটের মধ্যে আসন বণ্টন চূড়ান্ত করা হবে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন রাজধানীর বসুন্ধরায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ও ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য ইভারস আইজাবসের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে।

গত কয়েক মাসে ১১টি দল আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের মাধ্যমে আসন সমঝোতার প্রাথমিক আলোচনা সম্পন্ন করেছে। জোটভুক্ত দলগুলো হলো: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।

আরও পড়ুন  জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত

এমনকি আলোচনা চলাকালীন সময়ে আসন বণ্টন নিয়ে অসন্তোষ দেখা দেওয়ায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জোট ত্যাগের গুঞ্জনও উঠেছিল। তবে শেষপর্যন্ত সব দল আসন সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়ে একমত হয়েছে। জামায়াত আমির জানিয়েছেন, শীঘ্রই এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।

প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতিতে জামায়াত ২৭৬টি আসনে, ইসলামী আন্দোলন ২৬৮টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। এনসিপি ৪৭টি, এবি পার্টি ৫৩টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৯৪টি, খেলাফত মজলিস ৬৮টি, এলডিপি ২৪টি, খেলাফত আন্দোলন ১১টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ৬টি, জাগপা ৩টি এবং বিডিপি ২টি আসনে মনোনয়ন দিয়েছে।

জামায়াত আমির আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনে জয়ী হলে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা হবে। তিনি বলেন, “দেশের জনগণ সুশাসন নিশ্চিত করবে। আমাদের শতভাগ আস্থা জনগণের প্রতি রয়েছে। আমরা শুধু চাই নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হোক।”

শফিকুর রহমান আরও বলেন, জনগণ যদি অন্য কোনো দলকে পছন্দ করে, তাহলে তারা তার সঙ্গে সহযোগিতা করবে। দুর্নীতি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং সংস্কারের পক্ষে যারা থাকবে, তাদের পাশে থাকবে জামায়াত।

তিনি সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমকে লক্ষ্য করে বলেছেন, “কিছু সংবাদমাধ্যম একটি দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করছে। আমরা চাই গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করুক। জনগণকে বোকা ভাবার কোনো কারণ নেই। প্রশাসন বা গণমাধ্যমের যে ভূমিকা, জনগণ সব মনে রাখছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা দু’একদিনের মধ্যে চূড়ান্ত হবে: জামায়াত আমির

আপডেট সময় ০৬:০১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

 

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, দুই-এক দিনের মধ্যে ১১ দলীয় জোটের মধ্যে আসন বণ্টন চূড়ান্ত করা হবে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন রাজধানীর বসুন্ধরায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ও ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য ইভারস আইজাবসের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে।

গত কয়েক মাসে ১১টি দল আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের মাধ্যমে আসন সমঝোতার প্রাথমিক আলোচনা সম্পন্ন করেছে। জোটভুক্ত দলগুলো হলো: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।

আরও পড়ুন  ইশরাক হোসেনের শপথ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন: আপিল বিভাগ

এমনকি আলোচনা চলাকালীন সময়ে আসন বণ্টন নিয়ে অসন্তোষ দেখা দেওয়ায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জোট ত্যাগের গুঞ্জনও উঠেছিল। তবে শেষপর্যন্ত সব দল আসন সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়ে একমত হয়েছে। জামায়াত আমির জানিয়েছেন, শীঘ্রই এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।

প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতিতে জামায়াত ২৭৬টি আসনে, ইসলামী আন্দোলন ২৬৮টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। এনসিপি ৪৭টি, এবি পার্টি ৫৩টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৯৪টি, খেলাফত মজলিস ৬৮টি, এলডিপি ২৪টি, খেলাফত আন্দোলন ১১টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ৬টি, জাগপা ৩টি এবং বিডিপি ২টি আসনে মনোনয়ন দিয়েছে।

জামায়াত আমির আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনে জয়ী হলে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা হবে। তিনি বলেন, “দেশের জনগণ সুশাসন নিশ্চিত করবে। আমাদের শতভাগ আস্থা জনগণের প্রতি রয়েছে। আমরা শুধু চাই নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হোক।”

শফিকুর রহমান আরও বলেন, জনগণ যদি অন্য কোনো দলকে পছন্দ করে, তাহলে তারা তার সঙ্গে সহযোগিতা করবে। দুর্নীতি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং সংস্কারের পক্ষে যারা থাকবে, তাদের পাশে থাকবে জামায়াত।

তিনি সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমকে লক্ষ্য করে বলেছেন, “কিছু সংবাদমাধ্যম একটি দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করছে। আমরা চাই গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করুক। জনগণকে বোকা ভাবার কোনো কারণ নেই। প্রশাসন বা গণমাধ্যমের যে ভূমিকা, জনগণ সব মনে রাখছে।”