ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহায়তা চায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডকে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল জুলাই সনদের বাস্তবায়ন: ডেপুটি স্পিকার হচ্ছেন ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম সীতাকুণ্ডে ধর্ষণের শিকার সেই শিশুর মৃত্যু পাওনা টাকার বিরোধে চট্টগ্রামে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় বোন খুন

গণতন্ত্রের পথে ঐকমত্য প্রয়োজন, মতপার্থক্য নয়: আলী রীয়াজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • / 143

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ বারবার ফ্যাসিবাদের উত্থান চায় না। তারা এমন একটি রাষ্ট্র চায়, যেখানে গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত হবে। তাই তারা জুলাই অভ্যুত্থানে জীবন দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  গ্রহণযোগ্য সনদ তৈরি করে গণতন্ত্র রক্ষায় জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে : আলী রীয়াজ

আলী রীয়াজ বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এই আলোচনার উদ্যোগ মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। মতপার্থক্য গণতান্ত্রিক সমাজে স্বাভাবিক, তবে সংস্কারের প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি দৃঢ় থাকা জরুরি।”

তিনি বলেন, “জুলাই-আগস্টে দেশের মানুষ শুধু ক্ষোভ নয়, পরিবর্তনের আশাও প্রকাশ করেছে। তারা এমন একটি রাষ্ট্র চায়, যেখানে বৈষম্য থাকবে না। ঐকমত্য কমিশন সেই কাঠামো তৈরির কাজ করছে, আর এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা অপরিহার্য।”

কমিশনের পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশ নেন বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, ইফতেখারুজ্জামান এবং প্রধান উপদেষ্টার সহকারী মনির হায়দার।

বাসদের পক্ষে বৈঠকে অংশ নেন দলটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, কেন্দ্রীয় ফোরামের সদস্য নিখিল দাস, জনার্দন দত্ত নান্টু, শম্পা বসু, মনীষা চক্রবর্ত্তী, জুলফিকার আলী, আহসান হাবিব বুলবুল, খালেকুজ্জামান লিপন, আবু নাঈম খান বিপ্লব ও গাজীপুর জেলা কমিটির সদস্যসচিব রাহাত আহম্মেদ।

বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, “মতপ্রকাশ ও গ্রহণযোগ্যতার এই পরিবেশ আমরা অতীতে পাইনি। কিন্তু এখন রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক হলেও আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব।”

তিনি বলেন, “মানুষ পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নিয়েই অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছে। সংস্কারের কিছু প্রস্তাবে আমরা ইতিমধ্যে ঐকমত্যে পৌঁছেছি, আর যেসব বিষয়ে মতপার্থক্য আছে, তা নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।”

রাজনৈতিক দলগুলোর মানসিকতার পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “এখন সময় এসেছে একটি বাস্তবসম্মত অঙ্গীকারে পৌঁছানোর। অতীতে অনেক ঐকমত্য হলেও রাজনৈতিক দলগুলো তা মানেনি। সেসব প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ইতিহাস রয়েছে। তাই মানসিকতা না বদলালে বর্তমান ঐকমত্যও ব্যর্থ হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গণতন্ত্রের পথে ঐকমত্য প্রয়োজন, মতপার্থক্য নয়: আলী রীয়াজ

আপডেট সময় ০১:০৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ বারবার ফ্যাসিবাদের উত্থান চায় না। তারা এমন একটি রাষ্ট্র চায়, যেখানে গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত হবে। তাই তারা জুলাই অভ্যুত্থানে জীবন দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এগোচ্ছে ইসি, এগিয়ে প্রক্সি ভোটিং পদ্ধতি

আলী রীয়াজ বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এই আলোচনার উদ্যোগ মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। মতপার্থক্য গণতান্ত্রিক সমাজে স্বাভাবিক, তবে সংস্কারের প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি দৃঢ় থাকা জরুরি।”

তিনি বলেন, “জুলাই-আগস্টে দেশের মানুষ শুধু ক্ষোভ নয়, পরিবর্তনের আশাও প্রকাশ করেছে। তারা এমন একটি রাষ্ট্র চায়, যেখানে বৈষম্য থাকবে না। ঐকমত্য কমিশন সেই কাঠামো তৈরির কাজ করছে, আর এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা অপরিহার্য।”

কমিশনের পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশ নেন বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, ইফতেখারুজ্জামান এবং প্রধান উপদেষ্টার সহকারী মনির হায়দার।

বাসদের পক্ষে বৈঠকে অংশ নেন দলটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, কেন্দ্রীয় ফোরামের সদস্য নিখিল দাস, জনার্দন দত্ত নান্টু, শম্পা বসু, মনীষা চক্রবর্ত্তী, জুলফিকার আলী, আহসান হাবিব বুলবুল, খালেকুজ্জামান লিপন, আবু নাঈম খান বিপ্লব ও গাজীপুর জেলা কমিটির সদস্যসচিব রাহাত আহম্মেদ।

বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, “মতপ্রকাশ ও গ্রহণযোগ্যতার এই পরিবেশ আমরা অতীতে পাইনি। কিন্তু এখন রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক হলেও আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব।”

তিনি বলেন, “মানুষ পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নিয়েই অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছে। সংস্কারের কিছু প্রস্তাবে আমরা ইতিমধ্যে ঐকমত্যে পৌঁছেছি, আর যেসব বিষয়ে মতপার্থক্য আছে, তা নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।”

রাজনৈতিক দলগুলোর মানসিকতার পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “এখন সময় এসেছে একটি বাস্তবসম্মত অঙ্গীকারে পৌঁছানোর। অতীতে অনেক ঐকমত্য হলেও রাজনৈতিক দলগুলো তা মানেনি। সেসব প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ইতিহাস রয়েছে। তাই মানসিকতা না বদলালে বর্তমান ঐকমত্যও ব্যর্থ হতে পারে।