ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচন নয়, গণহত্যার বিচারে প্রতিযোগিতায় নামুন’: সারজিস আলম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৮:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 145

ছবি সংগৃহীত

 

সংস্কার না নির্বাচন এই বিতর্কে না গিয়ে হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়েই রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিযোগিতায় নামার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। তিনি বলেন, “সংস্কার না নির্বাচন এই খেলা বন্ধ করুন। এখন দরকার হত্যাকাণ্ডের বিচারের প্রতিযোগিতা।”

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ইনকিলাব মঞ্চ আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। সমাবেশের প্রতিপাদ্য ছিল, ‘জুলাই, পিলখানা ও শাপলা গণহত্যার বিচার এবং আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি’।

আরও পড়ুন  ঐতিহাসিক নিষেধাজ্ঞার পরে সিসাঢালা প্রাচীরের মতো ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরি: সারজিস আলম

সারজিস আলম বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের আট মাস পরেও আমাদের শহিদ পরিবার এবং আহত যোদ্ধাদের সাথে নিয়ে বলতে হচ্ছে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করুন। কিন্তু বিভিন্ন মহল আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করলে দেশের ইমেজ ক্ষুণ্ণ হবে এই অজুহাত দেয়। আমরা যখনই নিষিদ্ধের কথা বলি, তখন পশ্চিমাদের দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরা হয়। বলা হয়, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না এলে ভারত কী ভাববে!”

তিনি প্রশ্ন রাখেন, “গত ১৬ বছরে পিলখানায়, শাপলায়, শাহবাগে, যাত্রাবাড়িতে, উত্তরায় যখন হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তখন এই পশ্চিমারা কোথায় ছিল? হেলিকপ্টার থেকে গুলি করে যখন শিশুকে হত্যা করা হয় তখন তাদের মানবিকতা কোথায় ছিল? যেই ভারত খুনি হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে, সেই হাসিনাকে ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত ভারতের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে পারে না। খাতা-কলমের সম্পর্ক আর জনগণের সম্পর্ক এক নয়। প্রতিবেশী সম্পর্ক দেখতে হলে খুনিদের ফেরত দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “১০ মাস আগে দেশের মানুষ ভাবত, কখন স্যাংশন আসবে, আমেরিকা হস্তক্ষেপ করবে, তারপর মাঠে নামবে। কিন্তু এখন ছাত্র জনতা জীবন দিয়েছে, রক্ত দিয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের মুখে অন্য কোনো কথাই মানায় না। ভারতের প্রেসক্রিপশনে এবং হাসিনার প্রত্যক্ষ মদদেই পিলখানা, শাপলা এবং জুলাই হত্যাকাণ্ড হয়েছে। এর বিচার ছাড়া বাংলাদেশে আর কিছুই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে না।”

সারজিস আলম সতর্ক করে বলেন, “এই প্রজন্মকে ভয় করুন। এদের রক্ত নিয়ে খেলা করলে, এরা সব ক্ষমতার বিরুদ্ধে গিয়ে যেকাউকে টেনে নামাতে জানে।”

 

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচন নয়, গণহত্যার বিচারে প্রতিযোগিতায় নামুন’: সারজিস আলম

আপডেট সময় ১১:২৮:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫

 

সংস্কার না নির্বাচন এই বিতর্কে না গিয়ে হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়েই রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিযোগিতায় নামার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। তিনি বলেন, “সংস্কার না নির্বাচন এই খেলা বন্ধ করুন। এখন দরকার হত্যাকাণ্ডের বিচারের প্রতিযোগিতা।”

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ইনকিলাব মঞ্চ আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। সমাবেশের প্রতিপাদ্য ছিল, ‘জুলাই, পিলখানা ও শাপলা গণহত্যার বিচার এবং আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি’।

আরও পড়ুন  রাজপথে নেমে আসার জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানালেন সারজিস আলম

সারজিস আলম বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের আট মাস পরেও আমাদের শহিদ পরিবার এবং আহত যোদ্ধাদের সাথে নিয়ে বলতে হচ্ছে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করুন। কিন্তু বিভিন্ন মহল আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করলে দেশের ইমেজ ক্ষুণ্ণ হবে এই অজুহাত দেয়। আমরা যখনই নিষিদ্ধের কথা বলি, তখন পশ্চিমাদের দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরা হয়। বলা হয়, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না এলে ভারত কী ভাববে!”

তিনি প্রশ্ন রাখেন, “গত ১৬ বছরে পিলখানায়, শাপলায়, শাহবাগে, যাত্রাবাড়িতে, উত্তরায় যখন হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তখন এই পশ্চিমারা কোথায় ছিল? হেলিকপ্টার থেকে গুলি করে যখন শিশুকে হত্যা করা হয় তখন তাদের মানবিকতা কোথায় ছিল? যেই ভারত খুনি হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে, সেই হাসিনাকে ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত ভারতের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে পারে না। খাতা-কলমের সম্পর্ক আর জনগণের সম্পর্ক এক নয়। প্রতিবেশী সম্পর্ক দেখতে হলে খুনিদের ফেরত দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “১০ মাস আগে দেশের মানুষ ভাবত, কখন স্যাংশন আসবে, আমেরিকা হস্তক্ষেপ করবে, তারপর মাঠে নামবে। কিন্তু এখন ছাত্র জনতা জীবন দিয়েছে, রক্ত দিয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের মুখে অন্য কোনো কথাই মানায় না। ভারতের প্রেসক্রিপশনে এবং হাসিনার প্রত্যক্ষ মদদেই পিলখানা, শাপলা এবং জুলাই হত্যাকাণ্ড হয়েছে। এর বিচার ছাড়া বাংলাদেশে আর কিছুই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে না।”

সারজিস আলম সতর্ক করে বলেন, “এই প্রজন্মকে ভয় করুন। এদের রক্ত নিয়ে খেলা করলে, এরা সব ক্ষমতার বিরুদ্ধে গিয়ে যেকাউকে টেনে নামাতে জানে।”