ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

আশুলিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ১১ জন দগ্ধ, ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 505

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকার আশুলিয়ার গোমাইল এলাকায় একটি বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ১১ জন দগ্ধ হয়েছেন, এর মধ্যে ৮ জনের অবস্থা গুরুতর। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতের এই ঘটনায় আহতদের মধ্যে দুই জনের শরীরের ৯৯ শতাংশ এবং ৯৫ শতাংশ শ্বাসনালি পুড়ে গেছে। তাদেরকে চিকিৎসার জন্য আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে, অন্যদেরকে রাখা হয়েছে এইচডিইউতে।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, আশুলিয়া থেকে ১১ জন দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে এসেছেন এবং তাদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থাই সংকটজনক। তাদের অবস্থা খুবই মারাত্মক হওয়ায় চিকিৎসকরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছেন।

আরও পড়ুন  আশুলিয়ায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, ভবন ধসে দগ্ধ ৪ সহ আহত ৬

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোমাইল এলাকার আমজাদ ব্যাপারীর বাসার দ্বিতীয় তলায় সুমন মিয়া তার পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। শুক্রবার রাতে তার ভাই সোহেল রানা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুমনের বাসায় বেড়াতে আসেন। শবে বরাত উপলক্ষে রান্নাঘরে পিঠা বানানোর সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায় এবং বাসার ভেতরে থাকা শিশু ও নারীসহ ১১ জন দগ্ধ হন।

পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয়রা আশুলিয়ার নারী ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। আহতদের সুস্থতার জন্য চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে এবং তাদের পরিবার সদস্যদের পাশে রয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আশুলিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ১১ জন দগ্ধ, ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

আপডেট সময় ০৩:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

ঢাকার আশুলিয়ার গোমাইল এলাকায় একটি বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ১১ জন দগ্ধ হয়েছেন, এর মধ্যে ৮ জনের অবস্থা গুরুতর। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতের এই ঘটনায় আহতদের মধ্যে দুই জনের শরীরের ৯৯ শতাংশ এবং ৯৫ শতাংশ শ্বাসনালি পুড়ে গেছে। তাদেরকে চিকিৎসার জন্য আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে, অন্যদেরকে রাখা হয়েছে এইচডিইউতে।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, আশুলিয়া থেকে ১১ জন দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে এসেছেন এবং তাদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থাই সংকটজনক। তাদের অবস্থা খুবই মারাত্মক হওয়ায় চিকিৎসকরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছেন।

আরও পড়ুন  মহাখালীতে ককটেল বিস্ফোরণ, আ. লীগ-সংশ্লিষ্ট ৩ জন আটক

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোমাইল এলাকার আমজাদ ব্যাপারীর বাসার দ্বিতীয় তলায় সুমন মিয়া তার পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। শুক্রবার রাতে তার ভাই সোহেল রানা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুমনের বাসায় বেড়াতে আসেন। শবে বরাত উপলক্ষে রান্নাঘরে পিঠা বানানোর সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায় এবং বাসার ভেতরে থাকা শিশু ও নারীসহ ১১ জন দগ্ধ হন।

পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয়রা আশুলিয়ার নারী ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। আহতদের সুস্থতার জন্য চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে এবং তাদের পরিবার সদস্যদের পাশে রয়েছেন কর্তৃপক্ষ।