ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘ: ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে জুলাই অভ্যুত্থানে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 173

ছবি: সংগৃহীত

 

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক বলেছেন, সাবেক সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা জনগণের বিরোধিতার মুখে ক্ষমতা ধরে রাখতে জুলাই মাসে গণঅভ্যুত্থানকে দমন করতে নৃশংসতা চালিয়েছিল। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন ১২ ফেব্রুয়ারি এক প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত গণঅভ্যুত্থান ছিল সরকার বিরোধী এক ঐতিহাসিক আন্দোলন, যা দমনে সাবেক সরকার এক পরিকল্পিত কৌশল গ্রহণ করেছিল। এতে একাধিক বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্বিচারে গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  সেনাপ্রধানের সাথে জাতিসংঘের শান্তি কার্যক্রম বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ভলকার তুর্ক বলেন, “সাবেক সরকারের উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নির্দেশনায়, প্রতিবাদকারীদের উপর ব্যাপক সহিংসতা চালানো হয়েছে। এ ধরনের কার্যকলাপ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের চরম উদাহরণ।”

জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই মাসে প্রায় ১,৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং হাজার হাজার লোক আহত হয়েছে। এসব ঘটনা রাষ্ট্রীয় সহিংসতার এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে, যা দেশের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হাইকমিশনার আরো বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য এই সময়ে ঘটে যাওয়া অন্যায়গুলোর সঠিক তদন্ত, ক্ষতিপূরণ এবং দায়বদ্ধতার প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একমাত্র সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জাতি এ ধরনের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিতে পারবে এবং পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হবে।

ভলকার তুর্ক তাঁর অফিসের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জাতীয় জবাবদিহিতা প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতিসংঘ: ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে জুলাই অভ্যুত্থানে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে

আপডেট সময় ০৫:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক বলেছেন, সাবেক সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা জনগণের বিরোধিতার মুখে ক্ষমতা ধরে রাখতে জুলাই মাসে গণঅভ্যুত্থানকে দমন করতে নৃশংসতা চালিয়েছিল। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন ১২ ফেব্রুয়ারি এক প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত গণঅভ্যুত্থান ছিল সরকার বিরোধী এক ঐতিহাসিক আন্দোলন, যা দমনে সাবেক সরকার এক পরিকল্পিত কৌশল গ্রহণ করেছিল। এতে একাধিক বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্বিচারে গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  বিচারের আওতায় আনতেই হবে হাসিনা ও সহযোগীদের – জাতিসংঘ

ভলকার তুর্ক বলেন, “সাবেক সরকারের উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নির্দেশনায়, প্রতিবাদকারীদের উপর ব্যাপক সহিংসতা চালানো হয়েছে। এ ধরনের কার্যকলাপ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের চরম উদাহরণ।”

জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই মাসে প্রায় ১,৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং হাজার হাজার লোক আহত হয়েছে। এসব ঘটনা রাষ্ট্রীয় সহিংসতার এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে, যা দেশের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হাইকমিশনার আরো বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য এই সময়ে ঘটে যাওয়া অন্যায়গুলোর সঠিক তদন্ত, ক্ষতিপূরণ এবং দায়বদ্ধতার প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একমাত্র সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জাতি এ ধরনের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিতে পারবে এবং পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হবে।

ভলকার তুর্ক তাঁর অফিসের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জাতীয় জবাবদিহিতা প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।