১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গাজা প্রশাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নতুন বেসামরিক কমিটি গঠন

অবৈধ ৬২ কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ মিলেছে তারিক সিদ্দিকের: দুদক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
  • / 103

ছবি সংগৃহীত

 

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ৬২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের নামেও ১২২ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “তদন্তে দেশে ও বিদেশে আরও অনেক সম্পদের ইঙ্গিত মিলেছে। যাচাই-বাছাই ও দালিলিক প্রমাণ মিললেই সেগুলোও মামলার আওতায় আনা হবে।”

বিজ্ঞাপন

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরের বাঙ্গালগাছ এলাকায় তারিক সিদ্দিক নির্মাণ করেছেন ‘বাগানবিলাস’ নামে একটি বিলাসবহুল বাগানবাড়ি। একই জেলার ফাওকাল এলাকাতেও রয়েছে তার ডুপ্লেক্স ভবনসহ বিশাল সম্পত্তি।

শুধু গাজীপুরেই নয়, রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতেও তার নামে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে জমি ও বাড়ির মালিকানা রয়েছে। বারিধারা আবাসিক এলাকার পার্ক ভ্যালিতে রয়েছে একটি ফ্ল্যাট, আর বারিধারা ডিওএইচএসে রয়েছে সাততলা বিশিষ্ট একটি বাড়ি।

দুদক জানায়, তারিক সিদ্দিকের পরিবারের নামে প্রচুর সম্পদের তথ্য থাকলেও এখন পর্যন্ত দালিলিক প্রমাণে ৬২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি ১২২ কোটি টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি নজরে এসেছে।

এছাড়া বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের নামে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এরইমধ্যে তারিক সিদ্দিকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলাও করা হয়েছে।

দুদকের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, “সম্পদের উৎস ও বৈধতা যাচাইয়ের পর প্রতিটি মামলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কমিশনের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর।”

এদিকে, উচ্চ পর্যায়ের এই সাবেক কর্মকর্তার এমন দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী মামলার পরিধি আরও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অবৈধ ৬২ কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ মিলেছে তারিক সিদ্দিকের: দুদক

আপডেট সময় ০৭:২১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

 

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ৬২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের নামেও ১২২ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “তদন্তে দেশে ও বিদেশে আরও অনেক সম্পদের ইঙ্গিত মিলেছে। যাচাই-বাছাই ও দালিলিক প্রমাণ মিললেই সেগুলোও মামলার আওতায় আনা হবে।”

বিজ্ঞাপন

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরের বাঙ্গালগাছ এলাকায় তারিক সিদ্দিক নির্মাণ করেছেন ‘বাগানবিলাস’ নামে একটি বিলাসবহুল বাগানবাড়ি। একই জেলার ফাওকাল এলাকাতেও রয়েছে তার ডুপ্লেক্স ভবনসহ বিশাল সম্পত্তি।

শুধু গাজীপুরেই নয়, রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতেও তার নামে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে জমি ও বাড়ির মালিকানা রয়েছে। বারিধারা আবাসিক এলাকার পার্ক ভ্যালিতে রয়েছে একটি ফ্ল্যাট, আর বারিধারা ডিওএইচএসে রয়েছে সাততলা বিশিষ্ট একটি বাড়ি।

দুদক জানায়, তারিক সিদ্দিকের পরিবারের নামে প্রচুর সম্পদের তথ্য থাকলেও এখন পর্যন্ত দালিলিক প্রমাণে ৬২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি ১২২ কোটি টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি নজরে এসেছে।

এছাড়া বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের নামে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এরইমধ্যে তারিক সিদ্দিকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলাও করা হয়েছে।

দুদকের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, “সম্পদের উৎস ও বৈধতা যাচাইয়ের পর প্রতিটি মামলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কমিশনের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর।”

এদিকে, উচ্চ পর্যায়ের এই সাবেক কর্মকর্তার এমন দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী মামলার পরিধি আরও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।