ঢাকা ১০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উপযুক্ত চ্যানেলেই ফেরত আসবে ভারতস্থ বাংলাদেশিরা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৭:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
  • / 175

ছবি সংগৃহীত

 

 

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যদি ভারতে অবস্থান করেন, তবে তাঁদের অবশ্যই উপযুক্ত চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে পাঠানো উচিত।

আরও পড়ুন  শেখ হাসিনা ও জয় দেশে এসে কথা বলুক: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আজ রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ঈদ–পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় এবং আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভারত থেকে কিছু মানুষকে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, “এই বিষয়ে আমরা একাধিকবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ করেছি। যদি আমাদের দেশের নাগরিক হয়ে থাকেন, তাহলে তাঁদের উপযুক্ত চ্যানেলে পাঠালে আমরা গ্রহণ করব। কিন্তু তাঁদের জঙ্গলে বা নদীতে ফেলে দিয়ে পাঠানো কোনোভাবেই সভ্য আচরণ নয়। এমনটি একটি সুস্থ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অংশ হতে পারে না।”

বর্তমান সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আগে দেখা যেত পুলিশ কাউকে মারধর করলে সেটাকে সচল ভাবা হতো। কিন্তু বর্তমান সরকার মানবিক পুলিশ চায় যারা জনগণের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবে, সহনশীল হবে। এখনকার পুলিশ আগের তুলনায় অনেক বেশি সচেতন ও সক্রিয়। তাদের আচরণ মানবিক হওয়ায় সাধারণ মানুষ ভাবতে পারে তারা আগের মতো ‘সক্রিয়’ নয়, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে তারা এখন দায়িত্ব পালনে আরও দক্ষ ও মানবিক।”

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন। আমরা কমিশনের সময়সূচির অপেক্ষায় আছি। সময় ঘোষণা করা মাত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামবে।”

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্যে বারবার মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সৌহার্দ্য বজায় রাখার উপর গুরুত্ব আরোপ করতে দেখা যায়। এতে বোঝা যায়, সীমান্ত পরিস্থিতি ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়ে সরকার অত্যন্ত সতর্ক ও কৌশলীভাবে এগোচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

উপযুক্ত চ্যানেলেই ফেরত আসবে ভারতস্থ বাংলাদেশিরা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৭:৩৭:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

 

 

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যদি ভারতে অবস্থান করেন, তবে তাঁদের অবশ্যই উপযুক্ত চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে পাঠানো উচিত।

আরও পড়ুন  "গ্রিসে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশির প্রাণহানি"

আজ রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ঈদ–পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় এবং আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভারত থেকে কিছু মানুষকে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, “এই বিষয়ে আমরা একাধিকবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ করেছি। যদি আমাদের দেশের নাগরিক হয়ে থাকেন, তাহলে তাঁদের উপযুক্ত চ্যানেলে পাঠালে আমরা গ্রহণ করব। কিন্তু তাঁদের জঙ্গলে বা নদীতে ফেলে দিয়ে পাঠানো কোনোভাবেই সভ্য আচরণ নয়। এমনটি একটি সুস্থ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অংশ হতে পারে না।”

বর্তমান সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আগে দেখা যেত পুলিশ কাউকে মারধর করলে সেটাকে সচল ভাবা হতো। কিন্তু বর্তমান সরকার মানবিক পুলিশ চায় যারা জনগণের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবে, সহনশীল হবে। এখনকার পুলিশ আগের তুলনায় অনেক বেশি সচেতন ও সক্রিয়। তাদের আচরণ মানবিক হওয়ায় সাধারণ মানুষ ভাবতে পারে তারা আগের মতো ‘সক্রিয়’ নয়, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে তারা এখন দায়িত্ব পালনে আরও দক্ষ ও মানবিক।”

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন। আমরা কমিশনের সময়সূচির অপেক্ষায় আছি। সময় ঘোষণা করা মাত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামবে।”

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্যে বারবার মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সৌহার্দ্য বজায় রাখার উপর গুরুত্ব আরোপ করতে দেখা যায়। এতে বোঝা যায়, সীমান্ত পরিস্থিতি ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়ে সরকার অত্যন্ত সতর্ক ও কৌশলীভাবে এগোচ্ছে।