ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন

সারাদেশে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪৫২ জন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫
  • / 167

ছবি সংগৃহীত

 

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে মোট ১,৪৫২ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১,০৫৩ জন বিভিন্ন মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং বাকি ৩৯৯ জন অন্যান্য অভিযোগে গ্রেপ্তার হন।

শনিবার (১৪ জুন) পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি), মিডিয়া অ্যান্ড পিআর শাখার ইনামুল হক সাগর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন  শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

তিনি জানান, পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে গত একদিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে গ্রেপ্তার হওয়া অধিকাংশই পূর্বে দায়ের হওয়া মামলার আসামি ও আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক ছিলেন।

অভিযানের সময় বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২টি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ১ রাউন্ড গুলি ও ১টি বার্মিজ চাকু। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, অস্ত্র উদ্ধারসহ এসব অভিযানের মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে।

এআইজি ইনামুল হক সাগর বলেন, “দেশজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে। অপরাধ দমন ও আসামিদের গ্রেপ্তারে আমাদের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।”

পুলিশ সদর দপ্তরের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এই ধরনের অভিযান মূলত অপরাধ প্রবণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়াতে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে গতি আনতেই পরিচালিত হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় চলমান এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন মহল। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু গ্রেপ্তারের মাধ্যমেই নয়, অপরাধের মূল উৎস চিহ্নিত করে তা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, যেসব এলাকা অপরাধপ্রবণ হিসেবে চিহ্নিত, সেখানে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েনের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।

পুলিশের এই উদ্যোগে নাগরিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসছে বলেও মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নিয়মিত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

সারাদেশে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪৫২ জন

আপডেট সময় ০৪:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

 

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে মোট ১,৪৫২ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১,০৫৩ জন বিভিন্ন মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং বাকি ৩৯৯ জন অন্যান্য অভিযোগে গ্রেপ্তার হন।

শনিবার (১৪ জুন) পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি), মিডিয়া অ্যান্ড পিআর শাখার ইনামুল হক সাগর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন  মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় রিকশাচালক গ্রেপ্তার

তিনি জানান, পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে গত একদিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে গ্রেপ্তার হওয়া অধিকাংশই পূর্বে দায়ের হওয়া মামলার আসামি ও আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক ছিলেন।

অভিযানের সময় বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২টি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ১ রাউন্ড গুলি ও ১টি বার্মিজ চাকু। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, অস্ত্র উদ্ধারসহ এসব অভিযানের মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে।

এআইজি ইনামুল হক সাগর বলেন, “দেশজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে। অপরাধ দমন ও আসামিদের গ্রেপ্তারে আমাদের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।”

পুলিশ সদর দপ্তরের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এই ধরনের অভিযান মূলত অপরাধ প্রবণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়াতে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে গতি আনতেই পরিচালিত হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় চলমান এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন মহল। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু গ্রেপ্তারের মাধ্যমেই নয়, অপরাধের মূল উৎস চিহ্নিত করে তা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, যেসব এলাকা অপরাধপ্রবণ হিসেবে চিহ্নিত, সেখানে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েনের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।

পুলিশের এই উদ্যোগে নাগরিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসছে বলেও মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নিয়মিত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।