ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন

বিচারের আগপর্যন্ত আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সাইবার স্পেসেও নিষেধাজ্ঞা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০৫:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
  • / 243

ছবি সংগৃহীত

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। গতকাল শনিবার রাতে উপদেষ্টা পরিষদের এক বিশেষ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুধু মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচিই নয়, সাইবার স্পেসে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনগুলোর যাবতীয় অনলাইন কার্যক্রমেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  চীনের আরো ৩৭ কোম্পানির উপর নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

বিশেষ ওই বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে সংশোধনীও অনুমোদন করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজসহ সকল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আওয়ামী লীগের উপস্থিতি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা এখন উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্তের পরিপত্রের জন্য অপেক্ষা করছি। এটি জারি হলে বিটিআরসির মাধ্যমে মেটাসহ অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে চিঠি পাঠানো হবে। যাতে দ্রুততম সময়ে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়।”

তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনগুলো ৫ আগস্ট দলের সভাপতি শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর থেকে অনলাইনে সক্রিয় থেকে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।

দলটির পক্ষ থেকে ফেসবুক, ইউটিউব ও এক্স (পূর্বের টুইটার)-এর মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে বিবৃতি, বক্তব্য ও রাজনৈতিক বার্তা প্রচার করা হচ্ছিল। একইসঙ্গে বিভিন্ন সময় এসব মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে।

সরকারি সূত্র জানায়, নিষেধাজ্ঞার পরিপত্র জারির সঙ্গে সঙ্গে বিটিআরসি সকল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে আওয়ামী লীগের উপস্থিতি সরিয়ে ফেলতে উদ্যোগ নেবে। এর ফলে অনলাইনে দলটির কার্যক্রম বন্ধ করা হবে এবং তথ্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে যাবে সরকার।

এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অনেকে একে রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ফেরত হিসেবে দেখছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বিচারের আগপর্যন্ত আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সাইবার স্পেসেও নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় ০২:০৫:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। গতকাল শনিবার রাতে উপদেষ্টা পরিষদের এক বিশেষ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুধু মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচিই নয়, সাইবার স্পেসে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনগুলোর যাবতীয় অনলাইন কার্যক্রমেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করল ডিবি

বিশেষ ওই বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে সংশোধনীও অনুমোদন করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজসহ সকল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আওয়ামী লীগের উপস্থিতি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা এখন উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্তের পরিপত্রের জন্য অপেক্ষা করছি। এটি জারি হলে বিটিআরসির মাধ্যমে মেটাসহ অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে চিঠি পাঠানো হবে। যাতে দ্রুততম সময়ে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়।”

তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনগুলো ৫ আগস্ট দলের সভাপতি শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর থেকে অনলাইনে সক্রিয় থেকে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।

দলটির পক্ষ থেকে ফেসবুক, ইউটিউব ও এক্স (পূর্বের টুইটার)-এর মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে বিবৃতি, বক্তব্য ও রাজনৈতিক বার্তা প্রচার করা হচ্ছিল। একইসঙ্গে বিভিন্ন সময় এসব মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে।

সরকারি সূত্র জানায়, নিষেধাজ্ঞার পরিপত্র জারির সঙ্গে সঙ্গে বিটিআরসি সকল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে আওয়ামী লীগের উপস্থিতি সরিয়ে ফেলতে উদ্যোগ নেবে। এর ফলে অনলাইনে দলটির কার্যক্রম বন্ধ করা হবে এবং তথ্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে যাবে সরকার।

এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অনেকে একে রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ফেরত হিসেবে দেখছেন।