ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন

বিশ্বজুড়ে মুক্ত সাংবাদিকতার গুরুত্বে আজ ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’ পালিত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৩২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 191

ছবি সংগৃহীত

 

আজ ৩ মে, সারাবিশ্বে পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশের অধিকারকে সম্মান জানাতে প্রতিবছর এ দিনে দিবসটি উদযাপন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ‘সাহসী নতুন বিশ্বে রিপোর্টিং: স্বাধীন গণমাধ্যমে এআইয়ের প্রভাব’, যা সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও প্রযুক্তির প্রভাবকে সামনে এনে দিবসটির তাৎপর্য আরও গভীর করেছে।

সংবাদের স্বাধীনতাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল ১৯৪৮ সালে গৃহীত সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্রের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদে। সেই থেকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় বিশ্বব্যাপী সাংবাদিক ও অধিকারকর্মীরা সচেষ্ট।

আরও পড়ুন  গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

১৯৭৬ সালে কিছু স্বাধীন সাংবাদিক গঠন করেন ‘বিশ্ব সংবাদপত্র স্বাধীনতা কমিটি’। এরপর ১৯৯১ সালে নামিবিয়ার উইন্ডহোকে অনুষ্ঠিত হয় এক সেমিনার, যেখানে একটি স্বাধীন ও বহুত্ববাদী সংবাদপত্রের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সেখানেই গৃহীত হয় ঐতিহাসিক উইন্ডহোক ঘোষণা যা গণতন্ত্র বিকাশে সংবাদপত্রের ভূমিকা স্পষ্ট করে তোলে।

এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতেই ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৩ মে দিনটিকে ‘বিশ্ব সংবাদপত্র স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এরপর থেকে প্রতি বছর এই দিনে সারা বিশ্বে মুক্ত ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পক্ষে আওয়াজ ওঠে।

এই দিবসে গণমাধ্যম পেশাজীবীরা তাদের পেশার নৈতিকতা ও দায়িত্ব নিয়ে আত্মপর্যালোচনার সুযোগ পান। একইসঙ্গে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় সরকারগুলোর অঙ্গীকার স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তথ্যপ্রবাহে বাধা অপসারণ এবং গণমাধ্যমের ওপর আক্রমণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এগুলোও দিবসটির মূল উদ্দেশ্য।

এ ছাড়াও, কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত সাংবাদিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং তাঁদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করার মাধ্যমে দিবসটি বিশেষ তাৎপর্য লাভ করে।

আজকের দিনে বিশ্ববাসী আবারও একসঙ্গে উচ্চারণ করে স্বাধীন গণমাধ্যমই গণতন্ত্রের প্রাণ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বজুড়ে মুক্ত সাংবাদিকতার গুরুত্বে আজ ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’ পালিত

আপডেট সময় ০২:৩২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

 

আজ ৩ মে, সারাবিশ্বে পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশের অধিকারকে সম্মান জানাতে প্রতিবছর এ দিনে দিবসটি উদযাপন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ‘সাহসী নতুন বিশ্বে রিপোর্টিং: স্বাধীন গণমাধ্যমে এআইয়ের প্রভাব’, যা সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও প্রযুক্তির প্রভাবকে সামনে এনে দিবসটির তাৎপর্য আরও গভীর করেছে।

সংবাদের স্বাধীনতাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল ১৯৪৮ সালে গৃহীত সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্রের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদে। সেই থেকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় বিশ্বব্যাপী সাংবাদিক ও অধিকারকর্মীরা সচেষ্ট।

আরও পড়ুন  গণমাধ্যম সংস্কারে জাতিসংঘের সহায়তা চেয়েছে সরকার: প্রেস সচিব

১৯৭৬ সালে কিছু স্বাধীন সাংবাদিক গঠন করেন ‘বিশ্ব সংবাদপত্র স্বাধীনতা কমিটি’। এরপর ১৯৯১ সালে নামিবিয়ার উইন্ডহোকে অনুষ্ঠিত হয় এক সেমিনার, যেখানে একটি স্বাধীন ও বহুত্ববাদী সংবাদপত্রের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সেখানেই গৃহীত হয় ঐতিহাসিক উইন্ডহোক ঘোষণা যা গণতন্ত্র বিকাশে সংবাদপত্রের ভূমিকা স্পষ্ট করে তোলে।

এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতেই ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৩ মে দিনটিকে ‘বিশ্ব সংবাদপত্র স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এরপর থেকে প্রতি বছর এই দিনে সারা বিশ্বে মুক্ত ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পক্ষে আওয়াজ ওঠে।

এই দিবসে গণমাধ্যম পেশাজীবীরা তাদের পেশার নৈতিকতা ও দায়িত্ব নিয়ে আত্মপর্যালোচনার সুযোগ পান। একইসঙ্গে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় সরকারগুলোর অঙ্গীকার স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তথ্যপ্রবাহে বাধা অপসারণ এবং গণমাধ্যমের ওপর আক্রমণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এগুলোও দিবসটির মূল উদ্দেশ্য।

এ ছাড়াও, কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত সাংবাদিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং তাঁদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করার মাধ্যমে দিবসটি বিশেষ তাৎপর্য লাভ করে।

আজকের দিনে বিশ্ববাসী আবারও একসঙ্গে উচ্চারণ করে স্বাধীন গণমাধ্যমই গণতন্ত্রের প্রাণ।