ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

নববর্ষে দেশবাসীকে সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্যের আহ্বান সেনাপ্রধানের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫
  • / 201

ছবি সংগৃহীত

 

 

বাংলা নববর্ষ ১৪৩২-কে বরণ করে নিতে সোমবার (১৪ এপ্রিল) ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে এক হৃদয়ছোঁয়া উপস্থিতি জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। নববর্ষের প্রথম দিন সকালে রাজধানীর এই ঐতিহ্যবাহী মন্দিরে গিয়ে তিনি মন্দির প্রাঙ্গণের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করেন এবং শুভেচ্ছা জানান উপস্থিত জনসাধারণকে।

আরও পড়ুন  শহীদ-আহতদের পাশে সেনাবাহিনী সবসময় থাকবে: সেনাপ্রধান

সেনাবাহিনীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে জানানো হয়, নববর্ষ উপলক্ষে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন সেনাপ্রধান। মন্দিরের প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য পরিবেশনার, যেখানে দেশীয় সংস্কৃতির নানা রঙে মঞ্চ সাজানো হয়। সুর, নৃত্য আর কল্পনাশক্তির মিশেলে উপস্থাপিত এই অনুষ্ঠান দেশের ঐতিহ্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, “বাংলা নববর্ষ শুধু আনন্দের নয়, এটা আমাদের ঐক্য, সংস্কৃতি আর অসাম্প্রদায়িক চেতনারও উৎসব।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ যুগ যুগ ধরে সহাবস্থান করে এসেছে। এই মেলবন্ধনই আমাদের জাতীয় শক্তি। তাই নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমাদের শপথ নিতে হবে জাতীয় ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন আরও মজবুত করার।”

সেনাবাহিনী প্রধানের এ সফর শুধু এক শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তার উপস্থিতি মন্দির প্রাঙ্গণে এক ধরণের নিরাপত্তা, আন্তরিকতা ও সম্মিলিত বার্তা বহন করেছে। নববর্ষের মতো জাতীয় উৎসবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এমন অংশগ্রহণ দেশের প্রতিটি নাগরিকের মনে উদারতা ও সৌহার্দ্যের বার্তা পৌঁছে দেয়।

বাংলা নববর্ষের প্রথম প্রভাতে এই আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ উপস্থিতি একদিকে যেমন জাতীয় ঐক্যের বার্তা দিয়েছে, তেমনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে মিলেমিশে বাঁচার শিক্ষা দিয়েছে। ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সেনাপ্রধানের এ পদচারণা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, উৎসবের রঙ শুধু আনন্দ নয়, সেটি একতা ও সহনশীলতার প্রতিচ্ছবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

নববর্ষে দেশবাসীকে সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্যের আহ্বান সেনাপ্রধানের

আপডেট সময় ০৮:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

 

 

বাংলা নববর্ষ ১৪৩২-কে বরণ করে নিতে সোমবার (১৪ এপ্রিল) ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে এক হৃদয়ছোঁয়া উপস্থিতি জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। নববর্ষের প্রথম দিন সকালে রাজধানীর এই ঐতিহ্যবাহী মন্দিরে গিয়ে তিনি মন্দির প্রাঙ্গণের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করেন এবং শুভেচ্ছা জানান উপস্থিত জনসাধারণকে।

আরও পড়ুন  বিদায়ী সাক্ষাতে সেনাপ্রধানকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধান উপদেষ্টা

সেনাবাহিনীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে জানানো হয়, নববর্ষ উপলক্ষে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন সেনাপ্রধান। মন্দিরের প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য পরিবেশনার, যেখানে দেশীয় সংস্কৃতির নানা রঙে মঞ্চ সাজানো হয়। সুর, নৃত্য আর কল্পনাশক্তির মিশেলে উপস্থাপিত এই অনুষ্ঠান দেশের ঐতিহ্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, “বাংলা নববর্ষ শুধু আনন্দের নয়, এটা আমাদের ঐক্য, সংস্কৃতি আর অসাম্প্রদায়িক চেতনারও উৎসব।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ যুগ যুগ ধরে সহাবস্থান করে এসেছে। এই মেলবন্ধনই আমাদের জাতীয় শক্তি। তাই নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমাদের শপথ নিতে হবে জাতীয় ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন আরও মজবুত করার।”

সেনাবাহিনী প্রধানের এ সফর শুধু এক শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তার উপস্থিতি মন্দির প্রাঙ্গণে এক ধরণের নিরাপত্তা, আন্তরিকতা ও সম্মিলিত বার্তা বহন করেছে। নববর্ষের মতো জাতীয় উৎসবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এমন অংশগ্রহণ দেশের প্রতিটি নাগরিকের মনে উদারতা ও সৌহার্দ্যের বার্তা পৌঁছে দেয়।

বাংলা নববর্ষের প্রথম প্রভাতে এই আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ উপস্থিতি একদিকে যেমন জাতীয় ঐক্যের বার্তা দিয়েছে, তেমনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে মিলেমিশে বাঁচার শিক্ষা দিয়েছে। ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সেনাপ্রধানের এ পদচারণা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, উৎসবের রঙ শুধু আনন্দ নয়, সেটি একতা ও সহনশীলতার প্রতিচ্ছবি।