ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ২৩ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাংলাদেশে সেবা প্রদানের অনুমোদন পেল স্টারলিংক – চালু হচ্ছে আকাশপথে ইন্টারনেট সেবার নতুন দিগন্ত  বিদেশি সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কিছু যেন না প্রচারিত হয় : তথ্য উপদেষ্টা দক্ষিণ কোরিয়ায় আগুন নেভাতে গিয়ে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত পাইলট মারাত্মক ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণহানি ১৬, ব্যাপক ধ্বংস ও বন্যার আশঙ্কা ঈদের আগেই রেমিট্যান্সের রেকর্ড, প্রবাসীরা পাঠালেন ৩২৯ কোটি ডলার – রেমিটেন্সে নতুন মাইলফলক এপ্রিলেও এলপি গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত, সামান্য কমলো অটোগ্যাসের মূল্য গাজার জন্য হরতাল কর্মসূচিতে বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণের আহ্বান সারজিস আলমের   গারো অঞ্চলের বনে আগুনের পরিকল্পিত ছোবল, সংকটে পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আগ্রাসন নিয়ে আরবদের প্রতি ইরানের হুঁশিয়ারি বার্তা  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বাস খাদে পড়ে আহত অন্তত ২৫ 

বিমসটেক সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ: আঞ্চলিক সহযোগিতার বার্তা

খবরের কথা ডেস্ক

ছবি: সংগৃহীত

 

ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বিমসটেক (বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টোরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিণী অমরাসুরিয়ার মধ্যে।

শুক্রবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর সাক্ষাতের মুহূর্তগুলো ছবি আকারে প্রকাশ করেছে, যা ইতিমধ্যেই দৃষ্টি কেড়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

আলোচনায় উঠে এসেছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সংযোগ, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নানা দিক। উভয় নেতা বিমসটেকের গুরুত্ব এবং এর মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

বাংলাদেশ এবারের সম্মেলনের পর আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতিত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে। এই দায়িত্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সামনে খুলে যাচ্ছে এক নতুন কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার। এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে জ্বালানি, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ নেতৃত্বদানের সুযোগ পাচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে অধিক সংহতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিমসটেক এই অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠছে, যেখানে বাংলাদেশ তার কৌশলগত অবস্থান এবং নেতৃত্বের মাধ্যমে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

এই উচ্চপর্যায়ের সাক্ষাৎ ও ভবিষ্যৎ দায়িত্ব বাংলাদেশের জন্য কেবল সম্মানজনক নয়, বরং তা একটি নতুন আঞ্চলিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে বলেই বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:৫৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
৫০৮ বার পড়া হয়েছে

বিমসটেক সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ: আঞ্চলিক সহযোগিতার বার্তা

আপডেট সময় ০২:৫৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫

 

ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বিমসটেক (বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টোরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিণী অমরাসুরিয়ার মধ্যে।

শুক্রবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর সাক্ষাতের মুহূর্তগুলো ছবি আকারে প্রকাশ করেছে, যা ইতিমধ্যেই দৃষ্টি কেড়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

আলোচনায় উঠে এসেছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সংযোগ, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নানা দিক। উভয় নেতা বিমসটেকের গুরুত্ব এবং এর মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

বাংলাদেশ এবারের সম্মেলনের পর আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতিত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে। এই দায়িত্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সামনে খুলে যাচ্ছে এক নতুন কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার। এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে জ্বালানি, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ নেতৃত্বদানের সুযোগ পাচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে অধিক সংহতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিমসটেক এই অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠছে, যেখানে বাংলাদেশ তার কৌশলগত অবস্থান এবং নেতৃত্বের মাধ্যমে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

এই উচ্চপর্যায়ের সাক্ষাৎ ও ভবিষ্যৎ দায়িত্ব বাংলাদেশের জন্য কেবল সম্মানজনক নয়, বরং তা একটি নতুন আঞ্চলিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে বলেই বিশ্লেষকরা মনে করছেন।