০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি

সিরিয়ার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫
  • / 94

ছবি সংগৃহীত

 

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিকটপ্রাচ্য বিষয়ক সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া জোয়েল রেবার্ন সিরিয়া বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।

১. বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা – যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে যে তারা সিরিয়ায় কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ চায় না।

২. সিরিয়ার জনগণের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত – নতুন সরকার নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের নিজস্ব অগ্রাধিকার থাকলেও তারা বলছে, শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেবে সিরিয়ার জনগণ।

৩. নিষেধাজ্ঞা পর্যালোচনা – আগের সরকারের ওপর আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে এবং এগুলো পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

৪. টেকনোক্র‍্যাট সরকার – নতুন সিরিয়ান সরকারকে ‘টেকনোক্র‍্যাটদের সরকার’ হিসেবে উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এরা হচ্ছে স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ।

সংক্ষেপে, মার্কিন প্রশাসন একদিকে সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও জনগণের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিচ্ছে, অন্যদিকে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নমনীয় হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এ নীতির বাস্তব প্রয়োগ কতটা কার্যকর হবে, সেটাই দেখার বিষয়।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

সিরিয়ার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি

আপডেট সময় ০৫:৪৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫

 

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিকটপ্রাচ্য বিষয়ক সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া জোয়েল রেবার্ন সিরিয়া বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।

১. বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা – যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে যে তারা সিরিয়ায় কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ চায় না।

২. সিরিয়ার জনগণের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত – নতুন সরকার নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের নিজস্ব অগ্রাধিকার থাকলেও তারা বলছে, শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেবে সিরিয়ার জনগণ।

৩. নিষেধাজ্ঞা পর্যালোচনা – আগের সরকারের ওপর আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে এবং এগুলো পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

৪. টেকনোক্র‍্যাট সরকার – নতুন সিরিয়ান সরকারকে ‘টেকনোক্র‍্যাটদের সরকার’ হিসেবে উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এরা হচ্ছে স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ।

সংক্ষেপে, মার্কিন প্রশাসন একদিকে সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও জনগণের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিচ্ছে, অন্যদিকে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নমনীয় হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এ নীতির বাস্তব প্রয়োগ কতটা কার্যকর হবে, সেটাই দেখার বিষয়।