ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতায় মাইলফলক হয়ে থাকবে : চীনা রাষ্ট্রদূত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 142

ছবি সংগৃহীত

 

 

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আসন্ন চীন সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ মিশনে জনবল বৃদ্ধির উদ্যোগ নিল সরকার: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার এই সফর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আমরা এ সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।”

আগামী ২৬ মার্চ ড. ইউনূস তিনদিনের সরকারি সফরে চীনের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। এই সফরকে সামনে রেখে পররাষ্ট্র সচিব এম জসীম উদ্দিনের সঙ্গে একটি সৌজন্য বৈঠক করেছেন চীনা রাষ্ট্রদূত। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, “২০২৫ সালে বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে। এ উপলক্ষে আমরা একটি স্মরণীয় ঘোষণা দেওয়ার জন্য কাজ করছি। প্রধান উপদেষ্টার সফর সেই ঘোষণা আসার সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করছে।”

তিনি আরও বলেন, “চীন সবসময় বাংলাদেশকে তার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখে। আমরা চাই, দুই দেশ মিলে পারস্পরিক কল্যাণে কাজ করুক। এ সফরের মাধ্যমে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং চিকিৎসা ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতার নতুন পথ খুলে যাবে।”

রাষ্ট্রদূত জানান, সফর সফল করতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সফরের প্রতিটি ধাপে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের বর্তমান গতিধারায় এই সফর হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক, যা আগামী দশকে দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগিতাকে আরও শক্ত ভিত্তি দেবে বলে আশা করছেন কূটনৈতিক মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতায় মাইলফলক হয়ে থাকবে : চীনা রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় ০৫:১১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

 

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আসন্ন চীন সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন

আরও পড়ুন  অক্টোবরের মধ্যে ভাঙাচোড়া রাস্তা সংস্কার ও পুরোনো বাস সরানো হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার এই সফর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আমরা এ সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।”

আগামী ২৬ মার্চ ড. ইউনূস তিনদিনের সরকারি সফরে চীনের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। এই সফরকে সামনে রেখে পররাষ্ট্র সচিব এম জসীম উদ্দিনের সঙ্গে একটি সৌজন্য বৈঠক করেছেন চীনা রাষ্ট্রদূত। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, “২০২৫ সালে বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে। এ উপলক্ষে আমরা একটি স্মরণীয় ঘোষণা দেওয়ার জন্য কাজ করছি। প্রধান উপদেষ্টার সফর সেই ঘোষণা আসার সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করছে।”

তিনি আরও বলেন, “চীন সবসময় বাংলাদেশকে তার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখে। আমরা চাই, দুই দেশ মিলে পারস্পরিক কল্যাণে কাজ করুক। এ সফরের মাধ্যমে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং চিকিৎসা ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতার নতুন পথ খুলে যাবে।”

রাষ্ট্রদূত জানান, সফর সফল করতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সফরের প্রতিটি ধাপে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের বর্তমান গতিধারায় এই সফর হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক, যা আগামী দশকে দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগিতাকে আরও শক্ত ভিত্তি দেবে বলে আশা করছেন কূটনৈতিক মহল।