ঢাকা ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্য

সিরিয়ার দখলকৃত এলাকায় ইসরায়েলের সামরিক স্থাপনা নির্মাণ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৩১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 443

ছবি সংগৃহীত

 

আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার দখলকৃত কিছু এলাকায় সামরিক স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেছে ইসরায়েল। বিশেষত, সিরিয়ার কুনেইত্রা সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এসব স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে।

এ অঞ্চলে সামরিক স্থাপনা গড়ে তোলার মাধ্যমে ইসরায়েল তার কৌশলগত প্রভাব আরও জোরদার করছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কুনেইত্রা অঞ্চলটি সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোর একটি, যেখানে ইসরায়েল ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে দখল বজায় রেখেছে।

আরও পড়ুন  তুরস্ককে ‘নতুন শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা দিতে পারে ইসরায়েল: হাকান ফিদান

অঞ্চলটিতে সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির ফলে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি ভবিষ্যতে সিরিয়ার ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলের নজর কেড়েছে এবং এতে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সিরিয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্য

সিরিয়ার দখলকৃত এলাকায় ইসরায়েলের সামরিক স্থাপনা নির্মাণ

আপডেট সময় ০২:৩১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫

 

আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার দখলকৃত কিছু এলাকায় সামরিক স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেছে ইসরায়েল। বিশেষত, সিরিয়ার কুনেইত্রা সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এসব স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে।

এ অঞ্চলে সামরিক স্থাপনা গড়ে তোলার মাধ্যমে ইসরায়েল তার কৌশলগত প্রভাব আরও জোরদার করছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কুনেইত্রা অঞ্চলটি সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোর একটি, যেখানে ইসরায়েল ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে দখল বজায় রেখেছে।

আরও পড়ুন  ইউরোভিশন থেকে ইসরায়েল বাদ গেলে জার্মানিও বেরিয়ে যাবে : চ্যান্সেলর মের্ৎস

অঞ্চলটিতে সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির ফলে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি ভবিষ্যতে সিরিয়ার ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলের নজর কেড়েছে এবং এতে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সিরিয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।