ঢাকা ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

আবারও গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলার কারণে জাতিসংঘ মহাসচিবের ক্ষোভ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
  • / 522

ছবি: সংগৃহীত

 

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ফের ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এক রাতেই ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন চার শতাধিক ফিলিস্তিনি। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা।

ইসরায়েলের এই বর্বরোচিত হামলায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেছেন, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এটি অবশ্যই বন্ধ করা উচিত। পাশাপাশি, তিনি ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার এবং নিরবচ্ছিন্ন মানবিক সহায়তা পুনরায় চালুর আহ্বান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন  গাজায় প্রতি ২০ মিনিটে প্রাণ হারাচ্ছে বা আহত হচ্ছে একটি শিশু: জাতিসংঘের ভয়াবহ তথ্য

বুধবার (১৯ মার্চ) সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, জাতিসংঘ মহাসচিব ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেন, “আমি আবারও যুদ্ধবিরতি মেনে চলার, মানবিক সহায়তার পথ উন্মুক্ত করার এবং আটক বন্দিদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো গাজায় ইসরায়েলের লাগাতার বোমাবর্ষণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। অনেক রাষ্ট্রই এ হামলাকে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছে এবং দ্রুত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।

গাজার সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন মানবিক সংস্থাও। কাতার, তুরস্ক, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ ইসরায়েলের এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।

গাজায় হাসপাতালগুলোতে জায়গা নেই, জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব চরমে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া মানুষদের উদ্ধারের জন্য পর্যাপ্ত সরঞ্জাম নেই, ফলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গাজার মানুষের প্রতি অব্যাহত সহিংসতা এবং মানবিক সহায়তা অবরুদ্ধ রাখায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলার দাবি উঠছে। তবে ইসরায়েল এখনও হামলা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার জানিয়ে বলেছে, তারা ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের দমন করতেই এই অভিযান চালাচ্ছে।

এই হামলার ফলে গাজায় মানবিক বিপর্যয় আরও তীব্রতর হয়েছে, যেখানে খাদ্য, পানি ও ওষুধের সংকটে লক্ষ লক্ষ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। জাতিসংঘ এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, যদি দ্রুত এই হামলা বন্ধ না করা হয়, তবে গাজায় আরও ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় নেমে আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আবারও গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলার কারণে জাতিসংঘ মহাসচিবের ক্ষোভ

আপডেট সময় ১২:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

 

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ফের ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এক রাতেই ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন চার শতাধিক ফিলিস্তিনি। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা।

ইসরায়েলের এই বর্বরোচিত হামলায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেছেন, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এটি অবশ্যই বন্ধ করা উচিত। পাশাপাশি, তিনি ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার এবং নিরবচ্ছিন্ন মানবিক সহায়তা পুনরায় চালুর আহ্বান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন  রাফাহ সীমান্ত আংশিক খুলতেই গাজায় ফেরার পথে ফিলিস্তিনিরা, যুদ্ধের মধ্যেও নতুন জীবনের স্বপ্ন

বুধবার (১৯ মার্চ) সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, জাতিসংঘ মহাসচিব ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেন, “আমি আবারও যুদ্ধবিরতি মেনে চলার, মানবিক সহায়তার পথ উন্মুক্ত করার এবং আটক বন্দিদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো গাজায় ইসরায়েলের লাগাতার বোমাবর্ষণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। অনেক রাষ্ট্রই এ হামলাকে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছে এবং দ্রুত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।

গাজার সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন মানবিক সংস্থাও। কাতার, তুরস্ক, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ ইসরায়েলের এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।

গাজায় হাসপাতালগুলোতে জায়গা নেই, জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব চরমে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া মানুষদের উদ্ধারের জন্য পর্যাপ্ত সরঞ্জাম নেই, ফলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গাজার মানুষের প্রতি অব্যাহত সহিংসতা এবং মানবিক সহায়তা অবরুদ্ধ রাখায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলার দাবি উঠছে। তবে ইসরায়েল এখনও হামলা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার জানিয়ে বলেছে, তারা ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের দমন করতেই এই অভিযান চালাচ্ছে।

এই হামলার ফলে গাজায় মানবিক বিপর্যয় আরও তীব্রতর হয়েছে, যেখানে খাদ্য, পানি ও ওষুধের সংকটে লক্ষ লক্ষ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। জাতিসংঘ এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, যদি দ্রুত এই হামলা বন্ধ না করা হয়, তবে গাজায় আরও ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় নেমে আসবে।