ঢাকা ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন

গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রতি ইসরাইলের সম্মতি, কিন্তু ভবিষ্যত অনিশ্চিত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
  • / 146

ছবি সংগৃহীত

 

পবিত্র রমজান মাস ও ইহুদিদের বসন্তকালীন উৎসবের (পাসওভার) সময় ফিলিস্তিনের গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে ইসরাইল। রোববার (২ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত শনিবার (১ মার্চ) গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় ইসরাইলি হামলায় ধ্বংস হওয়া ভবনের পাশে ইফতার করছিলেন ফিলিস্তিনিরা। একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত, স্টিভ উইটকফের পক্ষ থেকে সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই প্রস্তাবের অংশ হিসেবে, প্রথম দিনে গাজায় আটক অর্ধেক জিম্মি মুক্তির শর্ত রাখা হয়েছে। পরে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি হলে বাকি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন  আলেপ্পোতে যুদ্ধবিরতি: সিরীয় সেনা ও কুর্দি বাহিনীর সংঘর্ষের অবসান

তবে হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের সময় বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি উইটকফের প্রস্তাবের ব্যাপারে সরাসরি কিছু বলেননি। ইসরাইলের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, হামাস যদি এই প্রস্তাব মেনে নেয়, তাহলে ইসরাইল তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনা শুরু করতে চায়।

এদিকে, গাজাসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে গত শনিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। এবং ১২ এপ্রিল থেকে ইহুদিদের বসন্তকালীন উৎসবও শুরু হবে। তবে মিশরের কায়রোতে গাজায় দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধবিরতির আলোচনা এখনও কোনো সমাধানে পৌঁছায়নি। ইসরাইল জানিয়েছে, তারা বর্তমানে চলমান যুদ্ধবিরতির কাঠামো বাড়ানোর চেষ্টা করবে, তবে নতুন শর্তে আলোচনা করতে রাজি নয়।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক বলে মন্তব্য করেছেন। গাজার মানবিক পরিস্থিতি ও সহায়তার বিষয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, কারণ যুদ্ধবিরতি না হলে মানবিক সহায়তা প্রদান করা কঠিন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রতি ইসরাইলের সম্মতি, কিন্তু ভবিষ্যত অনিশ্চিত

আপডেট সময় ১২:৩১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

 

পবিত্র রমজান মাস ও ইহুদিদের বসন্তকালীন উৎসবের (পাসওভার) সময় ফিলিস্তিনের গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে ইসরাইল। রোববার (২ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত শনিবার (১ মার্চ) গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় ইসরাইলি হামলায় ধ্বংস হওয়া ভবনের পাশে ইফতার করছিলেন ফিলিস্তিনিরা। একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত, স্টিভ উইটকফের পক্ষ থেকে সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই প্রস্তাবের অংশ হিসেবে, প্রথম দিনে গাজায় আটক অর্ধেক জিম্মি মুক্তির শর্ত রাখা হয়েছে। পরে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি হলে বাকি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন  গাজায় অবিলম্বে নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতির আহ্বান ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর

তবে হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের সময় বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি উইটকফের প্রস্তাবের ব্যাপারে সরাসরি কিছু বলেননি। ইসরাইলের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, হামাস যদি এই প্রস্তাব মেনে নেয়, তাহলে ইসরাইল তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনা শুরু করতে চায়।

এদিকে, গাজাসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে গত শনিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। এবং ১২ এপ্রিল থেকে ইহুদিদের বসন্তকালীন উৎসবও শুরু হবে। তবে মিশরের কায়রোতে গাজায় দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধবিরতির আলোচনা এখনও কোনো সমাধানে পৌঁছায়নি। ইসরাইল জানিয়েছে, তারা বর্তমানে চলমান যুদ্ধবিরতির কাঠামো বাড়ানোর চেষ্টা করবে, তবে নতুন শর্তে আলোচনা করতে রাজি নয়।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক বলে মন্তব্য করেছেন। গাজার মানবিক পরিস্থিতি ও সহায়তার বিষয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, কারণ যুদ্ধবিরতি না হলে মানবিক সহায়তা প্রদান করা কঠিন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।