০৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আজ হামাসের বন্দি বিনিময়ে তিন ইসরায়েলি মুক্তি, ফিলিস্তিনিদের মুক্তি ৩৬৯

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 111

ছবি সংগৃহীত

 

যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময়ের অংশ হিসেবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস শনিবার আরো তিনজন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিতে যাচ্ছে। এর বদলে, দখলদার ইসরায়েল ৩৬৯ ফিলিস্তিনি বন্দিকে তাদের কারাগার থেকে মুক্তি দেবে।

মুক্তিপ্রাপ্ত ইসরায়েলি জিম্মিরা হলেন আয়ার হর্ন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের দ্বৈত নাগরিক সাগুই ডেকেল-চেন, এবং রাশিয়া ও ইসরায়েলের দ্বৈত নাগরিক আলেকসান্দ্রে সাশা ত্রোফানভ।

গত সপ্তাহে হামাস হঠাৎ করে এই জিম্মিদের মুক্তি স্থগিত ঘোষণা করেছিল। হামাসের দাবি, ইসরায়েল জিম্মি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করেছে, যার ফলে তারা মুক্তির সিদ্ধান্ত স্থগিত করে।

হামাস জানিয়েছিল, ইসরায়েল গাজায় পর্যাপ্ত ত্রাণ প্রবাহিত হতে দিচ্ছে না এবং জরুরি কাজে ব্যবহৃত ভারী সরঞ্জাম গাজায় প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করছে। এছাড়া তাঁবু ও অস্থায়ী বাড়ির জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তখন সতর্ক করে দিয়েছিলেন, যদি হামাস শনিবার জিম্মিদের মুক্তি না দেয়, তাহলে গাজায় আবারও তীব্র হামলা শুরু করবে।

তবে পরবর্তী সময়ে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্রচেষ্টায় হামাস মুক্তির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে এবং তারা ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দিতে রাজি হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আজ হামাসের বন্দি বিনিময়ে তিন ইসরায়েলি মুক্তি, ফিলিস্তিনিদের মুক্তি ৩৬৯

আপডেট সময় ১১:৩৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময়ের অংশ হিসেবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস শনিবার আরো তিনজন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিতে যাচ্ছে। এর বদলে, দখলদার ইসরায়েল ৩৬৯ ফিলিস্তিনি বন্দিকে তাদের কারাগার থেকে মুক্তি দেবে।

মুক্তিপ্রাপ্ত ইসরায়েলি জিম্মিরা হলেন আয়ার হর্ন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের দ্বৈত নাগরিক সাগুই ডেকেল-চেন, এবং রাশিয়া ও ইসরায়েলের দ্বৈত নাগরিক আলেকসান্দ্রে সাশা ত্রোফানভ।

গত সপ্তাহে হামাস হঠাৎ করে এই জিম্মিদের মুক্তি স্থগিত ঘোষণা করেছিল। হামাসের দাবি, ইসরায়েল জিম্মি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করেছে, যার ফলে তারা মুক্তির সিদ্ধান্ত স্থগিত করে।

হামাস জানিয়েছিল, ইসরায়েল গাজায় পর্যাপ্ত ত্রাণ প্রবাহিত হতে দিচ্ছে না এবং জরুরি কাজে ব্যবহৃত ভারী সরঞ্জাম গাজায় প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করছে। এছাড়া তাঁবু ও অস্থায়ী বাড়ির জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তখন সতর্ক করে দিয়েছিলেন, যদি হামাস শনিবার জিম্মিদের মুক্তি না দেয়, তাহলে গাজায় আবারও তীব্র হামলা শুরু করবে।

তবে পরবর্তী সময়ে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্রচেষ্টায় হামাস মুক্তির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে এবং তারা ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দিতে রাজি হয়।