০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গাজা প্রশাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নতুন বেসামরিক কমিটি গঠন গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন বিবেচনা করছে জার্মানি চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ির উপর শুল্ক কমালো কানাডা খালে পড়ে ট্রাক, পাকিস্তানে একই পরিবারের ১৪ জনের মৃত্যু

ট্রাম্পের পরিকল্পনা: তাইওয়ানের পণ্যে বাড়তি শুল্ক আরোপ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 108

ছবি সংগৃহীত

 

ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সম্প্রতি তিনি ঘোষণা করেছেন যে, তাইওয়ান থেকে আমদানি করা চিপ এবং ওষুধ তৈরির কাঁচামালের ওপর ২৫% থেকে ১০০% পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হবে।

এ সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো মার্কিন কোম্পানিগুলোকে, বিশেষত TSMC-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে, তাদের উৎপাদন কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করা। মার্কিন অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করা এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে এটি একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

বিশ্বজুড়ে চিপ সংকট এবং প্রযুক্তি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা বড় পদক্ষেপ হতে পারে। তবে, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর ফলে মার্কিন বাজারে প্রযুক্তি পণ্যের দাম বাড়তে পারে। একই সঙ্গে, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ট্রাম্পের শুল্ক পরিকল্পনা তার আগের “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতির প্রতিফলন। তিনি চান, যুক্তরাষ্ট্র নিজেই প্রযুক্তিগত নির্ভরতা পূরণে সক্ষম হয়ে উঠুক। তবে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে বিতর্ক এখনও চলমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের পরিকল্পনা: তাইওয়ানের পণ্যে বাড়তি শুল্ক আরোপ

আপডেট সময় ০৩:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫

 

ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সম্প্রতি তিনি ঘোষণা করেছেন যে, তাইওয়ান থেকে আমদানি করা চিপ এবং ওষুধ তৈরির কাঁচামালের ওপর ২৫% থেকে ১০০% পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হবে।

এ সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো মার্কিন কোম্পানিগুলোকে, বিশেষত TSMC-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে, তাদের উৎপাদন কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করা। মার্কিন অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করা এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে এটি একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

বিশ্বজুড়ে চিপ সংকট এবং প্রযুক্তি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা বড় পদক্ষেপ হতে পারে। তবে, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর ফলে মার্কিন বাজারে প্রযুক্তি পণ্যের দাম বাড়তে পারে। একই সঙ্গে, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ট্রাম্পের শুল্ক পরিকল্পনা তার আগের “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতির প্রতিফলন। তিনি চান, যুক্তরাষ্ট্র নিজেই প্রযুক্তিগত নির্ভরতা পূরণে সক্ষম হয়ে উঠুক। তবে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে বিতর্ক এখনও চলমান।