ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাধা নেই: আইনমন্ত্রী ফ্রান্সে সহিংসতা-লুটপাট, গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরানের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচক, চুক্তির ইঙ্গিত ট্রাম্পের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪০:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 3427

ছবি: সংগৃহীত

 

 

ইরানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে এবং দুই পক্ষ আবারও বৈঠকে বসতে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন  শত্রু রাষ্ট্রকে সহযোগিতায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান করলো ইরান

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানের রাজধানী মাস্কাটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে আঞ্চলিক উত্তেজনা, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং পারমাণবিক কর্মসূচিসহ একাধিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

আলোচনা শেষে সরকারি বিমান এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “ইরান নিয়ে আমাদের আলোচনা খুব ভালো হয়েছে। মনে হচ্ছে তারা চুক্তি করতে আগ্রহী। আমরা আগামী সপ্তাহে আবারও বৈঠক করব।”

উল্লেখ্য, আলোচনার আগেই মধ্যপ্রাচ্যে উল্লেখযোগ্য সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্লেষকদের মতে, এই কূটনৈতিক উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল অঞ্চলটিতে উত্তেজনা আরও বাড়তে না দেওয়া।

ওমানে আলোচনা চলাকালেই ইরানকে লক্ষ্য করে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ওই আদেশের মাধ্যমে তেহরানের বিরুদ্ধে নতুন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ঘোষণা করা হয়।

নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, যেসব দেশ ইরান থেকে পণ্য আমদানি করবে, সেসব দেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র সেকেন্ডারি শুল্ক আরোপ করবে। এই পদক্ষেপকে চাপ প্রয়োগের কৌশল হিসেবেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, মাস্কাটের বৈঠকে মূলত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়েই আলোচনা হয়েছে। তবে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলোচনায় আনা হয়নি।

বৈঠকে ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দাবির মুখে তারা নিজ ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করবে না। তবে বিকল্প কোনো প্রস্তাব এলে কিছু বিষয়ে ছাড় দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে তেহরান।

বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী সপ্তাহের বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে পারে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচক, চুক্তির ইঙ্গিত ট্রাম্পের

আপডেট সময় ১১:৪০:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

 

ইরানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে এবং দুই পক্ষ আবারও বৈঠকে বসতে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন  ইরান এখনও ‘সঠিক চুক্তি’তে প্রস্তুত নয়: ট্রাম্প

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানের রাজধানী মাস্কাটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে আঞ্চলিক উত্তেজনা, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং পারমাণবিক কর্মসূচিসহ একাধিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

আলোচনা শেষে সরকারি বিমান এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “ইরান নিয়ে আমাদের আলোচনা খুব ভালো হয়েছে। মনে হচ্ছে তারা চুক্তি করতে আগ্রহী। আমরা আগামী সপ্তাহে আবারও বৈঠক করব।”

উল্লেখ্য, আলোচনার আগেই মধ্যপ্রাচ্যে উল্লেখযোগ্য সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্লেষকদের মতে, এই কূটনৈতিক উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল অঞ্চলটিতে উত্তেজনা আরও বাড়তে না দেওয়া।

ওমানে আলোচনা চলাকালেই ইরানকে লক্ষ্য করে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ওই আদেশের মাধ্যমে তেহরানের বিরুদ্ধে নতুন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ঘোষণা করা হয়।

নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, যেসব দেশ ইরান থেকে পণ্য আমদানি করবে, সেসব দেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র সেকেন্ডারি শুল্ক আরোপ করবে। এই পদক্ষেপকে চাপ প্রয়োগের কৌশল হিসেবেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, মাস্কাটের বৈঠকে মূলত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়েই আলোচনা হয়েছে। তবে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলোচনায় আনা হয়নি।

বৈঠকে ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দাবির মুখে তারা নিজ ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করবে না। তবে বিকল্প কোনো প্রস্তাব এলে কিছু বিষয়ে ছাড় দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে তেহরান।

বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী সপ্তাহের বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে পারে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল