ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গত ৮ বছর দেশে হামের টিকাই দেওয়া হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফেরিতে যাত্রীসহ বাস ওঠানো নিষিদ্ধ: নৌমন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি এল সালভাদর: ছোট দেশ, বড় ইতিহাস ও পরিবর্তনের গল্প চট্টগ্রামের সাগরিকায় বিডি ফুডসের কোল্ড স্টোরেজে ভয়াবহ আগুন ইউরোপ যাওয়ার পথে সলিল সমাধি: গ্রিস উপকূলে সুনামগঞ্জের ১০ প্রাণহানি সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে নেপালের আগ্রহ দেশের ১১ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ ইরানি হামলায় বিপর্যস্ত মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি, নিরাপত্তা শঙ্কায় আবাসন ছাড়ছেন সেনারা মাতৃত্বের পর নতুন রূপে কিয়ারা উড়োজাহাজের কার্গো টয়লেট থেকে ৩৮ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার

ইরানের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচক, চুক্তির ইঙ্গিত ট্রাম্পের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪০:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 492

ছবি: সংগৃহীত

 

 

ইরানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে এবং দুই পক্ষ আবারও বৈঠকে বসতে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক: এই শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উত্তরণ"

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানের রাজধানী মাস্কাটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে আঞ্চলিক উত্তেজনা, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং পারমাণবিক কর্মসূচিসহ একাধিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

আলোচনা শেষে সরকারি বিমান এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “ইরান নিয়ে আমাদের আলোচনা খুব ভালো হয়েছে। মনে হচ্ছে তারা চুক্তি করতে আগ্রহী। আমরা আগামী সপ্তাহে আবারও বৈঠক করব।”

উল্লেখ্য, আলোচনার আগেই মধ্যপ্রাচ্যে উল্লেখযোগ্য সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্লেষকদের মতে, এই কূটনৈতিক উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল অঞ্চলটিতে উত্তেজনা আরও বাড়তে না দেওয়া।

ওমানে আলোচনা চলাকালেই ইরানকে লক্ষ্য করে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ওই আদেশের মাধ্যমে তেহরানের বিরুদ্ধে নতুন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ঘোষণা করা হয়।

নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, যেসব দেশ ইরান থেকে পণ্য আমদানি করবে, সেসব দেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র সেকেন্ডারি শুল্ক আরোপ করবে। এই পদক্ষেপকে চাপ প্রয়োগের কৌশল হিসেবেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, মাস্কাটের বৈঠকে মূলত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়েই আলোচনা হয়েছে। তবে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলোচনায় আনা হয়নি।

বৈঠকে ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দাবির মুখে তারা নিজ ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করবে না। তবে বিকল্প কোনো প্রস্তাব এলে কিছু বিষয়ে ছাড় দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে তেহরান।

বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী সপ্তাহের বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে পারে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচক, চুক্তির ইঙ্গিত ট্রাম্পের

আপডেট সময় ১১:৪০:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

 

ইরানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে এবং দুই পক্ষ আবারও বৈঠকে বসতে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানকে বরখাস্ত করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানের রাজধানী মাস্কাটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে আঞ্চলিক উত্তেজনা, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং পারমাণবিক কর্মসূচিসহ একাধিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

আলোচনা শেষে সরকারি বিমান এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “ইরান নিয়ে আমাদের আলোচনা খুব ভালো হয়েছে। মনে হচ্ছে তারা চুক্তি করতে আগ্রহী। আমরা আগামী সপ্তাহে আবারও বৈঠক করব।”

উল্লেখ্য, আলোচনার আগেই মধ্যপ্রাচ্যে উল্লেখযোগ্য সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্লেষকদের মতে, এই কূটনৈতিক উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল অঞ্চলটিতে উত্তেজনা আরও বাড়তে না দেওয়া।

ওমানে আলোচনা চলাকালেই ইরানকে লক্ষ্য করে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ওই আদেশের মাধ্যমে তেহরানের বিরুদ্ধে নতুন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ঘোষণা করা হয়।

নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, যেসব দেশ ইরান থেকে পণ্য আমদানি করবে, সেসব দেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র সেকেন্ডারি শুল্ক আরোপ করবে। এই পদক্ষেপকে চাপ প্রয়োগের কৌশল হিসেবেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, মাস্কাটের বৈঠকে মূলত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়েই আলোচনা হয়েছে। তবে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলোচনায় আনা হয়নি।

বৈঠকে ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দাবির মুখে তারা নিজ ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করবে না। তবে বিকল্প কোনো প্রস্তাব এলে কিছু বিষয়ে ছাড় দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে তেহরান।

বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী সপ্তাহের বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে পারে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল