০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তীব্র শীত ও তুষারপাতে জাপানে বাড়ছে দুর্ঘটনা, নিহত ৩০

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 36

ছবি: খবরের কথা

 

জাপানের বিভিন্ন অঞ্চলে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা ভারী তুষারপাত ও তীব্র শীতল আবহাওয়ার কারণে কমপক্ষে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির সরকারি সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।

মৃতদের মধ্যে ৯১ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাও রয়েছেন। তাকে নিজ বাড়ির বাইরে প্রায় তিন মিটার উঁচু তুষারের স্তূপের নিচে চাপা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির ছাদ থেকে তুষার ধসে পড়ে তিনি শ্বাসরোধে মারা যান।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত উত্তরাঞ্চলের আওমোরি এলাকায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকার সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে। দুর্গম অঞ্চলের কোথাও কোথাও এখনো প্রায় ৪ দশমিক ৫ মিটার পর্যন্ত তুষার জমে রয়েছে, যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।

মঙ্গলবার সকালে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
জাপানের ফায়ার অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি জানিয়েছে, ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই তুষারঝড়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৩০ জনে পৌঁছেছে। জাপান সাগর উপকূলজুড়ে শক্তিশালী ঠান্ডা বায়ুপ্রবাহের কারণে অস্বাভাবিক তুষারপাত হয়েছে এবং অনেক এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুণ তুষার জমেছে।

স্থানীয় পুলিশ সূত্র জানায়, তাপমাত্রা বাড়লে জমে থাকা তুষার ছাদ থেকে হঠাৎ ভেঙে পড়তে পারে, যা মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। বিশেষ করে বাড়ির ছাদের নিচে অবস্থান করা অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।

এদিকে আওমোরির গভর্নর জানিয়েছেন, তুষার সরানো এবং একা বসবাসকারী বয়স্ক নাগরিকদের সহায়তায় সামরিক বাহিনীর সহায়তা চাওয়া হয়েছে। আঞ্চলিক রাজধানী আওমোরি শহরের অনেক এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ৮ মিটার পর্যন্ত তুষার জমে রয়েছে, ফলে সড়ক ও বাড়ি থেকে বরফ সরাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

তীব্র শীত ও তুষারপাতে জাপানে বাড়ছে দুর্ঘটনা, নিহত ৩০

আপডেট সময় ১০:৫৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

জাপানের বিভিন্ন অঞ্চলে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা ভারী তুষারপাত ও তীব্র শীতল আবহাওয়ার কারণে কমপক্ষে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির সরকারি সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।

মৃতদের মধ্যে ৯১ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাও রয়েছেন। তাকে নিজ বাড়ির বাইরে প্রায় তিন মিটার উঁচু তুষারের স্তূপের নিচে চাপা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির ছাদ থেকে তুষার ধসে পড়ে তিনি শ্বাসরোধে মারা যান।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত উত্তরাঞ্চলের আওমোরি এলাকায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকার সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে। দুর্গম অঞ্চলের কোথাও কোথাও এখনো প্রায় ৪ দশমিক ৫ মিটার পর্যন্ত তুষার জমে রয়েছে, যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।

মঙ্গলবার সকালে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
জাপানের ফায়ার অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি জানিয়েছে, ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই তুষারঝড়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৩০ জনে পৌঁছেছে। জাপান সাগর উপকূলজুড়ে শক্তিশালী ঠান্ডা বায়ুপ্রবাহের কারণে অস্বাভাবিক তুষারপাত হয়েছে এবং অনেক এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুণ তুষার জমেছে।

স্থানীয় পুলিশ সূত্র জানায়, তাপমাত্রা বাড়লে জমে থাকা তুষার ছাদ থেকে হঠাৎ ভেঙে পড়তে পারে, যা মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। বিশেষ করে বাড়ির ছাদের নিচে অবস্থান করা অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।

এদিকে আওমোরির গভর্নর জানিয়েছেন, তুষার সরানো এবং একা বসবাসকারী বয়স্ক নাগরিকদের সহায়তায় সামরিক বাহিনীর সহায়তা চাওয়া হয়েছে। আঞ্চলিক রাজধানী আওমোরি শহরের অনেক এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ৮ মিটার পর্যন্ত তুষার জমে রয়েছে, ফলে সড়ক ও বাড়ি থেকে বরফ সরাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের।