০৭:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যুদ্ধবিরতিতে সম্মত থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া সীমান্ত সংঘাতের ইতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৮:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 114

ছবি সংগৃহীত

 

দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সীমান্ত সংঘাতের অবসান ঘটাতে অবশেষে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছেছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুই দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যৌথভাবে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

যৌথ ঘোষণায় জানানো হয়, চুক্তি স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা থেকে উভয় দেশ সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ করবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় বর্তমানে যে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন রয়েছে, তা অপরিবর্তিত রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছে দুই পক্ষ। নতুন করে কোনো সেনা বা অস্ত্র মোতায়েন করা হবে না বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির সময়কালে সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে বেসামরিক জনগণ, অবকাঠামো ও সামরিক স্থাপনায় যেকোনো ধরনের হামলা চালানো থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেছে উভয় দেশ।

থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাত্থাফন নারখফানিত এবং কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী তিয়া সেইহা আনুষ্ঠানিকভাবে এই যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। প্রায় ২০ দিন ধরে চলা এই সংঘাতকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সামরিক উত্তেজনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল।

সংঘাতের ফলে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া মিলিয়ে শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়। যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর সীমান্ত এলাকায় স্বস্তি ফিরবে এবং মানবিক সংকট কিছুটা লাঘব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুদ্ধবিরতিতে সম্মত থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া সীমান্ত সংঘাতের ইতি

আপডেট সময় ০৪:০৮:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

 

দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সীমান্ত সংঘাতের অবসান ঘটাতে অবশেষে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছেছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুই দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যৌথভাবে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

যৌথ ঘোষণায় জানানো হয়, চুক্তি স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা থেকে উভয় দেশ সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ করবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় বর্তমানে যে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন রয়েছে, তা অপরিবর্তিত রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছে দুই পক্ষ। নতুন করে কোনো সেনা বা অস্ত্র মোতায়েন করা হবে না বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির সময়কালে সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে বেসামরিক জনগণ, অবকাঠামো ও সামরিক স্থাপনায় যেকোনো ধরনের হামলা চালানো থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেছে উভয় দেশ।

থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাত্থাফন নারখফানিত এবং কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী তিয়া সেইহা আনুষ্ঠানিকভাবে এই যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। প্রায় ২০ দিন ধরে চলা এই সংঘাতকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সামরিক উত্তেজনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল।

সংঘাতের ফলে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া মিলিয়ে শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়। যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর সীমান্ত এলাকায় স্বস্তি ফিরবে এবং মানবিক সংকট কিছুটা লাঘব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।