০১:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিশ্বের ৯০ শতাংশ শীর্ষ প্রযুক্তিতে চীনের আধিপত্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০৯:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 108

ছবি: সংগৃহীত

 

অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউটের (ASPI) সর্বশেষ ‘ক্রিটিক্যাল টেকনোলজি ট্র্যাকার’ রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ এবং উদীয়মান প্রযুক্তির গবেষণায় চীন এখন বিশ্বনেতৃত্ব দিচ্ছে।

২০২৫ সালের এই আপডেট রিপোর্টে ৭৪টি প্রযুক্তির ওপর গবেষণা করা হয়েছে, যার মধ্যে ৬৬টি বা প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই চীন সবার শীর্ষে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং জিওইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো বাকি মাত্র ৮টি খাতে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে পেরেছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, ২০০৩ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এই তালিকার ৯০ শতাংশ প্রযুক্তিতে এগিয়ে ছিল এবং চীনের অবদান ছিল ৫ শতাংশেরও কম। তবে গত দুই দশকে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত বিনিয়োগ এবং গবেষণার মাধ্যমে চীন এই কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটিয়েছে।

এএসপিআই সতর্ক করেছে যে, এই আধিপত্যের ফলে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে চীনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বা ‘মনোপলি রিস্ক’ তৈরি হচ্ছে, যা বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরশীলতা তৈরি করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বের ৯০ শতাংশ শীর্ষ প্রযুক্তিতে চীনের আধিপত্য

আপডেট সময় ০৬:০৯:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

 

অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউটের (ASPI) সর্বশেষ ‘ক্রিটিক্যাল টেকনোলজি ট্র্যাকার’ রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ এবং উদীয়মান প্রযুক্তির গবেষণায় চীন এখন বিশ্বনেতৃত্ব দিচ্ছে।

২০২৫ সালের এই আপডেট রিপোর্টে ৭৪টি প্রযুক্তির ওপর গবেষণা করা হয়েছে, যার মধ্যে ৬৬টি বা প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই চীন সবার শীর্ষে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং জিওইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো বাকি মাত্র ৮টি খাতে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে পেরেছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, ২০০৩ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এই তালিকার ৯০ শতাংশ প্রযুক্তিতে এগিয়ে ছিল এবং চীনের অবদান ছিল ৫ শতাংশেরও কম। তবে গত দুই দশকে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত বিনিয়োগ এবং গবেষণার মাধ্যমে চীন এই কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটিয়েছে।

এএসপিআই সতর্ক করেছে যে, এই আধিপত্যের ফলে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে চীনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বা ‘মনোপলি রিস্ক’ তৈরি হচ্ছে, যা বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরশীলতা তৈরি করতে পারে।