০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘গুপ্ত দলের’ লোকেরা নতুন জালেম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে: তারেক রহমান প্রিসাইডিং অফিসার যাতে ভোটের রেজাল্ট ছাড়া বের হতে না পারে: মির্জা আব্বাস বিএনপি কাজে বিশ্বাসী, সমালোচনার রাজনীতিতে নয়: মির্জা ফখরুল গাজিয়াবাদে ৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে ৩ বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু শাকিবের সঙ্গে ‘প্রেম’ নিয়ে মুখ খুললেন ফারিয়া ত্রিশালে যমুনা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় ট্রাক দুমড়ে যাওয়ায় চালক আহত নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ২২ সেনাসহ নিহত ২৫৫ জন জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত: ইসি সচিব আরব সাগরে ইরানি ড্রোনকে ধ্বংস করল মার্কিন এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান কোচিং সেন্টার বন্ধসহ নানা নিয়মের শিক্ষা আইনের খসড়া প্রস্তুত

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা — মূল পয়েন্টসমূহ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 197

ছবি সংগৃহীত

 

সমঝোতা ও জিম্মি মুক্তি: লড়াই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে থামাতে হবে। একই সঙ্গে ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে।

হামাস নিরস্ত্রীকরণ: তাদের আক্রমণাত্মক অস্ত্র ধ্বংস করা হবে। যারা সহিংসতা ত্যাগ করবে তাদের ক্ষমা দেওয়া হতে পারে। অন্যদের জন্য নিরাপদভাবে দেশের বাইরে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন: যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বে হাসপাতাল, বাড়ি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনে কাজ করা হবে। তদারকি করবে জাতিসংঘ ও নিরপেক্ষ সংস্থানগুলো।

অস্থায়ী শাসন: গাজা “যোগ্য” ফিলিস্তিনিদের দ্বারা চালানো হবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবেন। এটি তখন পর্যন্ত থাকবে যতক্ষণ না ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সংস্কার করা হয়।

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী: আরব ও আন্তর্জাতিক বাহিনী গাজার নিরাপত্তা দেখবে।
ধীরে ধীরে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে।

বন্দি বিনিময়: ইসরায়েলি বন্দি মুক্তির পরে ইসরায়েল তার হাতে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেবে।

ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের পথ: ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু তা হবে পুনর্গঠন ও সংস্কারের পরে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা — মূল পয়েন্টসমূহ

আপডেট সময় ০৭:১৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

সমঝোতা ও জিম্মি মুক্তি: লড়াই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে থামাতে হবে। একই সঙ্গে ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে।

হামাস নিরস্ত্রীকরণ: তাদের আক্রমণাত্মক অস্ত্র ধ্বংস করা হবে। যারা সহিংসতা ত্যাগ করবে তাদের ক্ষমা দেওয়া হতে পারে। অন্যদের জন্য নিরাপদভাবে দেশের বাইরে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন: যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বে হাসপাতাল, বাড়ি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনে কাজ করা হবে। তদারকি করবে জাতিসংঘ ও নিরপেক্ষ সংস্থানগুলো।

অস্থায়ী শাসন: গাজা “যোগ্য” ফিলিস্তিনিদের দ্বারা চালানো হবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবেন। এটি তখন পর্যন্ত থাকবে যতক্ষণ না ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সংস্কার করা হয়।

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী: আরব ও আন্তর্জাতিক বাহিনী গাজার নিরাপত্তা দেখবে।
ধীরে ধীরে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে।

বন্দি বিনিময়: ইসরায়েলি বন্দি মুক্তির পরে ইসরায়েল তার হাতে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেবে।

ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের পথ: ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু তা হবে পুনর্গঠন ও সংস্কারের পরে।