ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

ইরান-ইসরাইল সংঘাতে নিহত ৬০ জনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা, তেহরানে মানুষের ঢল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
  • / 642

ছবি: সংগৃহীত

 

ইসরাইলের সাথে সাম্প্রতিক সংঘাতে নিহত অন্তত ৬০ জনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে ইরানে। নিহতদের মধ্যে শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা এবং পারমাণবিক বিজ্ঞানীরাও ছিলেন।

শনিবার (২৮ জুন) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

আরও পড়ুন  পারমাণবিক ইস্যুতে গঠনমূলক নতুন আলোচনা

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতদের শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানে হাজারো মানুষ পতাকা ও ব্যানার হাতে জড়ো হন। শোকাহত মানুষের হাতে নিহত কমান্ডারদের ছবি দেখা গেছে। এক ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ইরানের লাল, সাদা ও সবুজ রঙে মোড়ানো কফিন ছুঁয়ে দেখার জন্য মানুষ হাত বাড়াচ্ছেন।

জানাজায় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

একটি মঞ্চে নিহতদের মধ্যে শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের ছবি প্রদর্শন করা হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি।

এদিকে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, জানাজার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল বিরোধী স্লোগান দেন। অনেকের হাতেই ছিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি।

প্রসঙ্গত, হোসেইন সালামিকে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক নেতাদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হতো। আর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি দায়িত্ব পালন করছিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে।

গত ১৩ জুন ইরানে আকস্মিক হামলা চালায় ইসরাইল। রাজধানী তেহরানসহ বেশ কয়েকটি সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় এই হামলা চালানো হয়। এতে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কর্মকর্তা ও পারমাণবিক বিজ্ঞানীদের মৃত্যু ঘটে। এর জবাবে ইরান থেকে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয় ইসরাইলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে।

উভয়পক্ষের এ ধরনের পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরান-ইসরাইল সংঘাতে নিহত ৬০ জনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা, তেহরানে মানুষের ঢল

আপডেট সময় ০৪:১০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

 

ইসরাইলের সাথে সাম্প্রতিক সংঘাতে নিহত অন্তত ৬০ জনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে ইরানে। নিহতদের মধ্যে শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা এবং পারমাণবিক বিজ্ঞানীরাও ছিলেন।

শনিবার (২৮ জুন) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

আরও পড়ুন  হরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন প্রস্তাব ইরানের

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতদের শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানে হাজারো মানুষ পতাকা ও ব্যানার হাতে জড়ো হন। শোকাহত মানুষের হাতে নিহত কমান্ডারদের ছবি দেখা গেছে। এক ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ইরানের লাল, সাদা ও সবুজ রঙে মোড়ানো কফিন ছুঁয়ে দেখার জন্য মানুষ হাত বাড়াচ্ছেন।

জানাজায় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

একটি মঞ্চে নিহতদের মধ্যে শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের ছবি প্রদর্শন করা হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি।

এদিকে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, জানাজার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল বিরোধী স্লোগান দেন। অনেকের হাতেই ছিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি।

প্রসঙ্গত, হোসেইন সালামিকে ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক নেতাদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হতো। আর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি দায়িত্ব পালন করছিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে।

গত ১৩ জুন ইরানে আকস্মিক হামলা চালায় ইসরাইল। রাজধানী তেহরানসহ বেশ কয়েকটি সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় এই হামলা চালানো হয়। এতে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কর্মকর্তা ও পারমাণবিক বিজ্ঞানীদের মৃত্যু ঘটে। এর জবাবে ইরান থেকে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয় ইসরাইলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে।

উভয়পক্ষের এ ধরনের পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।