ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

রাশিয়ার যুদ্ধ প্রস্তুতি নাটোর চেয়ে বহুগুণ দ্রুত: হুঁশিয়ারি নাটো প্রধানের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 179

ছবি সংগৃহীত

 

রাশিয়ার যুদ্ধ প্রস্তুতি নাটোর তুলনায় অনেক দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন নাটো প্রধান মার্ক রুটে। তিনি জানান, মাত্র তিন মাসে রাশিয়া প্রায় ১,৫০০ ট্যাংক, ৩,০০০ সামরিক যান এবং ২০০টি ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে যা একই পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে নাটোর সময় লাগে প্রায় এক বছর।

বেলজিয়ামে এক নিরাপত্তা সম্মেলনে রুটে বলেন, “এই হারে চলতে থাকলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই রাশিয়া সরাসরি নাটোর ওপর হামলার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।” তিনি ইউরোপীয় নেতাদের আরও সক্রিয় এবং সজাগ হওয়ার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  পাকিস্তানকে মোদির হুঁশিয়ারি: ‘অপারেশন সিন্দুর’ স্থগিত, শেষ নয়

নাটো প্রধান আরও উল্লেখ করেন, রাশিয়ার হাইপারসনিক অস্ত্র ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য একটি নতুন মাত্রার হুমকি হয়ে উঠেছে। এসব অস্ত্র ইউরোপকে রাশিয়ার মাত্র “কয়েক মিনিটের দূরত্বে” নিয়ে এসেছে, যা প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকে চরমভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

রাশিয়ার এমন অগ্রগতির ফলে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। ইউক্রেন যুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়া নিজেদের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়ার সামরিক শিল্প এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে তারা প্রতিমাসে অসংখ্য যুদ্ধ সরঞ্জাম তৈরি করতে পারছে, যা পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় অনেক দ্রুত।

নাটোর অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। রুটে বলেন, “নাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে এখনই তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে হবে এবং শিল্প উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে হবে, নয়তো আমরা বিপদের মুখে পড়ব।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপ যদি এখনই সমন্বিত উদ্যোগ না নেয়, তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হতে পারে, যা রাশিয়ার পক্ষে কৌশলগত সুবিধা হয়ে দাঁড়াবে।

রাশিয়ার এই উন্নয়ন এবং নাটো প্রধানের হুঁশিয়ারি এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিটি নিরাপত্তা সভার প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাশিয়ার যুদ্ধ প্রস্তুতি নাটোর চেয়ে বহুগুণ দ্রুত: হুঁশিয়ারি নাটো প্রধানের

আপডেট সময় ০১:৪৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

 

রাশিয়ার যুদ্ধ প্রস্তুতি নাটোর তুলনায় অনেক দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন নাটো প্রধান মার্ক রুটে। তিনি জানান, মাত্র তিন মাসে রাশিয়া প্রায় ১,৫০০ ট্যাংক, ৩,০০০ সামরিক যান এবং ২০০টি ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে যা একই পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে নাটোর সময় লাগে প্রায় এক বছর।

বেলজিয়ামে এক নিরাপত্তা সম্মেলনে রুটে বলেন, “এই হারে চলতে থাকলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই রাশিয়া সরাসরি নাটোর ওপর হামলার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।” তিনি ইউরোপীয় নেতাদের আরও সক্রিয় এবং সজাগ হওয়ার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  দেশকে অস্থিতিশীল করতে আওয়ামী লীগের চক্রান্ত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার হুঁশিয়ারি

নাটো প্রধান আরও উল্লেখ করেন, রাশিয়ার হাইপারসনিক অস্ত্র ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য একটি নতুন মাত্রার হুমকি হয়ে উঠেছে। এসব অস্ত্র ইউরোপকে রাশিয়ার মাত্র “কয়েক মিনিটের দূরত্বে” নিয়ে এসেছে, যা প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকে চরমভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

রাশিয়ার এমন অগ্রগতির ফলে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। ইউক্রেন যুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়া নিজেদের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়ার সামরিক শিল্প এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে তারা প্রতিমাসে অসংখ্য যুদ্ধ সরঞ্জাম তৈরি করতে পারছে, যা পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় অনেক দ্রুত।

নাটোর অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। রুটে বলেন, “নাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে এখনই তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে হবে এবং শিল্প উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে হবে, নয়তো আমরা বিপদের মুখে পড়ব।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপ যদি এখনই সমন্বিত উদ্যোগ না নেয়, তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হতে পারে, যা রাশিয়ার পক্ষে কৌশলগত সুবিধা হয়ে দাঁড়াবে।

রাশিয়ার এই উন্নয়ন এবং নাটো প্রধানের হুঁশিয়ারি এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিটি নিরাপত্তা সভার প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।