১০:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গাজা প্রশাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নতুন বেসামরিক কমিটি গঠন

খেলাধুলা হতে পারে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সেতুবন্ধন: পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / 68

ছবি সংগৃহীত

 

 

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভির আয়োজনে রবিবার লাহোরের গভর্নর হাউসে এক জমকালো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন সফররত বাংলাদেশ ও স্বাগতিক পাকিস্তান ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজমেন্ট এবং ম্যাচ অফিসিয়ালরা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে দুই দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি জারদারি। চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজে উভয় দলের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ দল তাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করে পাকিস্তান সফরে এসেছে, এটা খুবই সম্মানের বিষয়।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, “খেলাধুলা কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন। আমাদের তরুণ প্রজন্মের উচিত এই সম্পর্ককে আরো গভীর ও সুদৃঢ় করা।”

বিচ্ছিন্নতার অতীত স্মরণ করে আসিফ আলী জারদারি বলেন, “আমি সেই প্রজন্মের মানুষ, যারা একাত্তরের বিচ্ছেদের সাক্ষী। আজকের প্রজন্ম হয়তো সেই যন্ত্রণা অনুভব করতে পারবে না, তবে সম্পর্ক গড়ে তোলার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে।”

বাংলাদেশ জাতির ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, “এই অঞ্চলের অন্যতম সমৃদ্ধ ও সংস্কৃতিমনস্ক জাতি হলো বাঙালিরা। বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ আন্তর্জাতিক মহলে স্বীকৃত একটি সফলতা।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ ও পাকিস্তান উভয় দেশই প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর। যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে দুই দেশেরই জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব।”

রাষ্ট্রপতি জারদারি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে, আর খেলাধুলা হতে পারে সেই যোগাযোগের সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম।

এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি শুধু ক্রীড়াক্ষেত্রেই নয়, বরং দুই দেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

খেলাধুলা হতে পারে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সেতুবন্ধন: পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৪:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

 

 

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভির আয়োজনে রবিবার লাহোরের গভর্নর হাউসে এক জমকালো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন সফররত বাংলাদেশ ও স্বাগতিক পাকিস্তান ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজমেন্ট এবং ম্যাচ অফিসিয়ালরা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে দুই দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি জারদারি। চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজে উভয় দলের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ দল তাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করে পাকিস্তান সফরে এসেছে, এটা খুবই সম্মানের বিষয়।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, “খেলাধুলা কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন। আমাদের তরুণ প্রজন্মের উচিত এই সম্পর্ককে আরো গভীর ও সুদৃঢ় করা।”

বিচ্ছিন্নতার অতীত স্মরণ করে আসিফ আলী জারদারি বলেন, “আমি সেই প্রজন্মের মানুষ, যারা একাত্তরের বিচ্ছেদের সাক্ষী। আজকের প্রজন্ম হয়তো সেই যন্ত্রণা অনুভব করতে পারবে না, তবে সম্পর্ক গড়ে তোলার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে।”

বাংলাদেশ জাতির ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, “এই অঞ্চলের অন্যতম সমৃদ্ধ ও সংস্কৃতিমনস্ক জাতি হলো বাঙালিরা। বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ আন্তর্জাতিক মহলে স্বীকৃত একটি সফলতা।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ ও পাকিস্তান উভয় দেশই প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর। যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে দুই দেশেরই জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব।”

রাষ্ট্রপতি জারদারি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে, আর খেলাধুলা হতে পারে সেই যোগাযোগের সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম।

এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি শুধু ক্রীড়াক্ষেত্রেই নয়, বরং দুই দেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।