ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন

দুবাইয়ে ভিক্ষাবৃত্তির বড় চক্র ভেঙে দিল পুলিশ, গ্রেপ্তার ৪১

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৭:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / 205

ছবি: সংগৃহীত

 

দুবাই পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি সুপরিকল্পিত ভিক্ষাবৃত্তি চক্রের ৪১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তারা সবাই পর্যটন ভিসায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবেশ করে রাজধানী দুবাইয়ের একটি হোটেলে অবস্থান করছিল। এই হোটেলটিকে তারা ভিক্ষাবৃত্তির কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করছিল।

‘আল-মিসবাহ’ নামের একটি বিশেষ অভিযানে দুবাই পুলিশের জেনারেল ডিপার্টমেন্ট অব ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশনের অধীন ‘ডিপার্টমেন্ট অব সাসপেক্টস অ্যান্ড ক্রিমিনাল ফিনোমেনা’ এই চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। অভিযানে ধৃতদের কাছ থেকে ৬০ হাজার দিরহামেরও বেশি নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: মামলা ও গ্রেপ্তার ৩৫, উত্তেজনা বৃদ্ধি

অভিযানের সূত্রপাত ঘটে এক সজাগ নাগরিকের ফোন কলের মাধ্যমে। তিনি জরুরি নাম্বার ৯০১-এ কল করে জানান, কয়েকজন ব্যক্তি তাসবিহ ও প্রার্থনার সামগ্রী বিক্রির ছলে মানুষের কাছে টাকা চাইছে। তথ্য পাওয়ার পর মনিটরিং ও অ্যানালাইসিস সেকশন সন্দেহভাজনদের উপর নজরদারি শুরু করে। একপর্যায়ে ঘটনাস্থল থেকে তিনজন আরব নাগরিককে হাতেনাতে আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা একটি বৃহৎ ভিক্ষাবৃত্তি চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে পুলিশ হোটেল কর্তৃপক্ষের সহায়তায় আরও ২৮ জনকে আটক করে। পরদিন হোটেল ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করার সময় ধরা পড়ে আরও ১০ জন।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত সবাই একটি সংঘবদ্ধ ভিক্ষাবৃত্তি চক্রের সদস্য এবং তারা এ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত ছিল।

ধৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দুবাই পুলিশ জনসাধারণকে সতর্ক করে বলেছে, ধর্মীয় উৎসব কিংবা ছুটির দিনগুলোতে কিছু অসাধু ব্যক্তি মানুষের সহানুভূতি আদায়ের জন্য নানা প্রতারণামূলক কৌশল অবলম্বন করে। এমন কর্মকাণ্ড সংযুক্ত আরব আমিরাতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।

পুলিশ জনগণকে আহ্বান জানিয়েছে, এ ধরনের সন্দেহজনক তৎপরতা দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে ৯০১ নম্বরে যোগাযোগ করে সহায়তা করতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দুবাইয়ে ভিক্ষাবৃত্তির বড় চক্র ভেঙে দিল পুলিশ, গ্রেপ্তার ৪১

আপডেট সময় ০৪:৫৭:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

 

দুবাই পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি সুপরিকল্পিত ভিক্ষাবৃত্তি চক্রের ৪১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তারা সবাই পর্যটন ভিসায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবেশ করে রাজধানী দুবাইয়ের একটি হোটেলে অবস্থান করছিল। এই হোটেলটিকে তারা ভিক্ষাবৃত্তির কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করছিল।

‘আল-মিসবাহ’ নামের একটি বিশেষ অভিযানে দুবাই পুলিশের জেনারেল ডিপার্টমেন্ট অব ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশনের অধীন ‘ডিপার্টমেন্ট অব সাসপেক্টস অ্যান্ড ক্রিমিনাল ফিনোমেনা’ এই চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। অভিযানে ধৃতদের কাছ থেকে ৬০ হাজার দিরহামেরও বেশি নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  গ্রেপ্তার হলেন সাবেক এমপি মমতাজ

অভিযানের সূত্রপাত ঘটে এক সজাগ নাগরিকের ফোন কলের মাধ্যমে। তিনি জরুরি নাম্বার ৯০১-এ কল করে জানান, কয়েকজন ব্যক্তি তাসবিহ ও প্রার্থনার সামগ্রী বিক্রির ছলে মানুষের কাছে টাকা চাইছে। তথ্য পাওয়ার পর মনিটরিং ও অ্যানালাইসিস সেকশন সন্দেহভাজনদের উপর নজরদারি শুরু করে। একপর্যায়ে ঘটনাস্থল থেকে তিনজন আরব নাগরিককে হাতেনাতে আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা একটি বৃহৎ ভিক্ষাবৃত্তি চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে পুলিশ হোটেল কর্তৃপক্ষের সহায়তায় আরও ২৮ জনকে আটক করে। পরদিন হোটেল ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করার সময় ধরা পড়ে আরও ১০ জন।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত সবাই একটি সংঘবদ্ধ ভিক্ষাবৃত্তি চক্রের সদস্য এবং তারা এ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত ছিল।

ধৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দুবাই পুলিশ জনসাধারণকে সতর্ক করে বলেছে, ধর্মীয় উৎসব কিংবা ছুটির দিনগুলোতে কিছু অসাধু ব্যক্তি মানুষের সহানুভূতি আদায়ের জন্য নানা প্রতারণামূলক কৌশল অবলম্বন করে। এমন কর্মকাণ্ড সংযুক্ত আরব আমিরাতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।

পুলিশ জনগণকে আহ্বান জানিয়েছে, এ ধরনের সন্দেহজনক তৎপরতা দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে ৯০১ নম্বরে যোগাযোগ করে সহায়তা করতে।