ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

খাইবার পাখতুনখোয়ায় তিনটি অভিযানে ভারত-সমর্থিত ৯ বিদ্রোহী নিহত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • / 184

ছবি সংগৃহীত

 

 

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে তিনটি পৃথক অভিযানে ভারত-সমর্থিত ৯ জন বিদ্রোহী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। রোববার (২৫ মে) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করে। খবর ট্রিবিউন এক্সপ্রেস।

আরও পড়ুন  গাইবান্ধায় যৌথবাহিনীর অভিযানে ১০ জুয়াড়ি আটক

আইএসপিআরের বিবৃতিতে জানানো হয়, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী দেরা ঈসমাইল খান বিভাগের একটি এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানে ভারত-সমর্থিত ‘খারেজিরা’ নামে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অবস্থান শনাক্ত করে সেনারা। গোলাগুলির মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন বিদ্রোহী নিহত হয়।

আরেকটি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ট্যাংক বিভাগে অভিযান চালানো হলে আরও দুই বিদ্রোহী নিহত হয় বলে জানায় আইএসপিআর।

এছাড়া খাইবার বিভাগের বাগ এলাকায় তৃতীয় একটি অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। সেখানে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে আরও তিন বিদ্রোহী প্রাণ হারায়।

আইএসপিআর দাবি করেছে, এই তিনটি অভিযানে সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, দেশটির ভেতরে সক্রিয় বিদ্রোহী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে ভারত থেকে সহায়তা ও মদদ দেওয়া হয়। এসব গোষ্ঠী প্রায়ই নিরাপত্তা বাহিনী ও বেসামরিক জনগণের ওপর হামলা চালিয়ে থাকে।

আইএসপিআর-এর তথ্যমতে, ২০২৪ সালেই বিভিন্ন সন্ত্রাসী হামলায় পাকিস্তানে ২ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। দেশটির সেনাবাহিনী বলছে, সন্ত্রাস দমনে তারা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করে যাচ্ছে।

তবে ভারত সবসময় এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। দিল্লির পক্ষ থেকে বরাবরই বলা হয়ে থাকে যে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যর্থতার দায়ভার তারা নিতে পারে না।

পাকিস্তানের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, সীমান্তবর্তী এলাকা ও দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর গোপন আস্তানা চিহ্নিত করে নিয়মিত অভিযান চালানো না গেলে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক রূপ নিতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

খাইবার পাখতুনখোয়ায় তিনটি অভিযানে ভারত-সমর্থিত ৯ বিদ্রোহী নিহত

আপডেট সময় ১২:০৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

 

 

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে তিনটি পৃথক অভিযানে ভারত-সমর্থিত ৯ জন বিদ্রোহী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। রোববার (২৫ মে) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করে। খবর ট্রিবিউন এক্সপ্রেস।

আরও পড়ুন  ২৫০০ পিস ইয়াবা ও ৩০ কেজি গাঁজাসহ ছয় মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ডিবি-মিরপুর

আইএসপিআরের বিবৃতিতে জানানো হয়, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী দেরা ঈসমাইল খান বিভাগের একটি এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানে ভারত-সমর্থিত ‘খারেজিরা’ নামে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অবস্থান শনাক্ত করে সেনারা। গোলাগুলির মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন বিদ্রোহী নিহত হয়।

আরেকটি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ট্যাংক বিভাগে অভিযান চালানো হলে আরও দুই বিদ্রোহী নিহত হয় বলে জানায় আইএসপিআর।

এছাড়া খাইবার বিভাগের বাগ এলাকায় তৃতীয় একটি অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। সেখানে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে আরও তিন বিদ্রোহী প্রাণ হারায়।

আইএসপিআর দাবি করেছে, এই তিনটি অভিযানে সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, দেশটির ভেতরে সক্রিয় বিদ্রোহী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে ভারত থেকে সহায়তা ও মদদ দেওয়া হয়। এসব গোষ্ঠী প্রায়ই নিরাপত্তা বাহিনী ও বেসামরিক জনগণের ওপর হামলা চালিয়ে থাকে।

আইএসপিআর-এর তথ্যমতে, ২০২৪ সালেই বিভিন্ন সন্ত্রাসী হামলায় পাকিস্তানে ২ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। দেশটির সেনাবাহিনী বলছে, সন্ত্রাস দমনে তারা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করে যাচ্ছে।

তবে ভারত সবসময় এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। দিল্লির পক্ষ থেকে বরাবরই বলা হয়ে থাকে যে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যর্থতার দায়ভার তারা নিতে পারে না।

পাকিস্তানের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, সীমান্তবর্তী এলাকা ও দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর গোপন আস্তানা চিহ্নিত করে নিয়মিত অভিযান চালানো না গেলে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক রূপ নিতে পারে।