ঢাকা ১২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলার পথে ইসরাইল? যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্যে চাঞ্চল্যকর দাবি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • / 578

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন মঙ্গলবার (২০ মে) একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করে। তবে ইসরাইলি নেতারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে তারা।

সিএনএন জানিয়েছে, ইসরাইলের এমন প্রস্তুতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের মধ্যেও ভিন্নমত রয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, শেষ পর্যন্ত ইসরাইল হামলা চালাবে না। তবে পরিস্থিতি জটিল এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে শুল্কের চাপ, বাংলাদেশ খুঁজছে রপ্তানি সংকটের সমাধান: বাণিজ্য উপদেষ্টা

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি বার্তা সংস্থা রয়টার্স। একইসঙ্গে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এবং ওয়াশিংটনে অবস্থিত ইসরাইলি দূতাবাস থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এমনকি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র সিএনএনকে জানায়, “সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর ইসরাইলি হামলার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।” সূত্রটি আরও জানায়, যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এমন কোনো চুক্তি হয় যেখানে ইউরেনিয়াম সম্পূর্ণভাবে অপসারণের শর্ত না থাকে, তাহলে ইসরাইলের হামলার আশঙ্কা আরও বাড়বে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে ইসরাইলি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সরকারি ও ব্যক্তিগত যোগাযোগ, ইসরাইলি সামরিক গতিবিধি এবং অভ্যন্তরীণ আলোচনার পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে। এসব তথ্য সম্ভাব্য হামলার ইঙ্গিত বহন করছে।

এদিকে, একই দিন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে ‘অতিরিক্ত ও আপত্তিকর’ বলে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, তেহরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করার যে দাবি তোলা হচ্ছে, তা ইরানের সার্বভৌম অধিকার লঙ্ঘনের শামিল। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি নতুন পারমাণবিক চুক্তির সফলতা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পুনরায় একটি কূটনৈতিক সমঝোতার পথে অগ্রসর হচ্ছে। তবে তেহরান ও তেলআবিবের উত্তেজনাপূর্ণ এই পারমাণবিক ইস্যু মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংকট ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের।

সূত্র: রয়টার্স, সিএনএন

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলার পথে ইসরাইল? যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্যে চাঞ্চল্যকর দাবি

আপডেট সময় ১০:৩৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন মঙ্গলবার (২০ মে) একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করে। তবে ইসরাইলি নেতারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে তারা।

সিএনএন জানিয়েছে, ইসরাইলের এমন প্রস্তুতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের মধ্যেও ভিন্নমত রয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, শেষ পর্যন্ত ইসরাইল হামলা চালাবে না। তবে পরিস্থিতি জটিল এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল।

আরও পড়ুন  আরও ইরানি তেলবাহী জাহাজ ধ্বংস করা হবে: রুবিও

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি বার্তা সংস্থা রয়টার্স। একইসঙ্গে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এবং ওয়াশিংটনে অবস্থিত ইসরাইলি দূতাবাস থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এমনকি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র সিএনএনকে জানায়, “সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর ইসরাইলি হামলার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।” সূত্রটি আরও জানায়, যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এমন কোনো চুক্তি হয় যেখানে ইউরেনিয়াম সম্পূর্ণভাবে অপসারণের শর্ত না থাকে, তাহলে ইসরাইলের হামলার আশঙ্কা আরও বাড়বে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে ইসরাইলি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সরকারি ও ব্যক্তিগত যোগাযোগ, ইসরাইলি সামরিক গতিবিধি এবং অভ্যন্তরীণ আলোচনার পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে। এসব তথ্য সম্ভাব্য হামলার ইঙ্গিত বহন করছে।

এদিকে, একই দিন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে ‘অতিরিক্ত ও আপত্তিকর’ বলে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, তেহরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করার যে দাবি তোলা হচ্ছে, তা ইরানের সার্বভৌম অধিকার লঙ্ঘনের শামিল। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি নতুন পারমাণবিক চুক্তির সফলতা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পুনরায় একটি কূটনৈতিক সমঝোতার পথে অগ্রসর হচ্ছে। তবে তেহরান ও তেলআবিবের উত্তেজনাপূর্ণ এই পারমাণবিক ইস্যু মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংকট ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের।

সূত্র: রয়টার্স, সিএনএন