ঢাকা ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ২০ ফিলিস্তিনি নিহত, মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৫২ হাজার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • / 177

ছবি সংগৃহীত

 

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের অব্যাহত বিমান হামলায় আরও প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২০ ফিলিস্তিনি। নতুন এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১২৫ জন। এর ফলে গত বছরের অক্টোবর থেকে চলমান ইসরায়েলি হামলায় গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৯৩০ জনে। আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৪৬ জন।

বুধবার (১৪ মে) তুর্কি বার্তাসংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় আরও ২০ জনের প্রাণ গেছে। বহু হতাহত এখনও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে আছে, অনেকের মরদেহ রাস্তায় পড়ে থাকলেও নিরাপত্তা ও সরঞ্জাম সংকটে উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

আরও পড়ুন  গাজায় বোমা বর্ষণ: এক ঘণ্টায় ইসরায়েলি বিমান থেকে ৩০ বার হামলা

প্রসঙ্গত, ১৫ মাস ধরে ইসরায়েলের টানা সামরিক আগ্রাসনের মুখে পড়ে রয়েছে গাজা উপত্যকা। যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক মহলের চাপের মুখে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি এক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ইসরায়েল। এরপর প্রায় দুই মাস গাজায় আপাত শান্তি বজায় থাকলেও, মার্চের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে আবারও ইসরায়েল বিমান হামলা শুরু করে। হামাসের সঙ্গে মতানৈক্য এবং সেনা প্রত্যাহারের ইস্যুকে কেন্দ্র করেই নতুন করে এই আগ্রাসন শুরু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ মার্চ থেকে শুরু হওয়া নতুন দফার হামলায় এখন পর্যন্ত প্রাণ গেছে প্রায় ২ হাজার ৮০০ জন ফিলিস্তিনির। আহত হয়েছেন আরও ৭ হাজার ৮০০ জনের বেশি। এই নতুন দফার হামলা কার্যত চলতি বছরের জানুয়ারিতে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে লঙ্ঘন করেছে।

ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা মানুষদের জীবনের ঝুঁকি এবং চিকিৎসা সংকট দিন দিন বাড়ছে। ইসরায়েলের দখলদার নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলে প্রতিবাদ জোরদার হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ এখনও দেখা যাচ্ছে না।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হলে গাজায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় আরও ঘনীভূত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ২০ ফিলিস্তিনি নিহত, মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৫২ হাজার

আপডেট সময় ১১:১৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

 

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের অব্যাহত বিমান হামলায় আরও প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২০ ফিলিস্তিনি। নতুন এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১২৫ জন। এর ফলে গত বছরের অক্টোবর থেকে চলমান ইসরায়েলি হামলায় গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৯৩০ জনে। আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৪৬ জন।

বুধবার (১৪ মে) তুর্কি বার্তাসংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় আরও ২০ জনের প্রাণ গেছে। বহু হতাহত এখনও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে আছে, অনেকের মরদেহ রাস্তায় পড়ে থাকলেও নিরাপত্তা ও সরঞ্জাম সংকটে উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

আরও পড়ুন  গাজায় মানবিক সহায়তা বন্ধে ইসরায়েলের পদক্ষেপে আরব বিশ্বের তিব্র নিন্দা

প্রসঙ্গত, ১৫ মাস ধরে ইসরায়েলের টানা সামরিক আগ্রাসনের মুখে পড়ে রয়েছে গাজা উপত্যকা। যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক মহলের চাপের মুখে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি এক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ইসরায়েল। এরপর প্রায় দুই মাস গাজায় আপাত শান্তি বজায় থাকলেও, মার্চের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে আবারও ইসরায়েল বিমান হামলা শুরু করে। হামাসের সঙ্গে মতানৈক্য এবং সেনা প্রত্যাহারের ইস্যুকে কেন্দ্র করেই নতুন করে এই আগ্রাসন শুরু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ মার্চ থেকে শুরু হওয়া নতুন দফার হামলায় এখন পর্যন্ত প্রাণ গেছে প্রায় ২ হাজার ৮০০ জন ফিলিস্তিনির। আহত হয়েছেন আরও ৭ হাজার ৮০০ জনের বেশি। এই নতুন দফার হামলা কার্যত চলতি বছরের জানুয়ারিতে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে লঙ্ঘন করেছে।

ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা মানুষদের জীবনের ঝুঁকি এবং চিকিৎসা সংকট দিন দিন বাড়ছে। ইসরায়েলের দখলদার নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলে প্রতিবাদ জোরদার হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ এখনও দেখা যাচ্ছে না।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হলে গাজায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় আরও ঘনীভূত হবে।