ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

স্বল্প-পাল্লার ‘আবদালি’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো পাকিস্তান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 149

ছবি সংগৃহীত

 

পাকিস্তান তার স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘আবদালি’র সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। এই মিসাইলটি ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য এবং এটি পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের অস্ত্র বহনে সক্ষম।

সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘হাতফ-২ আবদালি’ নামের এই ক্ষেপণাস্ত্র পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতার অংশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এটি দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিতে সক্ষম এবং তাৎক্ষণিক সামরিক হুমকি মোকাবিলায় কার্যকর।

আরও পড়ুন  যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ভারত-পাকিস্তানের কূটনৈতিক উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি কর্মকর্তা বহিষ্কার

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা খাতের গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা NESCOM (National Engineering and Scientific Commission) এই ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করেছে। মূলত দেশটির ঘনবসতিপূর্ণ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তাৎক্ষণিক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে এটি নির্মিত হয়েছে।

আবদালি ক্ষেপণাস্ত্রের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

এই মিসাইলের সর্বোচ্চ পরিসর প্রায় ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার, যা একে স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল হিসেবে পরিচিত করে তোলে। এটি ভূমি থেকে ভূমিতে লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। ক্ষেপণাস্ত্রটি পারমাণবিক এবং প্রচলিত দুই ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে পারে, যা একে একটি কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে গুরত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই পরীক্ষা দেশটির কৌশলগত প্রস্তুতির অংশ এবং এটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে এমন প্রযুক্তি নির্ভর অস্ত্র ব্যবস্থার উন্নয়ন অপরিহার্য বলে মনে করছে ইসলামাবাদ।

সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং প্রতিবেশী দেশের সাথে উত্তেজনার মধ্যে এই পরীক্ষাকে কৌশলগত বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তির বিপরীতে পাকিস্তান এমন মিসাইল পরীক্ষার মাধ্যমে নিজের সামরিক সক্ষমতা তুলে ধরতে চাচ্ছে। আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য রক্ষায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

এছাড়া, ‘আবদালি’ ক্ষেপণাস্ত্রের দ্রুত মোতায়েনযোগ্যতা ও স্বল্প সময়ে আঘাত হানার সক্ষমতা একে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর অস্ত্রে পরিণত করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই পরীক্ষার মাধ্যমে পাকিস্তান তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে আবারও আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বল্প-পাল্লার ‘আবদালি’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো পাকিস্তান

আপডেট সময় ০৭:২৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

 

পাকিস্তান তার স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘আবদালি’র সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। এই মিসাইলটি ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য এবং এটি পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের অস্ত্র বহনে সক্ষম।

সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘হাতফ-২ আবদালি’ নামের এই ক্ষেপণাস্ত্র পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতার অংশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এটি দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিতে সক্ষম এবং তাৎক্ষণিক সামরিক হুমকি মোকাবিলায় কার্যকর।

আরও পড়ুন  জুলাইয়ে বাংলাদেশ সফরে আসছে পাকিস্তান, চূড়ান্ত হলো সূচি

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা খাতের গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা NESCOM (National Engineering and Scientific Commission) এই ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করেছে। মূলত দেশটির ঘনবসতিপূর্ণ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তাৎক্ষণিক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে এটি নির্মিত হয়েছে।

আবদালি ক্ষেপণাস্ত্রের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

এই মিসাইলের সর্বোচ্চ পরিসর প্রায় ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার, যা একে স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল হিসেবে পরিচিত করে তোলে। এটি ভূমি থেকে ভূমিতে লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। ক্ষেপণাস্ত্রটি পারমাণবিক এবং প্রচলিত দুই ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে পারে, যা একে একটি কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে গুরত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই পরীক্ষা দেশটির কৌশলগত প্রস্তুতির অংশ এবং এটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে এমন প্রযুক্তি নির্ভর অস্ত্র ব্যবস্থার উন্নয়ন অপরিহার্য বলে মনে করছে ইসলামাবাদ।

সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং প্রতিবেশী দেশের সাথে উত্তেজনার মধ্যে এই পরীক্ষাকে কৌশলগত বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তির বিপরীতে পাকিস্তান এমন মিসাইল পরীক্ষার মাধ্যমে নিজের সামরিক সক্ষমতা তুলে ধরতে চাচ্ছে। আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য রক্ষায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

এছাড়া, ‘আবদালি’ ক্ষেপণাস্ত্রের দ্রুত মোতায়েনযোগ্যতা ও স্বল্প সময়ে আঘাত হানার সক্ষমতা একে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর অস্ত্রে পরিণত করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই পরীক্ষার মাধ্যমে পাকিস্তান তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে আবারও আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করলো।