ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

অস্ট্রেলিয়ায় পার্লামেন্ট নির্বাচন: হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে চলছে ভোটগ্রহণ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১১:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 161

ছবি সংগৃহীত

 

অস্ট্রেলিয়ার ৪৮তম পার্লামেন্ট নির্বাচনে আজ ভোটগ্রহণ চলছে। দেশের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের ১৫০টি আসন এবং সিনেটের ৭৬টি আসনের মধ্যে ৪০টিতে ভোট হচ্ছে। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা লেবার পার্টি ও লিবারেল-ন্যাশনাল কোয়ালিশনের মধ্যে হলেও স্বাধীন প্রার্থী ও ছোট দলগুলোর উত্থান এবার নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৭৬টি আসন। যদিও সংখ্যাটা বড় মনে না হলেও, এবারের নির্বাচনে দুই প্রধান দলের জন্যই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন সহজ হচ্ছে না। ভোটারদের সমর্থন দিন দিন ছোট দল ও স্বাধীন প্রার্থীদের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।

আরও পড়ুন  কামিন্সের তাণ্ডবে বিধ্বস্ত দ.আফ্রিকা, অল্প রানেও লিড অজিদের

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার লক্ষ্যে লড়ছে। বর্তমানে তাদের হাতে আছে ৭৮টি আসন। এই সংখ্যা ধরে রাখতে পারলে আবারও সরকার গঠন সম্ভব। অন্যদিকে, বিরোধী লিবারেল-ন্যাশনাল কোয়ালিশনের হাতে আছে মাত্র ৫৭টি আসন। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে তাদের দরকার আরও ১৯টি আসন, তাই তাদের দৃষ্টি এখন বড় শহরগুলোতে।

নাগরিকদের মন জয় করতে উভয় দলই ঘোষণা করেছে নানা সুবিধার কথা। লেবার পার্টির অ্যান্থনি আলবানিজ কর কমানো, চিকিৎসা ব্যয় হ্রাস ও প্রথমবার বাড়ি কিনতে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। অপরদিকে, পিটার ডাটনের নেতৃত্বে কোয়ালিশন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জ্বালানির ওপর কর হ্রাস ও গ্যাসের দাম কমানোর।

দেশীয় ইস্যুর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, বিশেষ করে মার্কিন নীতির প্রতিক্রিয়াও নির্বাচনী প্রচারণায় প্রভাব ফেলছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অস্ট্রেলিয়ার ওপর পাল্টা ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করায়, এই বিষয়ে ট্রাম্পবিরোধী অবস্থান গ্রহণে বাধ্য হচ্ছে উভয় পক্ষই।

এবারের নির্বাচনে ছোট দলগুলোর জনপ্রিয়তা বেশ বাড়ছে। ব্রিসবেনে গ্রিন পার্টির সঙ্গে লড়ছে লেবার পার্টি, আর মেলবোর্ন ও সিডনিতে ‘টিল’ স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মোকাবিলা করছে কোয়ালিশন।

জাতীয় সম্প্রচার মাধ্যম এবিসির প্রধান নির্বাচন বিশ্লেষক অ্যান্টনি গ্রিন জানান, ফলাফল যদি স্পষ্ট হয়, তাহলে অস্ট্রেলিয়ান সময় রাত সাড়ে সাতটার দিকে বিজয়ী দলের নাম জানা যেতে পারে।

এবারের নির্বাচনে মোট এক কোটি ৮১ লাখ ভোটার নথিভুক্ত। অস্ট্রেলিয়ায় ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সব নাগরিকের জন্য ভোট দেওয়া বাধ্যতামূলক। ভোট না দিলে গুণতে হয় ২০ অস্ট্রেলীয় ডলার জরিমানা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

অস্ট্রেলিয়ায় পার্লামেন্ট নির্বাচন: হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে চলছে ভোটগ্রহণ

আপডেট সময় ০২:১১:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

 

অস্ট্রেলিয়ার ৪৮তম পার্লামেন্ট নির্বাচনে আজ ভোটগ্রহণ চলছে। দেশের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের ১৫০টি আসন এবং সিনেটের ৭৬টি আসনের মধ্যে ৪০টিতে ভোট হচ্ছে। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা লেবার পার্টি ও লিবারেল-ন্যাশনাল কোয়ালিশনের মধ্যে হলেও স্বাধীন প্রার্থী ও ছোট দলগুলোর উত্থান এবার নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৭৬টি আসন। যদিও সংখ্যাটা বড় মনে না হলেও, এবারের নির্বাচনে দুই প্রধান দলের জন্যই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন সহজ হচ্ছে না। ভোটারদের সমর্থন দিন দিন ছোট দল ও স্বাধীন প্রার্থীদের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।

আরও পড়ুন  ইংলিশ ঝড়ে ম্লান ডাকেটের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি, বিশ্বরেকর্ডের সাক্ষী হল অস্ট্রেলিয়ার জয় 

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার লক্ষ্যে লড়ছে। বর্তমানে তাদের হাতে আছে ৭৮টি আসন। এই সংখ্যা ধরে রাখতে পারলে আবারও সরকার গঠন সম্ভব। অন্যদিকে, বিরোধী লিবারেল-ন্যাশনাল কোয়ালিশনের হাতে আছে মাত্র ৫৭টি আসন। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে তাদের দরকার আরও ১৯টি আসন, তাই তাদের দৃষ্টি এখন বড় শহরগুলোতে।

নাগরিকদের মন জয় করতে উভয় দলই ঘোষণা করেছে নানা সুবিধার কথা। লেবার পার্টির অ্যান্থনি আলবানিজ কর কমানো, চিকিৎসা ব্যয় হ্রাস ও প্রথমবার বাড়ি কিনতে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। অপরদিকে, পিটার ডাটনের নেতৃত্বে কোয়ালিশন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জ্বালানির ওপর কর হ্রাস ও গ্যাসের দাম কমানোর।

দেশীয় ইস্যুর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, বিশেষ করে মার্কিন নীতির প্রতিক্রিয়াও নির্বাচনী প্রচারণায় প্রভাব ফেলছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অস্ট্রেলিয়ার ওপর পাল্টা ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করায়, এই বিষয়ে ট্রাম্পবিরোধী অবস্থান গ্রহণে বাধ্য হচ্ছে উভয় পক্ষই।

এবারের নির্বাচনে ছোট দলগুলোর জনপ্রিয়তা বেশ বাড়ছে। ব্রিসবেনে গ্রিন পার্টির সঙ্গে লড়ছে লেবার পার্টি, আর মেলবোর্ন ও সিডনিতে ‘টিল’ স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মোকাবিলা করছে কোয়ালিশন।

জাতীয় সম্প্রচার মাধ্যম এবিসির প্রধান নির্বাচন বিশ্লেষক অ্যান্টনি গ্রিন জানান, ফলাফল যদি স্পষ্ট হয়, তাহলে অস্ট্রেলিয়ান সময় রাত সাড়ে সাতটার দিকে বিজয়ী দলের নাম জানা যেতে পারে।

এবারের নির্বাচনে মোট এক কোটি ৮১ লাখ ভোটার নথিভুক্ত। অস্ট্রেলিয়ায় ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সব নাগরিকের জন্য ভোট দেওয়া বাধ্যতামূলক। ভোট না দিলে গুণতে হয় ২০ অস্ট্রেলীয় ডলার জরিমানা।