ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজ বাতিল: সূচি থেকে বাদ পড়ল টাইগারদের সফর ‘আমি এই কাজ করিনি’ হাদি হত্যা প্রসঙ্গে অভিযুক্ত ফয়সাল ইরান চালু করেছে সর্বোচ্চ মূল্যমানের ১০ মিলিয়ন রিয়াল নোট ঈদের আনন্দে বিষাদের ছায়া: সড়ক ও নদে প্রাণ গেল ২২ জনের যুদ্ধের ধাক্কায় এয়ারলাইন্স খাতে ক্ষতি ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ

ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 329

ছবি: সংগৃহীত

 

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় সিলেট টাইটান্স। ওপেনার জাকির হাসান ও তিন নম্বরে নামা আরিফুল ইসলাম দ্রুত আউট হলে চাপ বাড়ে দলের ওপর। সেই কঠিন সময়ে পারভেজ ইমন ও স্যাম বিলিংস প্রতিরোধ গড়ে সিলেটকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু এই জুটির ভাঙনের পর আর কেউই ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১২ রানের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৬৫ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ অবদান আসে কেন উইলিয়ামসনের ব্যাট থেকে, তিনি ৩৮ বলে অপরাজিত ৪৫ রান করেন। জবাবে সিলেট টাইটান্স ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রানের বেশি করতে পারেনি।

আরও পড়ুন  নাটকীয় ফাইনালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে মেক্সিকোর রেকর্ড দশম গোল্ড কাপ শিরোপা

রান তাড়ায় সিলেটের শুরুটা ছিল নড়বড়ে। মাত্র ৭ রানের মধ্যেই দুই উইকেট হারায় তারা। এরপর ইমন ও বিলিংস কিছুটা আশা জাগান। ইমন করেন ৪৮ রান, আর বিলিংসের ব্যাট থেকে আসে ৩৭ রান। তবে এই দুজন আউট হওয়ার পর আবারও চাপে পড়ে যায় সিলেটের ইনিংস।

চাপের মুহূর্তে ব্যাট হাতে ভালো শুরু করেছিলেন আফিফ হোসেন। কিন্তু ১২ বলে ২১ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। শেষদিকে মিরাজ ও ওকস লড়াই চালানোর চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় রান তোলা সম্ভব হয়নি।

এর আগে রাজশাহীর ইনিংসে আক্রমণাত্মক সূচনা করেন তামিম ইকবাল ও ফারহান। ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ফারহানের বিদায়ে, তিনি করেন ২৬ রান। অন্য ওপেনার তামিম খেলেন ১৫ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংস।

এরপর দ্রুতই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম ও এসএম মেহেরব। ৮০ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়লেও কেন উইলিয়ামসন ও জেমস নিশাম পরিস্থিতি সামাল দেন। ষষ্ঠ উইকেটে ৭৭ রানের জুটি গড়ে তারা দলকে লড়াকু স্কোরে পৌঁছে দেন। নিশাম ২৬ বলে ৪৪ রান করেন, আর উইলিয়ামসন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৪৫ রানে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট

আপডেট সময় ১২:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

 

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় সিলেট টাইটান্স। ওপেনার জাকির হাসান ও তিন নম্বরে নামা আরিফুল ইসলাম দ্রুত আউট হলে চাপ বাড়ে দলের ওপর। সেই কঠিন সময়ে পারভেজ ইমন ও স্যাম বিলিংস প্রতিরোধ গড়ে সিলেটকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু এই জুটির ভাঙনের পর আর কেউই ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১২ রানের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৬৫ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ অবদান আসে কেন উইলিয়ামসনের ব্যাট থেকে, তিনি ৩৮ বলে অপরাজিত ৪৫ রান করেন। জবাবে সিলেট টাইটান্স ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রানের বেশি করতে পারেনি।

আরও পড়ুন  পঞ্চম জয়ে অপ্রতিরোধ্য রংপুর, শাকিবের ঢাকার পরাজয় অব্যাহত

রান তাড়ায় সিলেটের শুরুটা ছিল নড়বড়ে। মাত্র ৭ রানের মধ্যেই দুই উইকেট হারায় তারা। এরপর ইমন ও বিলিংস কিছুটা আশা জাগান। ইমন করেন ৪৮ রান, আর বিলিংসের ব্যাট থেকে আসে ৩৭ রান। তবে এই দুজন আউট হওয়ার পর আবারও চাপে পড়ে যায় সিলেটের ইনিংস।

চাপের মুহূর্তে ব্যাট হাতে ভালো শুরু করেছিলেন আফিফ হোসেন। কিন্তু ১২ বলে ২১ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। শেষদিকে মিরাজ ও ওকস লড়াই চালানোর চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় রান তোলা সম্ভব হয়নি।

এর আগে রাজশাহীর ইনিংসে আক্রমণাত্মক সূচনা করেন তামিম ইকবাল ও ফারহান। ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ফারহানের বিদায়ে, তিনি করেন ২৬ রান। অন্য ওপেনার তামিম খেলেন ১৫ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংস।

এরপর দ্রুতই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম ও এসএম মেহেরব। ৮০ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়লেও কেন উইলিয়ামসন ও জেমস নিশাম পরিস্থিতি সামাল দেন। ষষ্ঠ উইকেটে ৭৭ রানের জুটি গড়ে তারা দলকে লড়াকু স্কোরে পৌঁছে দেন। নিশাম ২৬ বলে ৪৪ রান করেন, আর উইলিয়ামসন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৪৫ রানে।