ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট
- আপডেট সময় ১২:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
- / 108
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় সিলেট টাইটান্স। ওপেনার জাকির হাসান ও তিন নম্বরে নামা আরিফুল ইসলাম দ্রুত আউট হলে চাপ বাড়ে দলের ওপর। সেই কঠিন সময়ে পারভেজ ইমন ও স্যাম বিলিংস প্রতিরোধ গড়ে সিলেটকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু এই জুটির ভাঙনের পর আর কেউই ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১২ রানের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৬৫ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ অবদান আসে কেন উইলিয়ামসনের ব্যাট থেকে, তিনি ৩৮ বলে অপরাজিত ৪৫ রান করেন। জবাবে সিলেট টাইটান্স ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রানের বেশি করতে পারেনি।
রান তাড়ায় সিলেটের শুরুটা ছিল নড়বড়ে। মাত্র ৭ রানের মধ্যেই দুই উইকেট হারায় তারা। এরপর ইমন ও বিলিংস কিছুটা আশা জাগান। ইমন করেন ৪৮ রান, আর বিলিংসের ব্যাট থেকে আসে ৩৭ রান। তবে এই দুজন আউট হওয়ার পর আবারও চাপে পড়ে যায় সিলেটের ইনিংস।
চাপের মুহূর্তে ব্যাট হাতে ভালো শুরু করেছিলেন আফিফ হোসেন। কিন্তু ১২ বলে ২১ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। শেষদিকে মিরাজ ও ওকস লড়াই চালানোর চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় রান তোলা সম্ভব হয়নি।
এর আগে রাজশাহীর ইনিংসে আক্রমণাত্মক সূচনা করেন তামিম ইকবাল ও ফারহান। ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ফারহানের বিদায়ে, তিনি করেন ২৬ রান। অন্য ওপেনার তামিম খেলেন ১৫ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংস।
এরপর দ্রুতই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম ও এসএম মেহেরব। ৮০ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়লেও কেন উইলিয়ামসন ও জেমস নিশাম পরিস্থিতি সামাল দেন। ষষ্ঠ উইকেটে ৭৭ রানের জুটি গড়ে তারা দলকে লড়াকু স্কোরে পৌঁছে দেন। নিশাম ২৬ বলে ৪৪ রান করেন, আর উইলিয়ামসন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৪৫ রানে।

























