ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
ব্যথা ও পক্ষাঘাত চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত

পাইওনিয়ার আকুপাংচার বিশেষজ্ঞ ডা. এস এম শহিদুল ইসলাম এর পিএইচডি অর্জন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৫৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪
  • / 728

 

সম্প্রতি বাংলাদেশের ব্যথা ও প্যারালাইসিস চিকিৎসা গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ডা. এস এম শহিদুল ইসলাম পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি দেশের অন্যতম স্বনামধন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল পেইন ও প্যারালাইসিস—যা বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহু মানুষের দৈনন্দিন কষ্ট ও অক্ষমতার অন্যতম প্রধান কারণ।

দীর্ঘদিনের চিকিৎসা অভিজ্ঞতা ও বাস্তব রোগীসেবার সঙ্গে একাডেমিক গবেষণাকে যুক্ত করে ডা. শহিদুল ইসলাম এমন একটি ক্ষেত্রকে বেছে নেন, যা সরাসরি মানুষের জীবনমানের সঙ্গে সম্পর্কিত। ব্যথা ব্যবস্থাপনা, স্নায়ুজনিত দুর্বলতা, পক্ষাঘাত-পরবর্তী পুনর্বাসন—এসব বিষয়কে তিনি গবেষণার আলোচনায় আনেন বৈজ্ঞানিক কাঠামোর ভেতর। তাঁর কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল প্রমাণভিত্তিক বিশ্লেষণ; যেখানে ক্লিনিক্যাল পর্যবেক্ষণ, রোগীর ফলাফল এবং চিকিৎসা পদ্ধতির কার্যকারিতা একত্রে মূল্যায়ন করা হয়।

বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ব্যথা ও প্যারালাইসিসের চিকিৎসা অনেক ক্ষেত্রে ওষুধনির্ভর বা অস্ত্রোপচারকেন্দ্রিক ছিল। এই প্রেক্ষাপটে ডা. শহিদুল ইসলামের গবেষণা নন-সার্জিক্যাল ও সমন্বিত চিকিৎসা পদ্ধতির সম্ভাবনাকে নতুনভাবে উপস্থাপন করে। তাঁর গবেষণায় ব্যথা নিয়ন্ত্রণ ও স্নায়বিক পুনরুদ্ধারে বিকল্প পদ্ধতির কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করা হয় বৈজ্ঞানিক মানদণ্ডে। ফলে চিকিৎসা অঙ্গনে একটি গঠনমূলক আলোচনা তৈরি হয়—কীভাবে গবেষণাভিত্তিক প্রয়োগের মাধ্যমে রোগীর কষ্ট কমানো যায়।

বর্তমানে ডা. শহিদুল ইসলাম ভিজিটিং কনসালটেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শশী হাসপাতালে (আকুপাংচার)। এখানে তিনি ব্যথা, সায়াটিকা, স্পাইনাল ডিসঅর্ডার, প্যারালাইসিস-পরবর্তী জটিলতা এবং দীর্ঘমেয়াদি স্নায়বিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা প্রদান করেন। তাঁর কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো রোগীকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি—যেখানে প্রতিটি রোগীর অবস্থা, জীবনযাপন, মানসিক অবস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা বিবেচনায় নেওয়া হয়।

পিএইচডি অর্জনের অনুভূতি প্রসঙ্গে ডা. শহিদুল ইসলাম বলেন, এই ডিগ্রি কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি একটি দায়িত্বের প্রতীক। তাঁর মতে, গবেষণা তখনই অর্থবহ হয় যখন তা সরাসরি মানুষের উপকারে আসে। তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশে চিকিৎসা গবেষণার ক্ষেত্র এখনও বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও প্রকাশনার মাধ্যমে দেশের চিকিৎসাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ব্যথা ও প্যারালাইসিসের মতো জটিল সমস্যায় রোগীরা প্রায়ই দীর্ঘদিন কষ্ট ভোগ করেন। অনেকেই সঠিক পরামর্শ বা প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হন। তাই তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে মাঠপর্যায়ে আরও কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা এবং চিকিৎসকদের মধ্যে গবেষণাভিত্তিক চিকিৎসার চর্চা বাড়ানো।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তিনি তরুণ চিকিৎসক ও গবেষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাঁর মতে, একটি টেকসই ও আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে গবেষণা, ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস এবং নৈতিক মানদণ্ড—এই তিনটির সমন্বয় প্রয়োজন। তিনি চান, বাংলাদেশে ব্যথা ও প্যারালাইসিস চিকিৎসা একটি সুসংগঠিত ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য মানদণ্ডে উন্নীত হোক।

ডা. শহিদুল ইসলামের এই অর্জন ব্যক্তিগত জীবনে যেমন গর্বের, তেমনি দেশের চিকিৎসা অঙ্গনের জন্যও তা তাৎপর্যপূর্ণ। একজন চিকিৎসক হিসেবে রোগীর সেবায় নিবেদিত থাকা এবং একই সঙ্গে গবেষণায় সক্রিয় ভূমিকা রাখা—এই দুইয়ের সমন্বয় তাঁকে একটি স্বতন্ত্র অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে। তাঁর পিএইচডি ডিগ্রি প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশ থেকেও আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা সম্ভব; যদি থাকে অধ্যবসায়, লক্ষ্য এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা।

দেশের স্বাস্থ্যসেবায় প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতির বিস্তার, ব্যথা ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিষ্ঠা এবং পক্ষাঘাত-পরবর্তী পুনর্বাসনে বৈজ্ঞানিক কাঠামো তৈরির মাধ্যমে তিনি ভবিষ্যতেও অবদান রাখতে চান। তাঁর এই অঙ্গীকার শুধু একজন গবেষকের নয়; এটি একজন চিকিৎসকের মানবিক দায়িত্ববোধের প্রতিফলন।

ডা. এস এম শহিদুল ইসলামের পিএইচডি অর্জন তাই কেবল একটি একাডেমিক সনদ নয়—এটি বাংলাদেশের ব্যথা ও প্যারালাইসিস চিকিৎসা গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি এটি দেশের জন্যও এক গর্বের অধ্যায়, যা আগামী দিনে আরও অনেক চিকিৎসক ও গবেষককে অনুপ্রাণিত করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্যথা ও পক্ষাঘাত চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত

পাইওনিয়ার আকুপাংচার বিশেষজ্ঞ ডা. এস এম শহিদুল ইসলাম এর পিএইচডি অর্জন

আপডেট সময় ০৮:৫৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

 

সম্প্রতি বাংলাদেশের ব্যথা ও প্যারালাইসিস চিকিৎসা গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ডা. এস এম শহিদুল ইসলাম পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি দেশের অন্যতম স্বনামধন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল পেইন ও প্যারালাইসিস—যা বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহু মানুষের দৈনন্দিন কষ্ট ও অক্ষমতার অন্যতম প্রধান কারণ।

দীর্ঘদিনের চিকিৎসা অভিজ্ঞতা ও বাস্তব রোগীসেবার সঙ্গে একাডেমিক গবেষণাকে যুক্ত করে ডা. শহিদুল ইসলাম এমন একটি ক্ষেত্রকে বেছে নেন, যা সরাসরি মানুষের জীবনমানের সঙ্গে সম্পর্কিত। ব্যথা ব্যবস্থাপনা, স্নায়ুজনিত দুর্বলতা, পক্ষাঘাত-পরবর্তী পুনর্বাসন—এসব বিষয়কে তিনি গবেষণার আলোচনায় আনেন বৈজ্ঞানিক কাঠামোর ভেতর। তাঁর কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল প্রমাণভিত্তিক বিশ্লেষণ; যেখানে ক্লিনিক্যাল পর্যবেক্ষণ, রোগীর ফলাফল এবং চিকিৎসা পদ্ধতির কার্যকারিতা একত্রে মূল্যায়ন করা হয়।

বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ব্যথা ও প্যারালাইসিসের চিকিৎসা অনেক ক্ষেত্রে ওষুধনির্ভর বা অস্ত্রোপচারকেন্দ্রিক ছিল। এই প্রেক্ষাপটে ডা. শহিদুল ইসলামের গবেষণা নন-সার্জিক্যাল ও সমন্বিত চিকিৎসা পদ্ধতির সম্ভাবনাকে নতুনভাবে উপস্থাপন করে। তাঁর গবেষণায় ব্যথা নিয়ন্ত্রণ ও স্নায়বিক পুনরুদ্ধারে বিকল্প পদ্ধতির কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করা হয় বৈজ্ঞানিক মানদণ্ডে। ফলে চিকিৎসা অঙ্গনে একটি গঠনমূলক আলোচনা তৈরি হয়—কীভাবে গবেষণাভিত্তিক প্রয়োগের মাধ্যমে রোগীর কষ্ট কমানো যায়।

বর্তমানে ডা. শহিদুল ইসলাম ভিজিটিং কনসালটেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শশী হাসপাতালে (আকুপাংচার)। এখানে তিনি ব্যথা, সায়াটিকা, স্পাইনাল ডিসঅর্ডার, প্যারালাইসিস-পরবর্তী জটিলতা এবং দীর্ঘমেয়াদি স্নায়বিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা প্রদান করেন। তাঁর কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো রোগীকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি—যেখানে প্রতিটি রোগীর অবস্থা, জীবনযাপন, মানসিক অবস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা বিবেচনায় নেওয়া হয়।

পিএইচডি অর্জনের অনুভূতি প্রসঙ্গে ডা. শহিদুল ইসলাম বলেন, এই ডিগ্রি কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি একটি দায়িত্বের প্রতীক। তাঁর মতে, গবেষণা তখনই অর্থবহ হয় যখন তা সরাসরি মানুষের উপকারে আসে। তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশে চিকিৎসা গবেষণার ক্ষেত্র এখনও বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও প্রকাশনার মাধ্যমে দেশের চিকিৎসাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ব্যথা ও প্যারালাইসিসের মতো জটিল সমস্যায় রোগীরা প্রায়ই দীর্ঘদিন কষ্ট ভোগ করেন। অনেকেই সঠিক পরামর্শ বা প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হন। তাই তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে মাঠপর্যায়ে আরও কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা এবং চিকিৎসকদের মধ্যে গবেষণাভিত্তিক চিকিৎসার চর্চা বাড়ানো।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তিনি তরুণ চিকিৎসক ও গবেষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাঁর মতে, একটি টেকসই ও আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে গবেষণা, ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস এবং নৈতিক মানদণ্ড—এই তিনটির সমন্বয় প্রয়োজন। তিনি চান, বাংলাদেশে ব্যথা ও প্যারালাইসিস চিকিৎসা একটি সুসংগঠিত ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য মানদণ্ডে উন্নীত হোক।

ডা. শহিদুল ইসলামের এই অর্জন ব্যক্তিগত জীবনে যেমন গর্বের, তেমনি দেশের চিকিৎসা অঙ্গনের জন্যও তা তাৎপর্যপূর্ণ। একজন চিকিৎসক হিসেবে রোগীর সেবায় নিবেদিত থাকা এবং একই সঙ্গে গবেষণায় সক্রিয় ভূমিকা রাখা—এই দুইয়ের সমন্বয় তাঁকে একটি স্বতন্ত্র অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে। তাঁর পিএইচডি ডিগ্রি প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশ থেকেও আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা সম্ভব; যদি থাকে অধ্যবসায়, লক্ষ্য এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা।

দেশের স্বাস্থ্যসেবায় প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতির বিস্তার, ব্যথা ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিষ্ঠা এবং পক্ষাঘাত-পরবর্তী পুনর্বাসনে বৈজ্ঞানিক কাঠামো তৈরির মাধ্যমে তিনি ভবিষ্যতেও অবদান রাখতে চান। তাঁর এই অঙ্গীকার শুধু একজন গবেষকের নয়; এটি একজন চিকিৎসকের মানবিক দায়িত্ববোধের প্রতিফলন।

ডা. এস এম শহিদুল ইসলামের পিএইচডি অর্জন তাই কেবল একটি একাডেমিক সনদ নয়—এটি বাংলাদেশের ব্যথা ও প্যারালাইসিস চিকিৎসা গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি এটি দেশের জন্যও এক গর্বের অধ্যায়, যা আগামী দিনে আরও অনেক চিকিৎসক ও গবেষককে অনুপ্রাণিত করবে।