০১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :

ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 78

ছবি সংগ্রহিত

ঢাকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি) অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের সই করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম চালানো অনুকূল নয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা এবং দ্রুত শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় শুরুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ক্লাস স্থগিত থাকবে।

এর আগে রোববার (১৮ জানুয়ারি) শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেসিক সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক লায়েকা বশীরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। তার বিরুদ্ধে হিজাব ও নিকাব নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য, মুসলিম শিক্ষার্থীদের হেনস্তা এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগ ওঠে।

একই সঙ্গে আওয়ামী রাজনৈতিক পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ওই বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. মহসিনকেও বহিষ্কার করা হয়।

দুই শিক্ষককে বহিষ্কারের পরও ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এর আগে শিক্ষার্থীরা এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, হিজাব ও নিকাব পরার কারণে মুসলিম নারী শিক্ষার্থীদের ক্লাসে প্রকাশ্যে অপমান, বৈষম্যমূলক আচরণ, ইসলামের বিধান নিয়ে কটূক্তি এবং মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। এছাড়া নামাজে বাধা দেওয়া, নিকাব খুলতে চাপ সৃষ্টি এবং পরীক্ষায় বৈষম্যমূলক গ্রেডিংয়ের অভিযোগও তোলা হয়। এসব অভিযোগের পক্ষে ভিডিও প্রমাণ রয়েছে বলেও জানান শিক্ষার্থীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

আপডেট সময় ১২:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি) অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের সই করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম চালানো অনুকূল নয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা এবং দ্রুত শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় শুরুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ক্লাস স্থগিত থাকবে।

এর আগে রোববার (১৮ জানুয়ারি) শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেসিক সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক লায়েকা বশীরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। তার বিরুদ্ধে হিজাব ও নিকাব নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য, মুসলিম শিক্ষার্থীদের হেনস্তা এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগ ওঠে।

একই সঙ্গে আওয়ামী রাজনৈতিক পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ওই বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. মহসিনকেও বহিষ্কার করা হয়।

দুই শিক্ষককে বহিষ্কারের পরও ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এর আগে শিক্ষার্থীরা এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, হিজাব ও নিকাব পরার কারণে মুসলিম নারী শিক্ষার্থীদের ক্লাসে প্রকাশ্যে অপমান, বৈষম্যমূলক আচরণ, ইসলামের বিধান নিয়ে কটূক্তি এবং মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। এছাড়া নামাজে বাধা দেওয়া, নিকাব খুলতে চাপ সৃষ্টি এবং পরীক্ষায় বৈষম্যমূলক গ্রেডিংয়ের অভিযোগও তোলা হয়। এসব অভিযোগের পক্ষে ভিডিও প্রমাণ রয়েছে বলেও জানান শিক্ষার্থীরা।