ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু রাজবাড়ীতে রেলব্রিজে ধাক্কা লেগে ট্রেনের ছাদে থাকা যুবকের মৃত্যু শাহেদ ধাঁচে নতুন ড্রোন: ব্যাপক উৎপাদনে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ‘লুকাস’ সস্তা ড্রোনে বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের সমীকরণ: ব্যয়ের অসমতায় চাপে প্রচলিত শক্তি আফগানিস্তানে আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে

শার্শার কুলের বাজারে ব্যস্ততার ভিড়, লাভবান হচ্ছেন চাষীরা 

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫২:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 174

ছবি সংগৃহীত

 

যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া বেলতলা বাজারে এখন কুলের রমরমা বেচাকেনা। শীতকাল থেকে শুরু করে বসন্তের ফাল্গুন মাস পর্যন্ত এই বাজারে চলে কুলের জমজমাট ব্যবসা। মৌসুমী ফল হিসেবে কুল এখন এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি।

প্রতিদিন এ বাজার থেকে ৫-১০টি ট্রাকভর্তি কুল দেশের রাজধানীসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে পাঠানো হয়। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কুল বিশেষত থাই আপেল, বলকুল, গাজীপুরী টক এবং বল সুন্দরী জাতের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। পাইকারি বাজারে থাই আপেল কুলের দাম প্রতি কেজি ৬০ থেকে ১৫০ টাকা, বলকুল ৭০ থেকে ১২০ টাকা, গাজীপুরী টক ৪০ থেকে ৭০ টাকা, এবং বল সুন্দরী ৭০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

আরও পড়ুন  পোশাক খাতে গত আট মাসে দেশের রপ্তানি আয় হয়েছে ২৬.৭৯ বিলিয়ন ডলার, অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত

শার্শা ও কলারোয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে কুল চাষ এখন ধান বা অন্যান্য ফসলের জায়গা দখল করছে। এ বছর শার্শা উপজেলায় ১৩৫ হেক্টর জমিতে কুল চাষ হয়েছে। চাষিরা বলছেন, ফলন ভালো হওয়ায় এবং বাজারে চাহিদা ও দাম বেশি থাকায় তারা লাভবান হচ্ছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার কুলের ফলন ও দাম দুই-ই বেড়েছে। এতে চাষি ও আড়তদার উভয়ই খুশি। এ অঞ্চলে কুল চাষের এই উজ্জ্বল সম্ভাবনা চাষিদের আর্থিক স্বচ্ছলতার নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শার্শার কুলের বাজারে ব্যস্ততার ভিড়, লাভবান হচ্ছেন চাষীরা 

আপডেট সময় ০৬:৫২:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫

 

যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া বেলতলা বাজারে এখন কুলের রমরমা বেচাকেনা। শীতকাল থেকে শুরু করে বসন্তের ফাল্গুন মাস পর্যন্ত এই বাজারে চলে কুলের জমজমাট ব্যবসা। মৌসুমী ফল হিসেবে কুল এখন এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি।

প্রতিদিন এ বাজার থেকে ৫-১০টি ট্রাকভর্তি কুল দেশের রাজধানীসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে পাঠানো হয়। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কুল বিশেষত থাই আপেল, বলকুল, গাজীপুরী টক এবং বল সুন্দরী জাতের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। পাইকারি বাজারে থাই আপেল কুলের দাম প্রতি কেজি ৬০ থেকে ১৫০ টাকা, বলকুল ৭০ থেকে ১২০ টাকা, গাজীপুরী টক ৪০ থেকে ৭০ টাকা, এবং বল সুন্দরী ৭০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

আরও পড়ুন  শীর্ষে সৌদি আরব, রেকর্ড রেমিট্যান্সে চাঙা দেশের অর্থনীতি

শার্শা ও কলারোয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে কুল চাষ এখন ধান বা অন্যান্য ফসলের জায়গা দখল করছে। এ বছর শার্শা উপজেলায় ১৩৫ হেক্টর জমিতে কুল চাষ হয়েছে। চাষিরা বলছেন, ফলন ভালো হওয়ায় এবং বাজারে চাহিদা ও দাম বেশি থাকায় তারা লাভবান হচ্ছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার কুলের ফলন ও দাম দুই-ই বেড়েছে। এতে চাষি ও আড়তদার উভয়ই খুশি। এ অঞ্চলে কুল চাষের এই উজ্জ্বল সম্ভাবনা চাষিদের আর্থিক স্বচ্ছলতার নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে।