ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন

ব্যাংকে সুশাসন নিশ্চিত হবে, আমানতকারীদের স্বার্থেই কাজ করছি: গভর্নর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • / 244

ছবি সংগৃহীত

 

ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, “ব্যাংকের স্বার্থ নয়, আমরা আমানতকারীদের স্বার্থে আছি। ব্যাংক ঘুরে দাঁড়াবেই।”

বুধবার (১৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দুবাই থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণে নতুন অধ্যাদেশ: সরকার নিতে পারবে সাময়িক মালিকানা

গভর্নর মনসুর বলেন, “ব্যাংকে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবেই। প্রয়োজনে ব্যাংক মার্জ করা হবে, আরও যেসব পদক্ষেপ প্রয়োজন, তা-ও নেওয়া হবে। আমানতকারীদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই, আমরা তাদের পাশে আছি।”

তিনি জানান, ডলারের দাম এখন থেকে বাজারভিত্তিকভাবে নির্ধারিত হবে। তবে বাজারে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরদারি থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। “যারা অযৌক্তিক আচরণ করবে, তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে,” বলেন গভর্নর।

বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে উল্লেখ করে গভর্নর জানান, “আমরা আশাবাদী, চলতি মাস থেকেই (মে) মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের ঘরে চলে আসবে। আর আগামী বছরের এই সময়ের মধ্যে তা ৫ শতাংশের নিচে নামবে।”

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ সংক্রান্ত বিষয়ে ড. মনসুর বলেন, “জুনের মধ্যে আইএমএফের দুটি কিস্তিসহ আরও কমপক্ষে ৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ পাওয়ার আশা করছি। তবে আইএমএফের ঋণ ছাড়া আমাদের অর্থনীতি চলবে না এই ধারণা ঠিক নয়। আমরা নিজের শক্তিতে এগিয়ে যাবো। সংস্কার অব্যাহত থাকবে।”

তিনি বলেন, “অনেকে নানা কথা বলেন, কিন্তু আমরা আত্মবিশ্বাসী। এখন সময় এসেছে সামনে এগিয়ে যাওয়ার। দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল ও টেকসই করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

এই সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক এখন থেকে কঠোর নজরদারির মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও আস্থা প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্যাংকে সুশাসন নিশ্চিত হবে, আমানতকারীদের স্বার্থেই কাজ করছি: গভর্নর

আপডেট সময় ০৫:৪১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

 

ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, “ব্যাংকের স্বার্থ নয়, আমরা আমানতকারীদের স্বার্থে আছি। ব্যাংক ঘুরে দাঁড়াবেই।”

বুধবার (১৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দুবাই থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  ছুটির দিনেও খোলা ব্যাংক, কম গ্রাহকের আনাগোনা

গভর্নর মনসুর বলেন, “ব্যাংকে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবেই। প্রয়োজনে ব্যাংক মার্জ করা হবে, আরও যেসব পদক্ষেপ প্রয়োজন, তা-ও নেওয়া হবে। আমানতকারীদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই, আমরা তাদের পাশে আছি।”

তিনি জানান, ডলারের দাম এখন থেকে বাজারভিত্তিকভাবে নির্ধারিত হবে। তবে বাজারে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরদারি থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। “যারা অযৌক্তিক আচরণ করবে, তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে,” বলেন গভর্নর।

বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে উল্লেখ করে গভর্নর জানান, “আমরা আশাবাদী, চলতি মাস থেকেই (মে) মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের ঘরে চলে আসবে। আর আগামী বছরের এই সময়ের মধ্যে তা ৫ শতাংশের নিচে নামবে।”

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ সংক্রান্ত বিষয়ে ড. মনসুর বলেন, “জুনের মধ্যে আইএমএফের দুটি কিস্তিসহ আরও কমপক্ষে ৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ পাওয়ার আশা করছি। তবে আইএমএফের ঋণ ছাড়া আমাদের অর্থনীতি চলবে না এই ধারণা ঠিক নয়। আমরা নিজের শক্তিতে এগিয়ে যাবো। সংস্কার অব্যাহত থাকবে।”

তিনি বলেন, “অনেকে নানা কথা বলেন, কিন্তু আমরা আত্মবিশ্বাসী। এখন সময় এসেছে সামনে এগিয়ে যাওয়ার। দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল ও টেকসই করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

এই সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক এখন থেকে কঠোর নজরদারির মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও আস্থা প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ।