জাসদ কার্যালয় থেকে আটক সাংবাদিক নেতা সূর্য ১৫ ঘণ্টা পর মুক্ত
- আপডেট সময় ০৪:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 29
রাজধানীর গুলিস্তানে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আটকের প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) একাংশের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সূর্যকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে পল্টন থানা থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
এর আগে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে গুলিস্তান জিপিও মোড় এলাকায় জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। জাসদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, একই সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সন্দেহে আরও অন্তত ২৮০ জনকে আটক করা হয়।
মুক্তির পর আবু জাফর সূর্য এশিয়া পোস্টকে বলেন, আটকের সময় তিনি পুলিশকে জানিয়েছিলেন যে তিনি কখনো আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালনের জন্য সেখানে গিয়েছিলেন। তবে তার বক্তব্য আমলে না নিয়ে তাকে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশের গাড়িতে করে থানায় নেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।
সূর্য বলেন, ওই সময় ৫০ জনের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছিল এবং তাদের মধ্যে প্রথম দিকেই তাকে আটক করা হয়। নিজেকে পেশাদার সাংবাদিক ও সাংবাদিক নেতা হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে পরে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
আটকের পর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে হাতকড়া পরা একটি ছবি প্রকাশ করে সূর্য দাবি করেছিলেন, জাসদের প্রতিনিধি সভায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করার সময় তাকে ও আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। পরে তাকে পল্টন থানায় নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।
জাসদের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন দাবি করেন, এটি ছিল দলের একটি প্রতিনিধি সম্মেলন এবং কর্মসূচিটি গোপন ছিল না। তার ভাষ্য, কর্মসূচির বিষয়ে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে মতিঝিল জোনের ডিসিকে দুই দফা চিঠি দেওয়া হয়েছিল।
সাজ্জাদ হোসেনের দাবি, পুলিশ ও যুবদলের লোকজন তাদের অনুষ্ঠান পণ্ড করে দেয় এবং সাংবাদিকসহ অন্তত ২৮০ জন নেতাকর্মীকে আটক করে নিয়ে যায়। তাদের মধ্যে ২৯ জন এখনো হাজতে রয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তাদের আদালতে নেওয়া হবে, নাকি ছেড়ে দেওয়া হবে—এ বিষয়ে তখনও তারা নিশ্চিত ছিলেন না বলে জানান তিনি।
তবে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া বিভাগের উপকমিশনার মো. আক্তার হোসেন বলেন, আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও পরিচয় যাচাইয়ের জন্য পল্টন থানায় নেওয়া হয়েছিল। যাচাই-বাছাই শেষে বেশিরভাগ ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি কয়েকজনের বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

























