০২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ট্রেনের টয়লেটে নারী যাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ, রেলওয়ের কর্মচারী আটক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪৭:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
  • / 112

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের টয়লেটে এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি রেলওয়ের একজন পিএ (PA) অপারেটর সাইফুল ইসলাম (২৮)। বুধবার সকাল ৯টার দিকে এ জঘন্য ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী নারীর বাড়ি কুড়িগ্রামে, আর অভিযুক্ত সাইফুলের বাড়ি গাইবান্ধায় বলে জানিয়েছেন সৈয়দপুর রেলওয়ে জেলা পুলিশ সুপার ফরহাত আহমেদ।

তিনি বলেন, “কমলাপুর স্টেশনে দাঁড়ানো অবস্থায় ট্রেনের ভেতরে এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি ট্রেনে দায়িত্বপ্রাপ্ত রেলওয়ে পুলিশকে জানালে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামকে তাৎক্ষণিক আটক করা হয়।”

পুলিশ জানায়, ঘটনাটি ঘটার পর ভুক্তভোগী নারী তাৎক্ষণিকভাবে সাহসিকতার সঙ্গে ঘটনাটি রেলওয়ে পুলিশকে জানান। পরে, ট্রেনটি বগুড়ার সান্তাহার জংশনে পৌঁছালে উভয়কে সেখান থেকে নামিয়ে নেওয়া হয়।

পুলিশ সুপার জানান, “ঘটনাস্থল যেহেতু কমলাপুর, তাই মামলাটিও সেখানেই দায়ের করা হবে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে দুজনকে ঢাকায় পাঠানো হতে পারে।”

এই ঘটনায় রেলওয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় চরম গাফিলতি ও কর্মীদের নৈতিকতার প্রশ্ন উঠেছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেখানে রেলওয়ের কর্মীদের দায়িত্ব পালন করার কথা, সেখানে কর্মীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ রেল প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে এ ঘটনায় চরম ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা ও নাগরিক সমাজ। তারা এই ঘটনার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

রেলওয়ে পুলিশ বলছে, ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হবে এবং সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রেনের টয়লেটে নারী যাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ, রেলওয়ের কর্মচারী আটক

আপডেট সময় ০৬:৪৭:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

 

ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের টয়লেটে এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি রেলওয়ের একজন পিএ (PA) অপারেটর সাইফুল ইসলাম (২৮)। বুধবার সকাল ৯টার দিকে এ জঘন্য ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী নারীর বাড়ি কুড়িগ্রামে, আর অভিযুক্ত সাইফুলের বাড়ি গাইবান্ধায় বলে জানিয়েছেন সৈয়দপুর রেলওয়ে জেলা পুলিশ সুপার ফরহাত আহমেদ।

তিনি বলেন, “কমলাপুর স্টেশনে দাঁড়ানো অবস্থায় ট্রেনের ভেতরে এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি ট্রেনে দায়িত্বপ্রাপ্ত রেলওয়ে পুলিশকে জানালে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামকে তাৎক্ষণিক আটক করা হয়।”

পুলিশ জানায়, ঘটনাটি ঘটার পর ভুক্তভোগী নারী তাৎক্ষণিকভাবে সাহসিকতার সঙ্গে ঘটনাটি রেলওয়ে পুলিশকে জানান। পরে, ট্রেনটি বগুড়ার সান্তাহার জংশনে পৌঁছালে উভয়কে সেখান থেকে নামিয়ে নেওয়া হয়।

পুলিশ সুপার জানান, “ঘটনাস্থল যেহেতু কমলাপুর, তাই মামলাটিও সেখানেই দায়ের করা হবে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে দুজনকে ঢাকায় পাঠানো হতে পারে।”

এই ঘটনায় রেলওয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় চরম গাফিলতি ও কর্মীদের নৈতিকতার প্রশ্ন উঠেছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেখানে রেলওয়ের কর্মীদের দায়িত্ব পালন করার কথা, সেখানে কর্মীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ রেল প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে এ ঘটনায় চরম ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা ও নাগরিক সমাজ। তারা এই ঘটনার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

রেলওয়ে পুলিশ বলছে, ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হবে এবং সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।