০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি নিউক্যাসলকে বিদায় করে লিগ কাপ ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটি কুমিল্লায় হাঁস চুরির সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা ‘আহার গ্রহণও করা যাবে না’: নির্বাচনে কর্মকর্তাদের কঠোর নিরপেক্ষতার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কুষ্টিয়ায় জামায়াত-বিএনপির দফায় দফায় সংঘর্ষ বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করা হবে: তারেক রহমান বিশ্বের প্রথম ‘৮০০ বিলিয়ন’ ডলারের মালিক ইলন মাস্ক সোমবার বিটিভিতে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির ১০৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ: নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারের বড় পদক্ষেপ ড্রাফটের আগে রিশাদকে ছেড়ে দিল লাহোর

জাজিরায় আধিপত্যের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ ও হাতবোমা বিস্ফোরণ মামলায় গ্রেপ্তার ৮

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 121

ছবি সংগৃহীত

 

 

শরীয়তপুরের জাজিরায় রাজনৈতিক আধিপত্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এ ঘটনায় পুলিশ ৮৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে, এরমধ্যে ৮ জনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রবিবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল আখন্দ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্ব চলে আসছে। এলাকায় প্রভাব বিস্তার, ক্ষমতার বলয় তৈরি এবং রাজনৈতিক আধিপত্যকে কেন্দ্র করেই একাধিকবার উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

শনিবার (৫ এপ্রিল) সকালে এই পুরনো শত্রুতা আবার রক্তাক্ত রূপ নেয় দূর্বাডাঙ্গা এলাকায়। একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয় সংঘর্ষ। মুহূর্তেই পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বোমার বিকট শব্দ, বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষে শতাধিক হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটে। উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও যৌথ বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং টহল জোরদার করা হয়েছে।

ওসি দুলাল আখন্দ জানান, “পুলিশের পক্ষ থেকে একজন এসআই বাদী হয়ে ৮৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও এক হাজার জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র উদ্বেগ বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাজিরায় আধিপত্যের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ ও হাতবোমা বিস্ফোরণ মামলায় গ্রেপ্তার ৮

আপডেট সময় ০৫:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫

 

 

শরীয়তপুরের জাজিরায় রাজনৈতিক আধিপত্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এ ঘটনায় পুলিশ ৮৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে, এরমধ্যে ৮ জনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রবিবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল আখন্দ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্ব চলে আসছে। এলাকায় প্রভাব বিস্তার, ক্ষমতার বলয় তৈরি এবং রাজনৈতিক আধিপত্যকে কেন্দ্র করেই একাধিকবার উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

শনিবার (৫ এপ্রিল) সকালে এই পুরনো শত্রুতা আবার রক্তাক্ত রূপ নেয় দূর্বাডাঙ্গা এলাকায়। একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয় সংঘর্ষ। মুহূর্তেই পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বোমার বিকট শব্দ, বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষে শতাধিক হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটে। উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও যৌথ বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং টহল জোরদার করা হয়েছে।

ওসি দুলাল আখন্দ জানান, “পুলিশের পক্ষ থেকে একজন এসআই বাদী হয়ে ৮৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও এক হাজার জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র উদ্বেগ বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।