০৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া ও যাত্রী হয়রানি নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ চায় যাত্রী কল্যাণ সমিতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৫:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 119

ছবি সংগৃহীত

 

 

ঈদ সামনে রেখে সড়ক, নৌ ও আকাশপথে যাত্রী পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নামে চরম নৈরাজ্য চলছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। তারা অবিলম্বে এই অনিয়ম বন্ধে কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

রবিবার (২৩ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, “সরকার বারবার ঘোষণা দিলেও বাস্তবে ঈদের সময় সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট ভাড়ার বাইরে নানান অজুহাতে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে বাস, লঞ্চ ও বিমান সংস্থাগুলো।”

তিনি অভিযোগ করেন, বিআরটিএ ও বিআইডব্লিউটিএ শুধু পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করে যাত্রীদের অংশগ্রহণ ছাড়াই মনিটরিং টিম গঠন করেছে, যা একতরফা ও অগণতান্ত্রিক। “যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষায় কারো আগ্রহ নেই,” বলেন তিনি।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গমুখী এসি-নন-এসি বাসে ৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম থেকেও বিভিন্ন গন্তব্যে দ্বিগুণ ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, বগুড়া, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় সব জায়গা থেকেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

সদরঘাট নৌবন্দর থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে আগাম টিকিটেই বাড়তি ভাড়া রাখা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এমনকি অভ্যন্তরীণ আকাশপথেও ভাড়া বৃদ্ধি ‘ডাকাতির’ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ঢাকা-সৈয়দপুর, ঢাকা-কক্সবাজার, ঢাকা-চট্টগ্রামসহ রুটগুলোতে যাত্রীদের গলাকাটা ভাড়া দিতে হচ্ছে।

মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, “যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে কঠোর নজরদারি, জরুরি হেল্পলাইন এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ব্যবস্থা নিতে হবে। নইলে এ নৈরাজ্য থামবে না।”

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, যেন ঈদযাত্রা হয় নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক যেখানে ভাড়া নয়, পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দটাই মুখ্য হয়ে ওঠে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া ও যাত্রী হয়রানি নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ চায় যাত্রী কল্যাণ সমিতি

আপডেট সময় ০৪:২৫:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

 

ঈদ সামনে রেখে সড়ক, নৌ ও আকাশপথে যাত্রী পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নামে চরম নৈরাজ্য চলছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। তারা অবিলম্বে এই অনিয়ম বন্ধে কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

রবিবার (২৩ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, “সরকার বারবার ঘোষণা দিলেও বাস্তবে ঈদের সময় সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট ভাড়ার বাইরে নানান অজুহাতে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে বাস, লঞ্চ ও বিমান সংস্থাগুলো।”

তিনি অভিযোগ করেন, বিআরটিএ ও বিআইডব্লিউটিএ শুধু পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করে যাত্রীদের অংশগ্রহণ ছাড়াই মনিটরিং টিম গঠন করেছে, যা একতরফা ও অগণতান্ত্রিক। “যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষায় কারো আগ্রহ নেই,” বলেন তিনি।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গমুখী এসি-নন-এসি বাসে ৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম থেকেও বিভিন্ন গন্তব্যে দ্বিগুণ ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, বগুড়া, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় সব জায়গা থেকেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

সদরঘাট নৌবন্দর থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে আগাম টিকিটেই বাড়তি ভাড়া রাখা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এমনকি অভ্যন্তরীণ আকাশপথেও ভাড়া বৃদ্ধি ‘ডাকাতির’ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ঢাকা-সৈয়দপুর, ঢাকা-কক্সবাজার, ঢাকা-চট্টগ্রামসহ রুটগুলোতে যাত্রীদের গলাকাটা ভাড়া দিতে হচ্ছে।

মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, “যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে কঠোর নজরদারি, জরুরি হেল্পলাইন এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ব্যবস্থা নিতে হবে। নইলে এ নৈরাজ্য থামবে না।”

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, যেন ঈদযাত্রা হয় নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক যেখানে ভাড়া নয়, পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দটাই মুখ্য হয়ে ওঠে।